admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট, ২০২১ ৯:১৭ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে রাজ্জাক গ্রুপের চেয়ারম্যান হাবিবুল ইসলাম বাবলুর বিরুদ্ধে শীবগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমি ও মার্কেট দখলের অভিযোগ উঠেছে। জমি ও মার্কেট দখলের জন্য মসজিদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মার্কেটের গোলাম মোস্তফা, আইনুল, কাজী এমদাদুল হক, আলতাফুর রহমান ও নুর ইসলামের দোকানে জোরপূর্বক তালা লাগিয়ে এলাকায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছেন। যদিও ঠাকুরগাঁও সদর থানার পুলিশ গত ২রা আগস্ট দোকানগুলোর তালা খুলে মালিকদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ ঘটনায় শিবগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ১০নং জামালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম এমদাদুল হক মুসল্লিগণের পক্ষে রাজ্জাক গ্রুপের চেয়ারম্যান হাবিবুল ইসলাম (বাবলু), মনজুর আলম, রাজিউল ইসলাম (রাজু), নজরুল ইসলাম ও রমজান আলীর বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় এবং ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া একই অভিযোগে ৫ই আগস্ট সংবাদ সম্মেলনও করেছে ভুক্তভোগীরা। তারা বলছেন, জমি ও মার্কেট দখলের নেশা বাবুলের। এজন্য তার নিজস্ব বাহিনীও রয়েছে।
লিখিত অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রাক্কালে মাড়োয়ারি হিন্দু সম্প্রদায়ের দেশত্যাগের পর থেকে তাদের অর্পিত জমির ওপর ১০নং জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যক্রম পরিচালনা করে। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদ তাদের নিজস্ব জমিতে ভবন তৈরি করে কার্যক্রম পরিচালনা করে। ২০১২ সালে ঠাকুরগাঁও ভূমি অফিস হতে ওই জমি মসজিদের নামে লিজ নেয়া হয়। মসজিদ কর্তৃপক্ষ সেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ অবস্থায় হাবিবুল ইসলাম (বাবলু) ও তার লোকজন মসজিদের জমি ও মার্কেট দখলের চেষ্টা করে। ইউএনও, থানায় অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলনের ব্যাপারে হাবিবুল ইসলাম (বাবলু)-এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে, মানবজমিনকে তিনি বলেন, এটা আমার নলেজে নেই। এ ব্যাপারে আমাদেরকে কোনোকিছু জানায়নি। সংবাদ সম্মেলনের ব্যাপারেও আমি জানি না।
মার্কেটে তালা লাগানোর মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি, ওটা ঠিক হয়ে গেছে। আর উনিতো (এসএম এমদাদুল হক) মসজিদ কমিটিতে নেই। আহ্বায়ক কমিটি এখন মসজিদ পরিচালনা করছে। এর আগে যে কমিটি ছিল তারা ১০-১২ বছর ধরে মসজিদ পরিচালনা করেছে। এখন ৩ মাসের জন্য আহ্বায়ক কমিটি করে দেয়া হয়েছে, কমিটিতে আমি নেই। আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে। যে জমিটা নিয়ে কথা হয়েছে সেটা আমার সরকার থেকে নেয়া জমি। এ জমি নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেছেন তার যে সব প্রতিষ্ঠান আছে তা বেশীরভাগ অবৈধ সরকারের কিছু অসাধু ব্যাক্তিকে উৎকোচের বিনিময় ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যা পরিবেশের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। ও সরকার শুল্ক ফাকিতে পরছে, এলাকা বাসি এই সব বিষয় গুলো তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করে এই সব প্রতিষ্ঠানে গুলো তদন্ত করে বন্ধ করার কথাও জানান। আরও জানাজায় এশিয়া হ্যান্ড সেনিটারাইজার (হ্যান্ড র্যাব) নাম সরকারি দপ্তর বাজারে বিক্রি নিষেধাজ্ঞা সত্তেও তা বোতল ও ক্যামিকেল ঠিক রেখে শুধু মোড়ক পরিবর্তন করে বাজারজাত করছে। যা অতিসত্তর প্রমান সাপেক্ষে আইনের প্রয়োগ জরুরী হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।