পথ শিশু যখন মোরা স্কুলে যাই, দেখি রাস্তার পাশে, অনেক শিশু পড়ে আছে দুঃখ কষ্টের মাঝে। তাদের জন্য ভাবে না কেউ কেউ করে না আদর,...
প্রতিটি সাক্ষাৎ শেষে বিদায়ী মুহূর্তে আমি এক ধরনের বিচ্ছেদের ধনী পাই – প্রতিধ্বনি শুনি ; “যাই “কিংবা আশি -না বোধন এই শব্দদয় থেকে বিশ পিঁপড়ের...
যে পথে হেটেছি পাশাপাশি বহুদিন। আকাশের নির্মল নীলিমা দেখেছি দুজন, যেখানে ছিল না আমাদের বিপরীত পরিচয় কোন! অসংখ্য সমুদ্র পাড়ি দিয়ে একসাথে বাতিঘর খুঁজে ফেরা...
জ্যান্ত কিংবা লাশ অলীক থেকে ঝরা, তীক্ষ্ণ ধারালো বৃষ্টিকণার আঘাতে ছিন্নভিন্ন ধীরস্থির স্বপ্নপূরণের বাঁধানো রাস্তাটা। আজ নাহয় এক রাত্রি প্রতীক্ষাই লিখি অতিক্রান্ত অভিলাষা গুলো, চূর্ণবিচূর্ণ...
ঐ দূর নীল আকাশে হারিয়ে যাব – – — তোমার উষ্ণ ভালোবাসায় ! অজানা পথে হাঁটছি ! আকাশ যদি ঢেকে যায় মেঘের ঘনঘটায়, ভয় পেওনা...
সন্ধ্যার ডুবে যাওয়া সূর্যের লাল আভা ছড়িয়ে পড়ুক মুখশ্রীতে ,,, উজ্জ্বলতা যেন রাতের আঁধারকে আজ পূর্ণিমার আলোয়,,, মন খারাপের সময় গুলোতে অন্তরের দৃষ্টি প্রসারিত করুক...
কবিতা: এক আশ্চর্য দ্যুতিময় মানবপুত্র, সামসুজ জামান। র- রক্তকরবীর নন্দিনী আর শেষের কবিতার লাবণ্য বী- বীণার ঝঙ্কার তোলে সকলের মনে। ঠা- ঠাট্টাবিদ্রুপের ঝঞ্ঝা অগ্রাহ্য করেছ...
ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় যদি কিছু সুন্দর মুহূর্ত তৈরি হয় ! ঘুমন্ত মন তাই জেগেছে,একা আমি রাস্তায় হাঁটি,স্মৃতি গুলো উঁকি দেয় ! কখনো ভাবিনি দূর-দূরান্তে থাকবো...
কোন বালিকা যাচ্ছে ছুটে নতুন আলোর খোঁজে বৈশাখ ঝড় আসলো বলে চক্ষু যে তার বুজে। রং তুলিতে রং দিয়ে সে আঁকছে আল্পনা চিত্রশিল্পীর কারুকাজে হয়...
মানুষ গড়ার পাঠশালায় রক্ত কেনো? জবাব চাই,,,ভাইবোনেরা সব রাস্তায় আজ খাচ্ছে মার, হচ্ছে লাশ,,,,প্রশাসন, কোথায় তোর নৈতিকতা?কোটায় ঢুকে বন্ধ গলা। প্রশ্ন ফাঁসের ক্যাডার তোরা তোদের...