admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ফ্রান্সে কঠোর বিধিনিষেধ রেকর্ড পরিমান সংক্রমণ। করোনার নতুন ভয়ংকর ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়েছে ১১৭টি দেশে। এর ফলে দৈনিক সংক্রমণের বিশ্ব রেকর্ড হয়েছে গতকাল সোমবার। এর একদিন পরেই ভ্যাকসিনের ক্ষমতাকে অকার্যকর করতে সক্ষম এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ আটকাতে কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে ফ্রান্স। এসব নিধেষাজ্ঞা কার্যকর হবে আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে। ফরাসি প্রধানমন্ত্রী জেন ক্যাসটেক্স তার মন্ত্রিসভার এক বৈঠক শেষে নতুন বিধিনিষেধ ঘোষণা করেন।
ওমিক্রন নিয়ে উদ্বিগ্ন দেশটি পূর্ণ লকডাউন কিংবা কারফিউ জারি করেনি। এক্ষেত্রে আসন্ন ইংরেজি নববর্ষের দিকটি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলে মনে করা হয়। নববর্ষের আগে কারফিউর মতো কঠোর সিদ্ধান্ত আটকে দেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী জেন ক্যাসটেক্স। এমনকি চলমান মহামারীকে শেষ না থাকা সিনেমার সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। সেজন্য রয়েসয়ে কড়াকড়ি আরোপ করার পক্ষে জেন ক্যাসটেক্স।
নতুন নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, ৩ জানুয়ারি থেকে সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন বাড়িতে বসে দায়িত্ব পালন করবেন কর্মীরা। ঘরোয়া আয়োজনে ২ হাজারের বেশি আর ঘরের বাইরে ৫ হাজারের বেশি মানুষ একত্রিত হতে পারবে না। দূরপাল্লার ভ্রমণ নিষিদ্ধ থাকবে। এ ছাড়া পরবর্তী ঘোষণার আগপর্যন্ত নাইটক্লাব বন্ধ থাকবে। তবে বার ও ক্যাফেগুলোতে টেবিল সেবা সচল রাখা যাবে। শহরের প্রাণকেন্দ্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক থাকবে।
এর আগে গত শনিবার দেশটিতে লক্ষাধিক মানুষ করোনায় আক্রন্ত হিসেবে শনাক্ত হয়, এটিই দৈনিক শনাক্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড। দেশটিতে প্রতি ২ দিনে সংক্রমণ দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অলিভিয়ের ভেরান। এর ফলে আক্রান্তের তৃতীয় ঢেউ আসার শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ফ্রান্সে গড়ে প্রতিদিন ৭০ হাজারের মতো মানুষের করোনা শনাক্ত হচ্ছে। গতকাল সোমবার দেশটিতে ১৬ শর বেশি লোককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সবমিলিয়ে হাসপাতালে থাকা করোনা রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ছাড়িয়েছে।