admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
মোঃ জুলহাস উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টারঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার যুগিগছ এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে মাছ ব্যবসায়ি কামরুল ইসলাম (৩০) কে গত ২৩ (জানুয়ারি) এলাকায় থেকে খুজে না পেলে এ বিষয়ে কামরুলের পরিবার ২৫ জানুয়ারি তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি জিডি করে। জিডির ৪ ঘন্টার মধ্যে, তেঁতুলিয়া দেবনগর ইউপির ধানশুকা নামক স্থানের চা বাগানের ড্রেন হতে নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার চৌকস সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল লতিফ এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স সহ লাশ উদ্ধারের পর হত্যা রহস্য উদঘাটন ও আসামি আটকের অভিযানে নামে এবং ২৪ ঘন্টা না পেরুতেই হত্যাকন্ডের সাথে জড়িত আসামী দিদার আলী (৪০) পিতা সাবদার আলী(গরিয়াগজ) শালবাহান ইউনিয়ন এর ছোপাগছ গ্রাম হতে ২৬ (জানুয়ারি) ভোররাতে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ি হতে আটক করে।
আটককৃত আসামি দিদার আলী মডেল থানায় স্বীকারোক্তি মুলক জবান বন্দি দেয়। এ বিষয়ে মৃত কামরুলের পিতা জব্বার বাদি হয়ে, ৩০২ /২৯১/৩৪ প্যানেল কোড ধারায় মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং ১৭ তারিখ ২৬-০১-২০২৩ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও দ্রুত জরিতদের আটক করে সাধারণ মানুষের মনে যায়গা করে নিয়েছে মডেল থানা পুলিশ।এভাবে চলতে থাকলে, যেমন বাড়বে পুলিশ তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জনগনের আস্থা, তেমনি কমবে অপরাধ প্রবনতা।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার সুদক্ষ অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ চৌধুরী জানান,পঞ্চগড় জেলা পুলিশের মাননীয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ও জেলার উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এই কাজের সফলতা পায়। এরপর রহস্য উদঘাটন ও আসামি আটকের অভিযানে নামে পুলিশ এবং অভিযান চালিয়ে হত্যাকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। আসামি আটোক করতে সহযোগীতা করেন এস আই লতিফ,এস আই,তপন কুমার রায় এস আই মানিক সহ আমার টিমকে ধন্যবাদ।