admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ, ২০২০ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ইউরোপ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের নতুন কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে। ইউরোপ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের নতুন কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে। মানুষের জীবন বাঁচাতে বিশ্বের দেশগুলোকে আরও কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেয়া, সামাজিক পদক্ষেপ আর সামাজিকভাবে দূরত্ব তৈরির তাগিদ দিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান টেড্রোস অ্যাধানম ঘেব্রেইয়েসাস। পরিস্থিতি যেভাবে আছে, সেভাবেই থাকার সুযোগ দেবেন না, তিনি বলছেন। বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এর মধ্যেই জানিয়েছে যে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিনের সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বা মৃত্যুর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। সেখানে ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতালিতে সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৬৬ জন, আর আক্রান্ত হয়েছে ১৭৬৬০জন।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান। স্পেনে শুক্রবার মারা গেছেন ১২০জন আর আক্রান্ত হয়েছে ৪২৩১জন। শনিবার থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহের জন্য দেশ জুড়ে সতর্কাবস্থা জারি করতে যাচ্ছে দেশটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ১২৩টি দেশের মধ্যে ১৩২৫০০ ব্যক্তিকে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি। বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই রোগটির নতুন কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরোপ। চীনকে বাদ দিলে সারা বিশ্বে যত নতুন রোগী শনাক্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে, তার চেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে ইউরোপে, বলেছেন টেড্রোস অ্যাধানম ঘেব্রেইয়েসাস।। রোগটির কেন্দ্রস্থল চীনে প্রতিদিন যত জন নতুন রোগী পাওয়া যাচ্ছে, তার চয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে ইউরোপে।

বর্তমানে চীনের তুলনায় ইউরোপের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে স্পেন ও ইতালির বাইরে ফ্রান্স জানিয়েছে, তাদের দেশে ২৮৭৬জন রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ৭৯জন মারা গেছে। জার্মানিতে ৩০৬২জন রোগী পাওয়া গেছে এবং পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। যুক্তরাজ্যে ৭৯৮জন রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিদেশিদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে ডেনমার্ক, চেক রিপাবলিক, শ্লোভাকিয়া, অস্ট্রিয়া, ইউক্রেন, হাঙ্গেরি এবং পোল্যান্ড। বেলজিয়াম, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানির একাংশে স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অনেক দেশ সমাবেশ বন্ধের পাশাপাশি থিয়েটার, রেস্তোরা এবং বার বন্ধ করে দেয়ার মতো পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্যারিসের লুভ জাদুঘর এবং আইফেল টাওয়ারে শুক্রবার থেকে দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।