admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৯ জুলাই, ২০২০ ৪:১৮ পূর্বাহ্ণ
মিয়ানমারের সীমানার অদূরে, বাংলাদেশের কক্সবাজারের পাহাড়গুলোতে গাদাগাদি করে বাস করে ৯ লাখ ১৯ হাজার রোহিঙ্গা। পাহাড়ি বনভূমি উন্মুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই আশ্রয় শিবির। পার্শ্ববর্তী টেকনাফ ও উখিয়াতেও গড়ে উঠেছে বেশ কিছু ক্যাম্প।
বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের মধ্যে বেশীর ভাগ, প্রায় ৭ লাখ এসেছেন ২০১৭ সালের আগস্টের শেষের দিকে রাখাইনে বড় মাপের সহিংসতা শুরু হবার পর। বাকিরা পাড়ি দিয়েছিলেন আগেই, বিভিন্ন সময়ে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন এড়াতে। ভারত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শংকর। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনেই সকলের মঙ্গল নিহিত।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনকে সম্প্রতি লেখা এক পত্রে ড. এস. জয়শংকর এসব বিষয় উল্লেখ করেন বলে বুধবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ থেকে জোরপর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। করোনা মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার পূনর্ব্যক্ত করেন ড. এস. জয়শংকর। তাছাড়া দুদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পারিক অংশীদারিত্ব অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি পত্রে উল্লেখ করেন।