admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১ ২:০০ অপরাহ্ণ
পাথরঘাটা উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তাঁর স্ত্রীসহ লঞ্চে অগ্নিকাকান্ডে নদীতে লাফিয়ে বাঁচলেন। জানা যায় ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে এমভি অভিযান-১০ নামের লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে শতাধিক যাত্রী হতাহত হয়েছেন। জীবন বাঁচাতে ওই সময় অনেকে খরস্রোতা নদীতে লাফিয়ে পড়েন। তাদেরই একজন হলেন বরগুনার নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউএনও, হোসাইন মোহাম্মদ আল মুজাহিদ। স্ত্রীসহ নদীতে লাফিয়ে পড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন তারা।
এ রকম অনেকেই গভীর রাতে সন্ধ্যা নদীতে লাফিয়ে পড়ে জীবন বাঁচিয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউএনও হোসাইন মোহাম্মদ আল মুজাহিদ লঞ্চের ভিআইপি কেবিনের নীলগিরির যাত্রী ছিলেন। অগ্নিকাণ্ড থেকে নিজেদের বাঁচাতে যখন তারা লঞ্চ থেকে নদীতে লাফিয়ে পড়েন তখন তার স্ত্রী উম্মুল ওয়ারার ডান পা ভেঙে যায়।
বর্তমানে তারা দুই জনই ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বরগুনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান আজ শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, সকালে এসব তথ্য জানিয়েছেন। ইউএনও মোহাম্মদ আল মুজাহিদের বরাত দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ঢাকা থেকে অফিশিয়াল কাজ সেরে সন্ধ্যা ৬টায় বরগুনাগামী ওই লঞ্চে উঠেন তিনি। এক পর্যায়ে রাত যখন ৩টা, তখন লঞ্চের অন্য যাত্রীদের চিৎকারে তার ঘুম ভাঙে। তাদের বহনকারী লঞ্চটি তখন সুগন্ধা নদীর মাঝখানে অবস্থান করছিল। জীবন বাঁচাতে ওই সময় অনেকেই নদীতে লাফিয়ে পড়েন। লঞ্চটি তখন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ছিল। লঞ্চের তৃতীয় তলা থেকে লাফ দিলে প্রথমে দোতলায় পড়ে যান তারা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান আরো জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় লঞ্চে থাকা বৃদ্ধ ও শিশুরাই বেশি হতাহত হয়েছেন। জীবন বাঁচাতে অনেক নারী নদীতে লাফিয়ে পড়েছেন। সবশেষ খবর অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৬০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।