admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর, ২০২২ ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
নাগরকি ভাবনাঃ অ্যাডভোকটে আবু মহী উদ্দীনঃ ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালন হলো। এটা না হলে কোন সমস্যা হতোনা। দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বিআরটিএ দয়া করে কিছু গেঞ্জি ক্যাপ আর ১ টা ব্যানার বানিয়েছিলো। ২০ তারিখ সন্ধায় ১টা দাপ্তরিক পত্র দিয়েছে। এর বাইরে আর কিছু চোখে পড়লোনা। ২০১৭ সাল থেকে দিবসটি সরকারি ভাবে পালিত হয়ে আসছে। এবারের গরীবি হাল সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। অংশগ্রহণ করেছে পরিবহণ শ্রমিক সংগঠন , নিরাপদ সড়ক চাই, আর মুখ রক্ষার অংশগ্রহণ সড়ক জনপথের। বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন, ৫ মিনিটের র্যালী, ডিসি অফিসের নীচে দাঁড়িয়ে আলোচনা। আলোচনায় অংশ নিলেন সহকারী প্রকৌশলী সড়ক ও জনপথ , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার , অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট। বিআরটিএ আয়োজক হলেও কোন কথা তারা বলেনি। খুবই সাদামাটা আলোচনা তারা করলেন।
বোঝাই যায় তারা এক্সটেম্পোর স্পিস দিলেন। এ দিবসের আলোচনার কোন রকম প্রস্তুতি তাদের নাই। ৩ জনই বললেন,ক্রটি পুর্ন সড়ক , ভুয়া লাইসেন্স প্রদান , আইন প্রয়োগে পুলিশের নমনীয়তা। বিশ্লেষন করলে কি দাঁড়ায় , ক্রটিপুর্ন সড়ক নির্মান করে সড়ক ও জনপথ , ভুয়া লাইসেন্স প্রদান করে বিআরটিএ, পুলিশের নমনীয়তা সম্পর্কে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারই বললেন। আর কারো কোন কথা বলার সুযোগ হয়নি। এসব তো তাদেরই বিষয় , সমস্যাটা তাদের জানা , সমাধানও তাদের হাতে। বড়ো অপমানের বিষয় হলো যে কটা সংগঠনই এসেছিলো তাদের একটা বসার জায়গা কেনো দেওয়া গেলনা, একটা হল ঘর কেন পাওয়া যায়নি, নিদেন পক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বসেও তো আলোচনা সভাটা করা যেতো। এরাতো স্কুলের ছাত্র না। অবশ্যই মনে রাখতে হবে সড়ককে নিরাপদ করতে হলে এই কার্যক্রমের সাথে যারা জড়িত , যারা স্টেক হোল্ডার তাদেরকে মিনিমাম সম্মান দিতে হবে। বিষয়গুলি নিয়ে আজই বিস্তারিত আলোচনার দিন।
আজই আলোচনা হবে গতবছর বা সারা বছর আমরা কি চেষ্টা করেছি , কতটুকু পারিনি, কেন পারলামনা , আগামী কতদিনের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করা যাবে? নুতন কর্মসুচি নিতে হবে কিনা, ইত্যাদি। যেমন কমপক্ষে পৌর কর্তৃপক্ষকে আনতে হতো। তাদের কাছে জানতে হতো মোটর সাইকেল রাখার স্ট্যান্ড বানাতে তারা আর কতদিন সময় নিবে? বা ফুটপাথ দখল মুক্ত করতে আর কতদিন প্রয়োজন, ট্রাক স্ট্যান্ড পুরোপুরি সরাতে আর কতদিন দরকার ? অটো চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দরকার আছে কিনা ? কমপক্ষে এ বিষয়গুলি আলোচনা হতে পারতো। ছুটির দিনে কর্মকর্তারা ২০ মিনিটের এই কর্মসুচিতে অংশগ্রহণ করতে বেশ গলদঘর্ম হয়েছেন। ভবিষ্যতে সরকারি ছুটির দিনে কোন দিবসের প্রোগ্রাম না করাই ভালো হবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নামক সরকারি প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকাই সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি। কারণ, সারা দেশের যানবাহন চালকদের লাইসেন্স প্রদানসহ এ প্রতিষ্ঠানটিই সড়ক জনপথে চলাচলরত সব ধরনের যান্ত্রিক যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ইত্যাদি কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে। অথচ কখন কাকে কার হাতে তারা সেসব লাইসেন্স ধরিয়ে দেয়, তার কোনো ঠিক ঠিকানা আছে বলে মনে হয় না। কারণ, রাস্তাঘাটে যারা বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যান্ত্রিক যানবাহন চালান, ডাক্তারি পরীক্ষা করলে দেখা যাবে, তাদের একটি বড় অংশেরই শারীরিক ও মানসিক ফিটনেস নেই।
অথচ তাদের হাতেই আবার বড় বড় বাস, ট্রাক, লরি চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে যে ২৩টি নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তার কয়টি বাস্তবায়ন হয়েছে? তা দেখার দায়িত্ব কার বা কাদের? প্রধানমন্ত্রী যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন, তারা কি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন? আমরা মনে করি, তারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ
| Sun | Mon | Tue | Wed | Thu | Fri | Sat |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 |
| 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 |
| 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 |
| 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 |
| 29 | 30 | 31 | ||||