মাহাবুব আলম,রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। উপজেলার হোসনেগাঁও ইউনিয়নের উত্তরগাঁও থেকে হোসেনগাঁও পর্যন্ত বৃহত্তর দিনাজপুর প্রকল্পের আওতায় মেসার্স জাসমির কনটাক্টশনের আওতায় ঠাকুরগাঁওয়ের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ১ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করণের কাজ পায়। যা ২৫ সালের জুলাই হতে ২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত শেষ হওয়ার কথা।
কিন্তু সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিজে লভ্যাংশ রেখে স্থানীয় শাহাবুদ্দিন মাষ্ঠার ও রফিকুল ইসলাম (ইউএনও অফিসের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা) এর কাছে কাজটি বিক্রি করে দেয়। সে মোতাবেক রফিকুল ও শাহাবুদ্দিন কাজ শুরু করে। একদিকে যেমন মুল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে লাভ দিতে হয়েছে তারপর আবার কাজ করে নিজেদেরকে মুনাফা অর্জন করতে হবে। এজন্যই মুলত রাস্তার কাজটি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করতে হচ্ছে তাদের। নিম্নমানের ইট ও মাটিমিশ্রিত বালু ও রেজিংয়ে নিম্নমানের ৩নং ইট মাঝে মধ্যে দেওয়ায় কাজটি গত ২৬ ডিসেম্বর বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসি।
এপ্রসঙ্গে সহকারি শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল বলেন,এলজিডি অফিসে টাকা দিলে হয়ে যায় বিল পাস। কাজ দেখার জন্য অফিস থেকে সে রকম তদারকি করতে আসে না অফিস কতৃপক্ষ কাজটিতে ৩নং ও ২নং ইটদিয়ে করায় আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। ভাল ইট দিয়ে কাজ না করলে রাস্তাটি টেকসই হবেনা।
এবিষয়ে রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সাবেক সম্পাদক মো.বিপ্লব বলেন,উপজেলা প্রকৌশলী আনিসুর রহমান যত দিন ধরে আছেন রাবিস ও ৩ নং ২নং ইটকেও তিনি ভালো ইট বলেন।অভিযোগ করলে সবকিছু এড়িয়ে যান।
এবিষয়ে সাহাবুদ্দিন মাষ্টার বলেন, বিএনপি’র সম্পাদক আল্লামা ওয়াদুদ বিন নুর আলিফ, রফিকুল ইসলামসহ কাজটি করছি। স্থানীয় লোকজনের কারণে কাজটি সাময়িক বন্ধ আছে, নতুন ইট থেকে বের হলে আবার কাজটি শুরু করা হবে।
এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, হোসেনগাঁও ১কিঃমিঃ রাস্তার কাজ চলছে,ইটের মান খারাপ হওয়ায় আবাদত বন্ধ আছে,ঠিকাদারকে বাইরে থেকে ভাল ইট নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।