admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর, ২০২১ ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময় বাড়ানোর খবর অস্বীকার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। জয়েন্ট অপারেশন কমান্ডের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তাহসিন আল-খাফাজি সরকারি ইরাকি নিউজ এজেন্সিকে বলেছেন, (মার্কিন) যোদ্ধা বাহিনীর প্রস্থানের তারিখ ৩১ ডিসেম্বরই ঠিক আছে এবং এতে কোনো পরিবর্তন নেই। গত জুলাইয়ে এ বছরের শেষ নাগাদ ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারে সম্মত হয় বাগদাদ ও ওয়াশিংটন। তবে ইরাকি সেনাবাহিনীকে পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য কিছু মার্কিন সেনা বাগদাদে থেকে যাবে।
আল-খাফাজি বলেন, যোদ্ধাবাহিনী চলে যাওয়ার পর যারা থাকবে তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক হবে একটি উপদেষ্টা সম্পর্ক। প্রশিক্ষণ, অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য এবং দায়েশ বা আইএসআইএস সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। ইরাকি সরকারের আমন্ত্রণে আইএসআইএস সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে ২০১৪ সাল থেকে একটি আন্তর্জাতিক জোটের নেতৃত্ব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৪ সালে আইএসআইএস ইরাকের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অঞ্চল দখল করেছিল। সন্ত্রাসী সংগঠনটি অবশ্য ২০১৭ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সহায়তায় ইরাকি সেনাবাহিনীর কাছে পরাজিত হয়।
এদিকে ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের ব্যাপারে তেহরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত কাতায়েব সাইয়িদ আল-শুহাদা বলেছেন, এ বছর শেষ হওয়ার পর তারা মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ভলান্টিয়ারদের স্বাগত জানাবে।
এদিকে, গত কয়েক মাস ধরে, ইরাকে মার্কিন বাহিনীর আবাসস্থল সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং ওয়াশিংটন এসব ক্ষেত্রে প্রায়ই ইরানের প্রতি অনুগত সশস্ত্র দলগুলোকে দায়ী করেছে। বর্তমানে ইরাকে আড়াই হাজার মার্কিন সেনাসহ প্রায় তিন হাজার বিদেশি সৈন্য রয়েছে। তারা দায়েশ-আইএসআইএসবিরোধী জোটে লড়াই করছে। ইরাকের রাজনৈতিক দলগুলো ৫ জানুয়ারি ২০২০-এ জারি করা পার্লামেন্টে নেয়া সিদ্ধান্তের অধীনে সঠিক সময়েই দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।