admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২২ ১:৫৮ অপরাহ্ণ
কুঞ্জ পাল,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলায় ৩নং আক্চা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পালপাড়া গ্রামে রাস্তা পাকাকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারির বিরুদ্ধে। রাস্তা পাকা করণ কাজে ইটের গুড়ো ও নামে মাত্র পিচ দিয়ে রাতের অন্ধকারে কাজ শেষ করেছে ঠিকাদার মুরাদ। এলজিইডি’র দায়ীত্ব প্রাপ্ত্য এই রাস্তা কাজে নামে মাত্র তদারকি করেছে।

এলাবাসী মনে করছেন এই বর্ষায় রাস্তার পিচ উঠে যবে। আর ওই সব অভিযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল চেয়েছেন এলাকাবাসী ও পথচারীরা। এবং যথাযথ প্রতিষ্ঠান অজ্ঞাত কারনে চুপ করে থাকেন নিম্ন মানের কাজ হওয়া সত্ততেও তাঁরা চোখ বন্ধ করে থাকে। এলাকাবাসি অত্র পালপাড়া গ্রামের রাস্তা পাকাকরণ কাজে অনিয়মের ঠিকাদার মুরাদ ও প্রকৌশল বিভাগের তদন্ত সাপেক্ষে আইনের অওতায় আনার কথা বলেন, এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
ঠিকাদার মুরাদ এই রাস্তা নির্মাণের কাজ পেলে বাস্তবে দেখা যায় রাস্তা নিমার্ণে ভালো মানের ইটের পরিবর্তে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করেছে যা হাত দিয়ে একটু চাপ দিলেই ভেঙে যায়। তাছাড়া রাস্তায় কম পরিমানের পিচ ব্যবহার করা হয়েছে। রাস্তার কার্পেটিংয়ের জন্য সদ্যনির্মিত কালভার্ট কাপেটিং বসানোর আগেই তা ভেঙে যায় আর এই নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়ছে। অভিযোগে রয়েছে রাস্তাটিতে বেজ কাটার পর সাববেইজ করতে বালুর সঙ্গে যে পরিমানের খোয়া ব্যবহার করার কথা সেটি মোটেও করা হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুক্ত কলম প্রতিনিধিকে স্থানীয় বাসিন্দা রাজেন পাল জানান তিন বছরে বেশি সময়ে ও রাস্তাটি সম্পন্ন হয়নি। এছাড়া রাস্তাটি সাব-বেইজ করার সময় ইটের খোয়া ও বালু সমান সমান ব্যবহার করার কথা থাকলে ও সেখানে চার ভাগের একভাগ খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন রাস্তাটিতে নিচে দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের ইট বা ইটের গুড়ো আর সবার উপরে মানুষ দেখানো শুধু অল্প পরিমানে ১নাম্বার বা ২নাম্বার ইট ব্যবহার করছে। এলাকাবাসী আরো বলেন আমরা জানি আস্তা পাকাকরণে কাজ করা হয়ে থাকে দিনের বেলায় অথচ এই রাস্তার কাজ করেছে সরকারি অফিস ছুটির পর মানে রাতে যেন নিম্নমানের কাজের তদারকি না হয়।রাতের মধ্যে কাজ করার সুবিধা হলো কম পরিমানের পিচ ও অল্প করে কার্পেটিং করা হয়েছে। আর এই কারণে রাতে অন্ধ কারে কাজ ঠিক মতো দেখতে না পেয়ে শ্রমিকরা তাঁদের সুবিধা মত তারাতারি কাজ করে চলে গেয়ছে। গত ৩০ জুন বৃহস্পতিবার প্রায় রাত ১১ঃ৩০মিনিট পযন্ত কোন মতে তারাতারি করে রাস্তার পাকাকরণ কাজ শেষ করে।

একজন পথচারী বলেন এক কথায় এই রাস্তায় কাজ নিম্নমানের দুই / তিন নম্বর ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে। তাই আমরা এই সব কাজ দিয়ে রাস্তা চাই না, এখানে সরকারিভাবে কাজ হচ্ছে না কাজ হচ্ছে ঠিকাদার নিয়মে। আরও একজনের স্থানীয় বাসিন্দা রিয়াজুল ইসলাম বলেন, উন্নয়নের নামে এখানে এতটাই নিম্নমানের কাজ করা হয়েছে যা রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচলতো দূরের কথা পথচারীরা জুতার ঘোষা লেগে রাস্তা নষ্ট হয়ে যাবে। তিন নাম্বার ইট দিয়ে কাজ করার চেয়ে মাটির রাস্তায় চলা অনেক ভালো। তাই দ্রুত নম্বর বিহীন ইট দিয়ে কাজের তদন্ত করে পুনঃ নির্মাণ করা হোক এবং ঠিকাদার মুরাদের আইনি ব্যবস্থা করা হোক জনগণ ও দেশকে ঠোকানোর জন্য। মুরাদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের জন্য কৃর্তপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসি। এই বিষয়ে ঠিকাদার কাছে জানতে চাইলে বার বার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নাই।
ঠাকুরগাঁও এলজিইডি’ নির্বাহী প্রকৌশলী’র সাথে কথা বললে তিনি জানান সদর উপজেলায় যারা কাজের মনিটরিং এর দায়ীত্বে ছিলেন তাঁদের সাথে কথা বলে পুনরায় তদন্ত করবেন। এবং কাজের কোন প্রকার অনিয়ম হয়ে থকলে তা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।