হোম
নির্বাচিত কলাম

সম্পাদকীয়ঃ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রেম-প্রীতির ব্যাপার নয়

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৩ ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ

ফাইল ছবি

সম্পাদকীয়ঃ দক্ষতা-অদক্ষতার প্রশ্ন কূটনীতিতে দুটি রাষ্ট্রের মধ্যকার। কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রেম-প্রীতির ব্যাপার নয়, দেওয়া-নেওয়ার বিষয়, মর্যাদা ও স্বার্থরক্ষার বিষয়। তাই বেশি, অতিরিক্ত, বাড়তি কিছুই ভালো ফল দেয় না। এর প্রমাণ আবারো আমাদের সামনে। ঢাকাস্থ কূটনীতিকদের বাড়তি নিরাপত্তা ইস্যুতে দেশ বেশ গরম। বিশ্ব মিডিয়ায় নেতিবাচক ধারণা বাংলাদেশের অতিথি নিরাপত্তা নিয়ে। অযাচিত-অনাকাক্সিক্ষতভাবে এ কাজটা আমরাই করে ফেললাম। আর সেটা ঢাকতে গিয়ে অতিরিক্ত-অপ্রয়োজনীয় কথার ছড়াছড়ি। এক কথা দিয়ে আরেক কথা ঢাকতে গিয়ে অতিরিক্ত কথামালা।

ঢাকায় বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অর্থনৈতিক অবস্থার বরাত দিয়েছেন। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে নানা কৃচ্ছ্রসাধন করতে হচ্ছে বলে যুক্তি দিয়েছেন তিনি। এক পর্যায়ে বলে ফেলেছেন, কূটনীতিকদের বাড়তি নিরাপত্তা-সুবিধা দিলে বিদেশিদের কাছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে ভুল বার্তা যায়। আমরা ভুল বার্তা দিতে চাই না। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা ও সিদ্ধান্তের নতুন আরেক কথা বলে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেছেন, বাড়তি নিরাপত্তা চাইলে অর্থ দিতে হবে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের। যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের কাছ থেকে যে বাড়তি নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছে, তা তারা চাইলে ফেরত দেওয়া হবে। তবে এ জন্য তাদের অবশ্যই অর্থ দিতে হবে। বিদেশি কূটনীতিকরা না চাইলেও কয়েকটি দেশকে বিশেষ প্রয়োজনে বাড়তি বিশেষ নিরাপত্তা তথা সুরক্ষা দিয়ে আসছিল সরকার। সেটাও লিখিত নয়। মুখে মুখে দেয়া হুকুমই বাস্তবায়ন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার এখন মনে করে, ওই বাড়তি নিরাপত্তা দেয়ার আর দরকার নেই।

এক এক সময় এক এক কথা বলে জটিলতা আরো পাকানো হয়েছে। আসল সমস্যাটা তো বাড়তি আর মনে করা নিয়েই। প্রয়োজনে মনে হয়েছে বাড়তি সমাদর করা দরকার। আবার মনে হয়েছে, দরকার শেষ। তাই শেষ। মূলকথা সবই মনে করা, প্রয়োজন আর বাড়তির বাড়াবড়ি। আড়াল করার কোনো উপায় নেই যে, যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক আগের মতো ভালো যাচ্ছে না। সেটা হতে পারে নির্বাচন, গণতন্ত্রায়ণ, বাক-স্বাধীনতা প্রশ্নে। অবশ্য দীর্ঘ সময় এ দেশগুলোই সরকারকে কেবল সমর্থন নয়, সহযোগিতাও দিয়েছে। ২০১৪-১৮ সালের প্রশ্নযুক্ত নির্বাচনকেও বৈধতা দিয়েছে। এখন নির্বাচন সামনে রেখে চিত্র ভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। আরো ভিন্ন হওয়ার লক্ষণ স্পষ্ট। সুষ্ঠু নির্বাচনের তাগিদ দিচ্ছে তারা।

স্বাভাবিকভাবেই সরকারের জন্য এটি বিব্রতকর। আর সরকারের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির জন্য পরমানন্দের। কখনো কখনো অবস্থার এমন প্রকাশ ঘটছে যেন, বিএনপির কথাগুলোই বিদেশি কূটনীতিকরা বলছেন। রাজনীতি আর কূটনীতি এখানে একাকার হয়ে পড়েছে। সেই একাকারে ফর্মে চলে যাচ্ছে কূটনীতি। রাজনীতির এ কূটনৈতিক ধকল এখন কূটনীতি না জানা মানুষও বুঝে ফেলছে। অতিকূটনীতি চর্চায় বাংলাদেশের রাজনীতি ও নির্বাচনকে দেশের সীমানার বাইরের বিষয়আসয় করে ফেলার কাজটি শুরু হয়েছে আরো আগ থেকেই। এখন এটি একটা বিশেষ পর্যায়ে। সামনে তা আরো ডালপালা মেলবে বলে মনে হচ্ছে। সাধারণ মানুষ দেখছে, কেউ বিদেশিদের কাছে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেয়ার আরজি নিয়ে ঘোরে। কেউ বিদেশিদের কাছে সুষ্ঠু নির্বাচনের ওয়াদা দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশ বলছে, কেবল তারা নন, বিভিন্ন দেশেরও নজর বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিকে। সরকারের শীর্ষমহল থেকেও সুষ্ঠু নির্বাচনের ওয়াদা শোনানো হচ্ছে। কিছুদিন ধরে যেসব বিদেশি হাই-প্রোফাইল এসেছেন বা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের যারা বাইরে যাচ্ছেন তারা বিদেশিদের আগামীতে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু বা মডেল নির্বাচনের আশ্বাস শোনাচ্ছেন। জনগণ আর নামকাওয়াস্তেও ফ্যাক্টর থাকছে না। সরকার জনগণের চেয়ে বিদেশিদের কাছে ওয়াদা বেশি দরকার মনে করছে। আর বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জনগণকে নিয়ে মাঠ গরম করার চেয়ে বিদেশিদের কাছে যাতায়াতকে বেশি কার্যকর ভাবছে। যা করে ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮-তে টানা সফল হয়েছে আজকের ক্ষমতাসীনরা।

প্রকৃতপক্ষে খেলা আগেরটাই। তবে এবার গতি একটু বেশি। আবার পরিস্থিতির বাঁকও নানান দিকে। আগের শত্রু-মিত্র চেহারা ভিন্ন। পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্বাচন প্রশ্নে বিদেশিদের কোনো কথা শোনা হবে না বলে বাড়তি আওয়াজও দিয়ে রাখছে সরকারি দল। আবার মাঝেমধ্যে কূটনীতিকদের কাছেও চলে যায়। বিদেশ সফরও করে। বড় বড় দেশ সমর্থন-সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে-মর্মে প্রচারণা চালায়। মোটকথা, মুখে এদিক-ওদিক নানান কথা বললেও বিদেশিদের আয়ত্ব করার এক দুর্নিবার চেষ্টা দু’দিকেই আছে।

বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর কয়েকটি আবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে কেবল নির্বাচনের কথাই আনছে। নানা নসিহত-তাগিদ দিচ্ছেন তাদের ঢাকাস্থ দূতরা। নির্বাচনের সঙ্গে সুষ্ঠু, অবাধ, অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্যসহ কতো শব্দ তারা ব্যবহার করছেন! বিষয়টি বিএনপির জন্য যারপরনাই পুলকের। বিএনপির এমন তৃপ্তির ঢেঁকুর সরকারের জন্য আসলেই সহ্য করা কঠিন। তারই একটি গরম প্রকাশ বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের বাড়তি নিরাপত্তা প্রত্যাহার। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে আর বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের বাড়তি নিরাপত্তা সুবিধা দেবে না-মর্মে দেয়া বার্তাটি মাটিতে পড়তে পারেনি। চারদিক থেকে প্রতিক্রিয়ার ধুম। কারো প্রতিবাদ, কারো খুশিতে নানান কথার ছড়াছড়ি। সব কূটনৈতিক মিশন ও কূটনীতিকদের নিরাপত্তা দিতে হোস্ট রাষ্ট্র বাধ্য বলে বিবৃতি দিতে একটুও সময় নেয়নি ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।

বিবৃতিতে বলা হয়, ভিয়েনা কনভেনশন অনুসারে সব কূটনৈতিক মিশন ও কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা থেকে সরার কোনো সুযোগ নেই হোস্ট রাষ্ট্রের, মানে বাংলাদেশের। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূনীতিকদের কয়েকজনের ওপর বিরক্তি সরকারের দিক থেকে মাঝেমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে রাফ এন্ড টাফ ভাষায়। তারা বেশি ‘ঢং’ করেন বলে উষ্মা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া আরো কঠোর। যারা স্যাংশন দেয় তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ আর কোনো কেনাকাটা করবে নাÑ এমন ঘোষণা কম দুঃখে দেননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের ভূমিকায় ক্ষোভ তিনি জানিয়ে আসছিলেন অনেক দিন থেকেই। কারো কোনো চাপ তাকে টলাতে পারবে নাÑ এমন সাহসী উচ্চারণের মাঝে এক পর্যায়ে বলেই বসেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে বিভিন্ন দেশে সরকার পাল্টে দিতে পারে। বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো আওয়ামী লীগকে আর ক্ষমতায় চায় না। সরকারের দিক থেকে আসা এ ধরনের কথাও এক ধরনের বাড়তি কথা। সরকারের কেন এমন অবস্থান ও কঠোর কথা জানান দেয়া জরুরি হয়ে পড়লো, এ প্রশ্ন ঘুরছে। আবার সরকারের মাঝে আতঙ্ক-অস্থিরতাও স্পষ্ট। বিদেশি কূটনীতিকদের অতিমাত্রায় তোয়াজ-তোষণ বা ক্ষেপে গিয়ে যা ইচ্ছা বলা কোনোটাই শোভন নয়। বাংলাদেশে একসঙ্গে অশোভন কাজ দুটাই চলছে। কূটনীতিকদের পক্ষ থেকে সরকারকে জেনেভা কনভেনশনের কথা মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে। আবার সরকারের দিক থেকে জেনেভা কনভেনশনের সবক শোনানো হচ্ছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, দুপক্ষের কেউই জেনেভা কনভেনশন জানেন না মনে করার কারণ নেই।

এক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ছাড়াও তার পূর্ববর্তী কয়েকজনের নাম বেশ প্রাসঙ্গিক। তাদের সঙ্গে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী যা করা যায় করছে সরকার। গত নভেম্বরে বাংলাদেশের ২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোট দেয়া নিয়ে মন্তব্য করে প্রশংসা-সমালোচনার দুটারই মুখে পড়েছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি। তিনি তার বক্তব্যে গত নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তির প্রসঙ্গটি এনেছিলেন। তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে। ভিয়েনা কনভেনশন অনুসারে সরকার তা পারে। কনভেনশনটিতে সব কূটনৈতিক মিশন ও কূটনীতিকদের নিরাপত্তা হোস্ট দেশকে নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে।

আবার কূটনীতিকরা নিয়োগপ্রাপ্ত দেশে কোনো অসদাচরণ বা কূটনৈতিক নীতি বিবর্জিত কাজ করলে প্রত্যাহারসহ শাস্তি দেয়ার বিধানও আছে ভিয়েনা কনভেনশনে। এ কনভেনশনের বেশিরভাগ ধারাই কূটনতিকদের অনুকূলে। আবার কূটনীতিককে ডেকে পাঠানো-প্রত্যাহারের প্রচলনও আছে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এর প্রায়শ্চিত্তও করতে হয়। বাংলাদেশকে কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোন দেশের কূটনীতিককে বরখাস্তের কলঙ্কে পায়নি। পর্যবেক্ষকদের মতে, কূটনীতি এমন জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি দক্ষ ও কা-জ্ঞানসম্পন্ন কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত না হয়, তাহলে সেই দেশের গণতান্ত্রিক সরকারও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে পারে না। কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অদক্ষতার কারণে যে কোনো দেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

এই রকম আরও টপিক

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে মতবিনিময় সভা।
আইন-বিচার 7 hours আগে

সুনামগঞ্জে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া।
রাজনীতি 9 hours আগে

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ইউনিয়ন সমাজকর্মী সড়ক দূর্ঘটনার নিহত।
দুর্ঘটনা 13 hours আগে

ঝিনাইদহে জোরপূর্বক জমি দখল ও সীমানা প্রাচীল ভাঙ্গার অভিযোগ।
অপরাধ 1 day আগে

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মুদির দোকানে মালামাল আগুন পুড়ে ছাই।
দুর্ঘটনা 1 day আগে

সিঙ্গাপুরের উডল্যান্ডে চার ঘণ্টার অভিযানে ১১ জন বাংলাদেশি, ১জন মিয়ানমারের
আন্তর্জাতিক 1 day আগে

পঞ্চগড়ে মুক্ত দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি আলোচনা সভা।
সারা বাংলা 1 day আগে

ইন্দোনেশিয়ার বামন রাজ্য ফ্লোরেসঃগুরুত্বপূর্ণ তর্থ্য
আন্তর্জাতিক 2 days আগে

কম বয়সে চুল পাকার কারণ কী,এটা কি ঠেকানো সম্ভব?
স্বাস্থ্য 2 days আগে

ধানমন্ডি এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালিত।
স্বাস্থ্য 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক দিনাজপুরে অনলাইনে মোবাইলের মাধ্যমে ক্যাসিনো জুয়া পরিচালনাকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার পুলিশের উপস্থিতিতে যাদুকাটা নদীতে চলে পাড় কাটার মহোৎসব এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ি-ঘর ভাংচুরসহ আহত-১৫ ঠাকুরগাঁওয়ে ইএসডিওর কর্মী সম্মেলন ও শ্রেষ্ঠ কর্মী সম্মাননা। দিনাজপুরের বিরলের ঢেড়া পাটিয়ায় ব্যবসায়ী খুনের আটক ২ পলাতক ১ নওগাঁ–২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা।