admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
ভারতের তৃণমূল বিধায়ক বলেছে বিজেপি ভেড়ার দল, ওদের দলে কে থাকবে! এ বছরের শুরুর দিকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছিল তৃণমূল। কেন্দ্রীয় শাসকদল বিজেপি যেভাবে আশা করেছিল, তার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেনি। একই ঘটনা ঘটেছে কলকাতা পৌরসভা নির্বাচনে। সেখানেও বিশাল জয় পায় মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বধীন তৃণমূল। পর্যুদস্ত হয় বিজেপি। উভয় নির্বাচনের পরপরই নেতাদের মাঝে বিজেপি ছাড়ার হিড়িক পড়ে। এ অবস্থায় তৃণমূলের এক বিধায়ক বিজেপিকে ভেড়ার দল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
তার এ মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই উঠেছে সমালোচনার ঝড়। জানা গেছে, পৌরসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর গত শনিবারই বিজেপির বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতির নামের তালিকা প্রকাশ হয়। তালিকা প্রকাশের পর বিজেপির হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার পাঁচ বিধায়ক। এদের মধ্যে আছেন বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া, গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী ও কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায়।
এই রেশ কাটতে না কাটতেই রোববার বাঁকুড়ার ৫ বিধায়কও একই পথে হাঁটেন। বের হয়ে আসেন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে। বিজেপির ভোটব্যাংক খ্যাত মতুয়া গোষ্ঠী জানিয়ে দেয়, এখন থেকে তারা নির্বাচনে বিবেচনা করবেন। জলপাইগুড়ির বিজেপি নেতাও রোববারই তৃণমূলে ফিরে এসেছেন। একের পর এক ভাঙনে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। এর মধ্যেই বিজেপিকে ভেড়ার দল আখ্যা দিয়ে সমালোচনার জন্ম দেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।
তিনি বলেন, বিজেপি একটা ল্যাংড়ার দল, হাঁটতে পারে না। লোক নেই। জন নেই। ওদের দলে কে থাকবে? ওটা একটা ভেড়ার দল। জানা গেছে, এর আগেও একাধিকবার বিজেপির উদ্দেশে এমন গা-জ্বালানো মন্তব্য করেছেন এই তৃণমূল নেতা। প্রতিবারের মতো এবারো তঁর মন্তব্যের সমালোচনায় সরব গেরুয়া শিবির। তবে তাতে অনুূব্রত মণ্ডলের কোনো হেলদোল দেখা যায়নি।