তহমিনা বেগম বিউটি, দিনাজপুর প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৬ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
বৃহস্পতিবার ৩/৬/২০২৬ দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলার ৫নং শশরা ইউনিয়নের কিসমত মাধবপুর সর্দার পাড়ায় এক রোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এমদাদ সরকারের ভায়রা সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে ফয়জার, মোশাররফ, মোবারক, সৌরভ,আরফান আলী,সফিকুল ইসলাম,ফিরোজ আলম,এডভোকেট আজাদ,আসাদুল, আক্তারুজ্জামান, সাকিল,জনি,আক্কাস, দেলোয়ার সহ প্রায় ২৫/৩০ জন সংগঠিত হয়ে উক্ত গ্রামের সাহেদ আলীর বাড়িসহ মোট ১৩ টি বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সাহেদ আলীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে একই পরিবারের এডভোকেট হিরার পারিবারিক জমি জমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলছে। এডভোকেট হিরার ভাড়াটিয়া মাস্তান হিসেবে সাখাওয়াত ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা। ০৯/০২/২০২৪ সালে হত্যার উদ্দেশ্যে রাস্তায় আটক করে সাহেদ আলীকে ব্যাপক মারধর করে। যার মামলা চলমান।
জি/ আর মামলা নং ১৪৩/২৪ পাঁচ আগষ্ট পট পরিবর্তনের পর সন্ত্রাসী সাখাওয়াত পুলিশের নজর এড়িয়ে গাঁ ঢাকা দিয়ে চললেও রাতে মুখোশ পরে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে দীর্ঘদিন জেল হাজতে ছিল। এডভোকেট হিরা তার ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষার জন্য সাখাওয়াত কে জামিন করান।
উল্লেখ্য সাহেদ আলী মসজিদ কমিটির সভাপতি হওয়ার পর মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। ওয়াকফ সম্পত্তি আত্মসাৎ কারি সৌরভ ও মোশারফ গং সন্ত্রাসী সাখাওয়াত এর সাথে একত্রিত হয়ে ১৩ বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। তাদের অপরাধ কেন তারা ওয়াকফ সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য সাহেদ আলীকে সহযোগিতা করছেন।
অপরদিকে চকমধু মৌজার সোহেল রানা জানান, সে বৈধভাবে সর্দার পাড়া মসজিদ কমিটির কাছ থেকে এক বছরের জন্য ৬২ শতাংশ জমি ৩৭ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেন। ধান কাটার সময় সৌরভ ও মোশারফ গং একত্রিত হয়ে প্রায় ৫০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জমি থেকে ধান কাটে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সোহেল রানা বার বার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির আনাফের কাছে সুবিচারের জন্য ধর্ণা দিলেও তার কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পাচ্ছেন না।