admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২০ ৭:২৮ অপরাহ্ণ
জানা গেছে, সমুদ্র উত্তাল থাকায় টানা ৬৫ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। তবে এখন নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়ায় সমুদ্রে মাছ ধরা আবার শুরু হয়েছে। কিন্তু এই সময়ে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার মোহনায় জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়ছে না বললেই চলে। এ নিয়ে স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে। কারণ সমুদ্রের ইলিশের তুলনায় পদ্মার ইলিশের দাম বেশি। ফলে আর্থিকভাবে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
এ বিষয়ে চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রতিদিনই ঘাটে প্রায় চার-পাঁচ শ মণ মাছ আসছে। তবে সবই উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার গভীর সমুদ্রের। পদ্মা-মেঘনায় এখন ইলিশ খুব কমই পাওয়া যায়। তাছাড়া জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর এই তিন মাস ইলিশ কেনাবেচা বেশি হয়।
চাঁদপুর মাছঘাটের ব্যবসায়ী ও কমিশন এজেন্ট আবদুল গফুর জমাদার বলেন, নদীর নাব্য নষ্ট হওয়ায় চাঁদপুরে ইলিশ আর আগের মতো পাওয়া যায় না। তাছাড়া উপকূলের ইলিশ আর পদ্মার ইলিশের মধ্যে দামেও অনেক পার্থক্য।
চলতি মৌসুমে মাছঘাটে এক কেজি উপকূলীয় ইলিশের দাম ৭০০-৮০০ টাকা এবং প্রতি মণ ৫০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২৪-২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। অন্যদিকে, এক কেজি চাঁদপুরের ইলিশের দাম ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা এবং প্রতি মণ ৫০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩৭-৩৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় জেলে হোসেন আলী জানান, সকালে ট্রলার নিয়ে মাঝ নদীতে গিয়ে মাত্র পাঁচ-ছয়টি মাঝারি আকারের ইলিশ নিয়ে ফিরে এসেছেন। সমুদ্র থেকে অনেক মাছ আসলেও নদীতে কোনো মাছ নেই। এবার উপার্জন কম হওয়ায় নদীর জেলেরা অসহায় অবস্থার মধ্যে আছেন।