admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে নারী অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনার পুলিশ জানিয়েছে অন্যরকম তথ্য। সম্প্রতি কক্সবাজারে একজন নারীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনার পর সারাদেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ নিয়ে মামলা হলেও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে তদন্তে নেমে পাওয়া গেছে অন্যরকম তথ্য। তাতে ঘটনা মোড় নিচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে। ভিকটির নারীর বিষয়ে বেরিয়ে আসছে অনৈতিক কাজের তথ্য। এই ঘটনায় জিয়া গেস্ট ইন হোটেল ম্যানেজার রিয়াজুদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে প্রথমে বেরিয়ে আসে, ধর্ষকরা ওই নারীর পূর্ব পরিচিত।
এই তথ্যের সূত্র ধরে এগিয়ে যায় পুলিশ। জানা যায়, অনৈতিক কাজের অভিযোগে চলতি বছরের শুরুতে কক্সবাজার থেকে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তিনি নিয়মিত কক্সবাজারে আসেন এবং অর্থের বিনিময়ে অনৈতিক কাজ করেন। ভিকটিম নারী একেক সময় একেক নামে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করেন। এতে সহযোগিতা করেন তার স্বামী। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ওই নারী জানান, অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। সেই টাকা জোগাড় করতেই কক্সবাজারে আসেন তিনি। এ সময় সন্ত্রাসী আশিকের সঙ্গে পরিচয় হয়।
আশিক তার কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। কিন্তু স্বামীর মাধ্যমে তাকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার পর আর সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেয়। এ নিয়ে আশিকের সঙ্গে ওই নারীর স্বামীর বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে গতকাল বুধবার রাতে কলাতলী লাইট হাউস এলাকার একটি কটেজের সামনে থেকে জোরপূর্বক ওই নারীকে তুলে নিয়ে যায় আশিক।