admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৯:০৩ অপরাহ্ণ
চীনের মার্কিন আইন সংশোধনের আহ্বান। জিনজিয়াংয়ের পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করে যুক্তরাষ্ট্র যে আইন পাস করেছে তার নিন্দা জানিয়েছে চায়না ন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল কাউন্সিল (সিএনটিএসি)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ‘উইঘুর ফোর্সড লেবার প্রিভেনশন অ্যাক্ট’ নামের আইনটিতে স্বাক্ষর করেছেন গত বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর)। সিজিটিএন।শনিবার সিএনটিএসি এবং তার ১২টি সহযোগী সংস্থা একটি বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইনটি চীনের সামগ্রিক স্বার্থকে গুরুতর এবং নৃশংসভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
এই আইন পাসের ফলে চীনা সমাজ, টেক্সটাইল শিল্প এবং ভোক্তারা ব্যাপকভাবে ক্ষুব্ধ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জিনজিয়াংয়ে উৎপাদিত পণ্যগুলোকে আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলে অবরুদ্ধ করার একতরফা পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে তারা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। এটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য নিয়মের ক্ষেত্রে একটি জঘন্য এবং বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে।
বিবৃতিতে সিএনটিএসি পুনর্ব্যক্ত করেছে, উত্তর-পশ্চিম চীনা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে কোনো জোর করে শ্রম’ চালু নেই। জিনজিয়াংয়ে আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলে তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা ২০২১ সালে ৫.১২৯ মিলিয়ন টন উৎপাদন হয়। বিশ্বব্যাপী তুলার উৎপাদনে এটি প্রায় ২০ শতাংশ অবদান রাখে। চীনা কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভুল আইন ও প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলোকে সংশোধন করার আহ্বান জানাই। চীনা সরকার, শিল্প এবং ভোক্তাদের মধ্যে ক্ষোভ প্রশমিত করার জন্য আইনটি সংশোধন করার প্রত্যাশা করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে খারাপ সম্পর্কের মধ্যেই আইনটিতে স্বাক্ষর করলেন। চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের ভোটে আইনটি প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেটে পাস হয়। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, চীনের বৃহত্তর মুসলিম উইঘুর সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর চীনের নিপীড়ন ও নির্যাতন থামছে না। বলা হয়েছে, পণ্যগুলো জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি করা হয়নি- সরবরাহকারীদের প্রথমে তা প্রমাণ করতে হবে। তুলা এবং সৌর প্যানেলের একটি বড় সরবরাহকারী হল জিনজিয়াং।