admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর, ২০২১ ১১:৪২ অপরাহ্ণ
গাইবান্ধার প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অচেনা প্রাণীর আক্রমণে মৃত্যু, আতঙ্কিত এলাকাবাসী।জানা-অচেনা এক প্রাণীর আক্রমণে একজন প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১২ জন। গত এক মাসে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর হরিণাথপুর ইউনিয়নে এসব ঘটনা ঘটে। সেখানকার বিভিন্ন জায়গায় একের পর আক্রমণ করলেও প্রাণীটিকে ঠিক মতো দেখতে পাননি স্থানীয়রা। বিষয়টি নিশ্চিত করে পলাশবাড়ীর ইউএনও কামরুজ্জামান নয়ন জানান, প্রাণীটি এখন পর্যন্ত কেউ দেখেনি।
স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী এটি পাগলা শিয়াল হতে পারে বলে মনে করছেন প্রাণী সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা। সে কারণে আহত ব্যক্তিদের জলাতঙ্ক রোগের টিকা দেয়া হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণীটির আক্রমণের কোনো খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, অচেনা প্রাণীটিকে কেউ হায়েনা আবার নেকড়ে বলেও মনে করছেন। এর ফলে আরো হামলার ভয়ে গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। আক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে লাঠি নিয়ে চলাফেরা করছেন তারা। প্রাণীটির হামলায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম ফেরদৌস সরকার মারা যান।
মাঠে ঘাস কাটার সময় ২০ দিন আগে আক্রান্ত হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয় তাকে। পরে জলাতঙ্ক টিকা দেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। স্থানীয়রা জানান, একই দিন আরো বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রাণীটির আক্রমণে ৩ জন আহত হন। এরপর বিভিন্ন স্থানে একইভাবে ১২ জন নারী-পুরুষ আহত হওয়ার খরব পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে আমরুল ইসলাম, হামিদ মিয়া, সুমি বেগম ও মনজিলা বেগমের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাফুজার রহমান সরকার জানান, প্রাণীটি জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত শেয়াল বা কুকুর হবে হয়তো। এটিকে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা করছেন তারা। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সাবধানে চলাফেরা করার কথা বলেছেন হরিণাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রাকিব হোসেন।