হোম
নির্বাচিত কলাম

সম্পাদকীয়ঃবাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন পথে?

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ৪:০১ অপরাহ্ণ

ফাইল ছবি

সম্পাদকীয়ঃ ইঞ্জি.হাসিনুর রাহমানঃ  বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক সময়ে যে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে, তা ইতিহাসে বিরল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং দেশত্যাগের পর আওয়ামী লীগ কার্যত রাজনীতি থেকে নির্বাসিত। দেশের রাজনীতিতে এক নতুন শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, যার পরিপূরক হতে এখন নানান রাজনৈতিক গোষ্ঠী তৎপর। এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন ওঠেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন কোন পথে যাচ্ছে? শূন্যতা

পূরণের প্রতিযোগিতা: শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের শূন্যতা বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগ, যা দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মঞ্চে প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচিত ছিল, সেই দলটির অনুপস্থিতিতে অন্য রাজনৈতিক দলগুলো এই শূন্যতা পূরণের চেষ্টা করছে। বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং অন্য ক্ষুদ্র রাজনৈতিক দলগুলো এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার চেষ্টা করছে। তবে শুধু রাজনৈতিক দল নয়, বিভিন্ন সামাজিক এবং নাগরিক সংগঠনগুলোও রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠছে। এই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে, নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের আবির্ভাব হওয়া স্বাভাবিক। তবে প্রশ্ন হলো, এই নেতৃত্ব কতটা গণমুখী হবে এবং দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কতটা সক্ষম হবে? অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় যে, কোনো একটি দলের একচেটিয়া শাসন শেষ হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। বিশেষ করে, যখন দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক অসন্তোষ দেখা দেয়, তখন এই শূন্যতা পূরণে দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

নতুন রাজনৈতিক ধারার উত্থান: শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকে দেশে নতুন রাজনৈতিক ধারা এবং আদর্শের উত্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে একটি নতুন ধরনের রাজনৈতিক চেতনা তৈরি হয়েছে। তারা অতীতের পুরোনো রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ও উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে চায়। দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থী এবং তরুণ সমাজের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনগুলো এ ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এই নতুন প্রজন্মের রাজনীতি কীভাবে দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকে পরিবর্তন করবে, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে এটুকু বলা যায়, তারা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার পক্ষে এবং এটাই তাদের রাজনীতির মূল ভিত্তি হতে পারে। এই ধারার প্রভাব দেশের রাজনীতিতে কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং কীভাবে তারা তাদের আদর্শ বাস্তবায়ন করবে, তা দেখার বিষয়। এই পরিবর্তনশীল পরিবেশে, তরুণ নেতৃত্বের উদ্ভব এবং তাদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। তরুণরা অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন ধারার রাজনীতি গড়ে তুলতে আগ্রহী। তাদের মধ্যে এমন একটি মানসিকতা রয়েছে যা স্বৈরাচারী শাসন, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক দমন-পীড়ন থেকে মুক্ত থাকতে চায়। তারা গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে।

নাগরিক সমাজের উত্থান: দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে নাগরিক সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সরকারি দলের পতনের পর, দেশের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং মানবাধিকার গ্রুপগুলো আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা রাজনৈতিক শূন্যতায় মানুষের অধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। গণমাধ্যম, বুদ্ধিজীবী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিতর্ক এবং আলোচনা করছেন, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। নাগরিক সমাজের এই উত্থান দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে। তারা রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। এছাড়াও, নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের মতামত এবং চাহিদা তুলে ধরা হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের রাজনীতিকে গণমুখী করতে সহায়তা করবে। তবে নাগরিক সমাজের কার্যক্রম কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নির্ভর করছে তাদের সংগঠনের শক্তি, একতা এবং সরকারের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ওপর। সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা। অতীতে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শূন্যতার সময় সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক বাহিনী রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। যদিও সামরিক বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করেনি, তবুও তাদের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। সামরিক হস্তক্ষেপ একটি অস্থায়ী সমাধান হতে পারে, তবে তা দেশের রাজনৈতিক সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়। সামরিক শাসন সাধারণত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং নাগরিক অধিকারকে সংকুচিত করে। এজন্য সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের পরিবর্তে রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সমঝোতা ও সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধান করা উচিত।

আন্তর্জাতিক প্রভাব: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আন্তর্জাতিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ নজর রাখছে। শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলো এবং ভারতের মতো প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আগ্রহী। তারা কূটনৈতিক উপায়ে দেশের রাজনৈতিক সংকট সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক প্রভাব কতটা কার্যকর হবে এবং দেশের জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে তা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষেপের ফলাফল নির্ভর করছে দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং জনগণের প্রতিক্রিয়ার ওপর। যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দেশের জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করে, তবে তা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে স্থিতিশীল করতে সহায়তা করতে পারে।

ধর্মীয় ও সামাজিক প্রভাব: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ধর্মীয় এবং সামাজিক প্রভাবকেও উপেক্ষা করা যায় না। দেশের বেশিরভাগ মানুষ ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ধর্মীয় নেতারা এবং সংগঠনগুলো দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। অতীতে দেখা গেছে, ধর্মীয় ইস্যুগুলো রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে, দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ স্থিতিশীল রাখতে ধর্মীয় সম্প্রদায় এবং নেতাদের সঙ্গে সংলাপ ও সমঝোতা প্রয়োজন। ধর্মীয় এবং সামাজিক নেতাদের ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করতে পারে। তারা জনগণের মধ্যে ঐক্য এবং সংহতি তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে। ধর্মীয় এবং সামাজিক নেতাদের মধ্যস্থতায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা স্থাপন করা সম্ভব হতে পারে, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

রাজনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজন: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে রাজনৈতিক সংস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়ানোর জন্য রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সংস্কার প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। রাজনৈতিক সংস্কারের একটি প্রধান লক্ষ্য হলো, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা। এর মাধ্যমে জনগণের কাছে ক্ষমতা পৌঁছানো এবং তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব। এছাড়াও, রাজনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।

সমাপ্তি এবং ভবিষ্যতের পথ: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার উত্তর নির্ভর করছে বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে। দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের পাশাপাশি সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক এবং মানবাধিকারভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে চায়। তবে এ ধরনের সমাজ গড়ে তোলার জন্য রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে প্রভাব পড়েছে তা পূরণে দেশের নতুন নেতৃত্ব কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করছে তাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং জনসমর্থনের ওপর। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় তাদের ভূমিকা কতটা কার্যকর হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট- বাংলাদেশের জনগণ আর পুরোনো রাজনীতিতে ফিরে যেতে চায় না, তারা পরিবর্তন চায়, তারা উন্নয়ন চায় এবং তারা একটি নতুন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে।

এই পরিবর্তনশীল পরিবেশে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা এখনো অনিশ্চিত। তবে দেশের জনগণের ইচ্ছা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ এবং স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ এখনই। রাজনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশটিকে একটি নতুন দিগন্তে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনীতির এই ক্রান্তিকালে, দেশের নেতা এবং জনগণের একসঙ্গে কাজ করে একটি শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্বচ্ছ রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা উচিত। এই নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে, একটি সুশাসিত এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে দেশ। পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন কেবল একটি স্বপ্ন নয়, বরং এটি একটি বাস্তবতা হতে পারে যদি দেশের সকল অংশীদার একটি সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করে। এই সংকটের মধ্যে একটি নতুন সুযোগ বিদ্যমান। এ সুযোগে দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি উন্নত ও শক্তিশালী জাতি গড়ে তোলা সম্ভব। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে শেখার এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি উন্নত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর। এভাবে, দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। একটি সার্বিক ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।

এই রকম আরও টপিক

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে মতবিনিময় সভা।
আইন-বিচার 8 hours আগে

সুনামগঞ্জে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া।
রাজনীতি 10 hours আগে

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ইউনিয়ন সমাজকর্মী সড়ক দূর্ঘটনার নিহত।
দুর্ঘটনা 14 hours আগে

ঝিনাইদহে জোরপূর্বক জমি দখল ও সীমানা প্রাচীল ভাঙ্গার অভিযোগ।
অপরাধ 1 day আগে

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মুদির দোকানে মালামাল আগুন পুড়ে ছাই।
দুর্ঘটনা 1 day আগে

সিঙ্গাপুরের উডল্যান্ডে চার ঘণ্টার অভিযানে ১১ জন বাংলাদেশি, ১জন মিয়ানমারের
আন্তর্জাতিক 1 day আগে

পঞ্চগড়ে মুক্ত দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি আলোচনা সভা।
সারা বাংলা 1 day আগে

ইন্দোনেশিয়ার বামন রাজ্য ফ্লোরেসঃগুরুত্বপূর্ণ তর্থ্য
আন্তর্জাতিক 2 days আগে

কম বয়সে চুল পাকার কারণ কী,এটা কি ঠেকানো সম্ভব?
স্বাস্থ্য 2 days আগে

ধানমন্ডি এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালিত।
স্বাস্থ্য 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক দিনাজপুরে অনলাইনে মোবাইলের মাধ্যমে ক্যাসিনো জুয়া পরিচালনাকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার পুলিশের উপস্থিতিতে যাদুকাটা নদীতে চলে পাড় কাটার মহোৎসব এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ি-ঘর ভাংচুরসহ আহত-১৫ ঠাকুরগাঁওয়ে ইএসডিওর কর্মী সম্মেলন ও শ্রেষ্ঠ কর্মী সম্মাননা। দিনাজপুরের বিরলের ঢেড়া পাটিয়ায় ব্যবসায়ী খুনের আটক ২ পলাতক ১ নওগাঁ–২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা।