সোহরাব আলী, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধ। || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৫০ অপরাহ্ণ
পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের গুরুত্বপুর্ন হাট বাজারের সড়কের মোড়ে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়াই যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার, পেট্রোলসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ। দোকান গুলোতে বিস্ফোরক পরিপ্তরের লাইসেন্স বিহিন এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা
সরেজমিন দেখাযায়, এলপি গ্যাস সিলিন্ডার এখন পাড়া মহল্লা মুদি দোকানেও পাওয়া য়ায়।
এসব দোকানে অনেকের ট্রেড লাইসেন্সও নেই। গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অনুমোদনও নেই তাদের। অথচ যত্রতত্র বেচাকেনা হচ্ছে এসব দাহ্য দ্রব্য। এ সব দোকানে নেই আগুন নির্বাপক যন্ত্র। বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটলে প্রতিকারের কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে যে কোন সময় প্রান হানির ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে অবৈধ এলপিজি গ্যাস বিক্রি রোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন করবে বলে সচেতন মহল প্রত্যাশা করেন।
জানাযায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইনে ৫২ ধারা অনুযায়ী সেবা গ্রহীতার জীবন নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে এমন কোন কাজ করলে তিন বছরের কারাদন্ড বা অনধিক দুই লাখ টাকা অর্থ দন্ডির বিধান রয়েছে।
কিন্তু ঝুকিপুর্ন এ জ্বালানি সঠিক ভাবে রক্ষনাবেক্ষন না করে পরিদপ্তরের কাগজ পত্র লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে বিস্ফোরক জাতীয় গ্যাস সিলিন্ডার, পেট্রোল, অকটেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করার পর এ সমস্ত পদার্থ যত্রতত্র বিক্রি করা হচ্ছে। একটি সূত্র থেকে জানা যায় নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রতিহিংসার বশবতি হয়ে রাষ্ট্রে অস্থির পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য এ সমস্ত বিস্ফোরক দব্য সামগ্রী ব্যবহার করতে পারে। কেননা দোকানদাররা ১ লিটার ২ লিটার বোতলে পেট্রোল, অকটেন ভরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে সাজিয়ে রেখেছে বিক্রি করছে,।
এতে একশ্রেণীর দুষ্কৃতিকার মানুষ হিংসার বসতি হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষেকে ঘায়েল অথবা খারাপ কাজে বিস্ফোরক সামগ্রী ব্যবহার করতে পারে বলে ধারণা তাদের। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এ সমস্ত বিস্ফোরক দ্রব্য বেচাকেনা নিয়ন্ত্রণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা করতে পারে বলে মনে করেন। এ ব্যাপারে তেতুলিয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্তৃপক্ষের মুটোফোনে যোগাযোগ করে বৈধ গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানের সংখ্যা, তাদের দোকানে নিয়মিত পরিদর্শন করা হয় কি না,জানতে চাইলে এর কোন জবাব পাওয়া যায়নি।
তবে বিষয়গুলো তাদের নজরে রয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।অপর দিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানান, গ্যাস সিলিন্ডার পেট্রোল অক টেন বিক্রির লাইসেন্স সহ দোকানদারদের বৈধ কোন কাগজ পত্র নেই। সচেতন মহলের দাবি অতি দ্রুত এ সমস্ত বিস্ফোরক যত্রতত্র বিক্রি ও সংরক্ষণ নিয়ন্ত্রণ না করলে বড় ধরনের যেকোনো ঘটনা গড়তে পারে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরী ।