সোহরাব আলী,তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধি || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:০৬ অপরাহ্ণ
উত্তরের হিমেল হাওয়া ও রাতে বরফ বৃষ্টির কারণে খেটে খাওয়া পাথর শ্রমিক গরীব দুঃখী মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে কাজে যেতে না পারায় খেয়ে না খেয়ে জীবন যাপন করছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না খরের আগুন কাঠের আগুন জ্বালিয়ে ঈদ নিবারণ করার চেষ্টা করছে অপরদিকে রাতে ঘন কুয়াশার কারণে মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে, এতে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা।
এদিকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বৃদ্ধ, শিশু, ও বয়স্ক মানুষের শীতজনিত রোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতাল গুলোতে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েই চলছে। হাঁপানি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, শিশুদের নিউমোনিয়া রোগ বেড়ে যাওয়ায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হলেও সিট সংকলন না হওয়ায় তারা হাসপাতালের মেঝেতে রাত কাটাচ্ছে এতে তাদের ঠান্ডা জনিত কারণে আরো রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গরিব দুঃখী ও বৃদ্ধ মানুষ শীত নিবারণের জন্য দিন রাত আগুন পোহাই ঈদ নিবারনের চেষ্টা করছে।
এদিকে সরকারিভাবে দামি দামি কিছু কম্বল শীত বস্ত্র হিসাবে বিতরণ করা হলেও জনসংখ্যা হারে তা অত্যন্ত অপ্রতুল প্রকৃত পাওয়ার উপযোগী গরিব দিনমজুর বৃদ্ধ ব্যক্তিরা শীত বছর থেকে ড়ড় বঞ্চিত হচ্ছে। তারা শীত বস্ত্র না পেয়ে মনের দুঃখ নিয়ে ফিরে যাচ্ছে শীত বস্ত্র ছাড়াই.। অভিজ্ঞ মহলের দাবি পঞ্চগড় জেলা তথা তেতুলিয়া উপজেলাকে শীতের তীব্রতা বিবেচনা করে সরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানানো হয়।
এছাড়াও উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর জেলা নীলফামারী জেলা, ঠাকুরগাঁ জেলা, ও পঞ্চগড় জেলার শীতের তীব্রতা বিবেচনা করে কয়েক লাখ গরিব-দুঃখী দিনমজুর ও খেটে খাওয়া ও বৃদ্ধ মানুষের জীবন মান বিবেচনা করে শীত বস্ত্র হিসাবে সরকারি ভাবে কম্বল বরাদ্দে দেওয়ার জন্য সরকার তথা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আশু হস্তক্ষেপকামনা করছি।