admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২৩ ২:৫১ অপরাহ্ণ
জুলহাস উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার: বে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করনের দাবীতে তেঁতুলিয়া উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহে কর্মবিরতি ঘোষনা করেছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেতুলীয় উপজেলা শাখা।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেঁতুলিয়া উপজেলা শাখার জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেতুলিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ উমের আলীর সভাপতিত্বে সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সমিতির সকল সদস্যগন উপস্থিতে জাতীয় করনের দাবীতে বুধবার ১৯জুলাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি ঘোষনা করেন
এই সময় বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সমম্পাদক তৌহিদুল হক,ভজনপুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান, শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাবুল হোসেন,খালেদা জিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুর ইসলাম,ফকিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক, সমিতির প্রচার সম্পাদক সোহরাব আলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ঢাকাই শিক্ষদের শান্তি পুণ্য অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে তাদের উপর পুলিশের লাঠি চার্জ মারধর ও হয়রানির প্রতিবাদ জানান। আজীজ নগড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দীন বলেন,সরকারের কাছে আমাদের অনেক দাবী বাড়ি ভাড়া ১০০০ টাকা। এটা অত্যন্ত লজ্জার কথা।সরকার আামাদের যে উৎসব ভাতা ২৫%টাকা দেন, আর একটি ছাগল ক্রয় করতে ১০০০০হতে ১২০০০টাকা লাগে আমার পরিবারের কাপড় চোপর কিনতেতো টাকা লাগে।
তবে এই ২৫% টাকা দিয়ে কি হবে। জাতীয় করনের জন্য সরকারের কাছে বৈষম্যের অবসান চাই।রনচন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী বলেন,সরকার দেশকে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট করতেছে এই স্মার্ট বাংলাদেশে শহরে একজন ডাক্তারকে দেখাতে গেলে ৮০০ হতে ১০০০ টাকা ফি লাগে আর আমরা চিকিৎসা ভাতা পাই ৫০০ টাকা। ঘর ভাড়া ১রুম ২০০০ হতে ৩০০০ টাকা আর আমরা পাচ্ছি মাত্র ১০০০ টাকা এতে আমাদের চলেনা আমাদের চিকিৎসা ভাতা বাড়ি ভাড়া সহ জাতীয় করনেআজীজ নগড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দীন বলেন,সরকারের কাছে আমাদের অনেক দাবী বাড়ি ভাড়া ১০০০ টাকা। এটা অত্যন্ত লজ্জার একটা কথা।সরকার আামাদের যে উৎসব ভাতা ৭০০০টাকা আর একটি ছাগল ক্রয় করতে ১০০০০হতে ১২০০০টাকা লাগে আমার পরিবারের কাপড় চোপর কিনতেতো টাকা লাগে। তবে এই সাত হাজার টাকা দিয়ে কি হবে সরকারের কাছে এই সবের বৈষম্যের অবসান চাই।
রনচন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী বলেন,সরকার দেশকে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট করতেছে এই স্মার্ট বাংলাদেশে শহরে একজন ডাক্তারকে দেখাতে গেলে ৮০০ হতে ১০০০ টাকা ফি লাগে আর আমরা চিকিৎসা ভাতা পাই ৫০০ টাকা। ঘর ভাড়া ১রুম ২০০০ হতে ৩০০০ টাকা আর আমরা পাচ্ছি মাত্র ১০০০ টাকা এতে আমাদের চলেনা আমাদের চিকিৎসা ভাতা বাড়ি ভাড়া সহ জাতীয় করনে বৈষম্যের অবসান চাই।
তেঁতুলিয়া উপজেলায় সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কর্মবিরতি
জুলহাস উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার :
বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করনের দাবীতে তেঁতুলিয়া উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহে কর্মবিরতি ঘোষনা করেছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেতুলীয় উপজেলা শাখা।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেঁতুলিয়া উপজেলা শাখার জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেতুলিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ উমের আলীর সভাপতিত্বে সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সমিতির সকল সদস্যগন উপস্থিতে জাতীয় করনের দাবীতে বুধবার ১৯জুলাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি ঘোষনা করেন এই সময় বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সমম্পাদক তৌহিদুল হক,ভজনপুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান, শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাবুল হোসেন,খালেদা জিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুর ইসলাম,ফকিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক, সমিতির প্রচার সম্পাদক সোহরাব আলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ঢাকাই শিক্ষদের শান্তি পুণ্য অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে তাদের উপর পুলিশের লাঠি চার্জ মারধর ও হয়রানির প্রতিবাদ জানান।
রনচন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী বলেন,সরকার দেশকে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট করতেছে এই স্মার্ট বাংলাদেশে শহরে একজন ডাক্তারকে দেখাতে গেলে ৮০০ হতে ১০০০ টাকা ফি লাগে আর আমরা চিকিৎসা ভাতা পাই ৫০০ টাকা। ঘর ভাড়া ১রুম ২০০০ হতে ৩০০০ টাকা আর আমরা পাচ্ছি মাত্র ১০০০ টাকা এতে আমাদের চলেনা আমাদের চিকিৎসা ভাতা বাড়ি ভাড়া সহ জাতীয় করনে বৈষম্যের অবসান চাই।
আজীজ নগড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দীন বলেন,সরকারের কাছে আমাদের অনেক দাবী বাড়ি ভাড়া ১০০০ টাকা। এটা অত্যন্ত লজ্জার একটা কথা।সরকার আামাদের যে উৎসব ভাতা ২৫% টাকা আর একটি ছাগল ক্রয় পরিবারের কাপড় চোপর কিনতেতো এর চেয়ে বেশি খরচ হয়। সরকারের কাছে আমাদের শিক্ষদের দাবী সহ জাতীয় করনের বৈষম্যের অবসান চাই।
তেঁতুলিয়া উপজেলায় সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কর্মবিরতি
জুলহাস উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার :
বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করনের দাবীতে তেঁতুলিয়া উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহে কর্মবিরতি ঘোষনা করেছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেতুলীয় উপজেলা শাখা।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেঁতুলিয়া উপজেলা শাখার জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি তেতুলিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ উমের আলীর সভাপতিত্বে সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সমিতির সকল সদস্যগন উপস্থিতে জাতীয় করনের দাবীতে বুধবার ১৯জুলাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি ঘোষনা করেন
এই সময় বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সমম্পাদক তৌহিদুল হক,ভজনপুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান, শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাবুল হোসেন,খালেদা জিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুর ইসলাম,ফকিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক, সমিতির প্রচার সম্পাদক সোহরাব আলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ঢাকাই শিক্ষদের শান্তি পুণ্য অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে তাদের উপর পুলিশের লাঠি চার্জ মারধর ও হয়রানির প্রতিবাদ জানান।
রনচন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী বলেন,সরকার দেশকে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট করতেছে এই স্মার্ট বাংলাদেশে শহরে একজন ডাক্তারকে দেখাতে গেলে ৮০০ হতে ১০০০ টাকা ফি লাগে আর আমরা চিকিৎসা ভাতা পাই ৫০০ টাকা। ঘর ভাড়া ১রুম ২০০০ হতে ৩০০০ টাকা আর আমরা পাচ্ছি মাত্র ১০০০ টাকা এতে আমাদের চলেনা আমাদের চিকিৎসা ভাতা বাড়ি ভাড়া সহ জাতীয় করনে বৈষম্যের অবসান চাই।
আজীজ নগড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দীন বলেন,সরকারের কাছে আমাদের অনেক দাবী বাড়ি ভাড়া ১০০০ টাকা। এটা অত্যন্ত লজ্জার একটা কথা।সরকার আামাদের যে উৎসব ভাতা ২৫% টাকা আর একটি ছাগল ক্রয় পরিবারের কাপড় চোপর কিনতেতো এর চেয়ে বেশি খরচ হয়। সরকারের কাছে আমাদের শিক্ষদের দাবী সহ জাতীয় করনের বৈষম্যের অবসান চাই।