আবুল কাশেম || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর, ২০২৫ ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
ভোলা জেলার শান্তিপ্রিয় জনতার জীবন গন্তব্যে- রাজনীতির নতুন অভিভাবক প্রয়োজন” শিরোনামে দেশে-বিদেশে খবর প্রকাশের পর মহামান্য রাষ্ট্রপতির নির্দেশে ভোলায় ডা. শামিম রহমান নামের একজন ভালো ও দক্ষ জেলা প্রশাসক বসেছে। গত ০৮/১১/২০২৫ ইং তারিখে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন শাখার নিশি রাতের প্রজ্ঞাপণে ডা. শামীম রহমানকে ভোলা জেলার ডিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
০৯/১১/২০২৫ ইং তারিখ হতে তিনি ভোলা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যজিষ্ট্রেট বা সাংবিধানিক পদবী ডেপুটি কমিশনার। মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের উপ-সচিব হতে যুগ্ন সচিব মর্যাদার সমমানের পদবী জেলা প্রশাসক হওয়ায় ডা. শামিম রহমানের পদোন্নতি ও কর্ম পরিধির ক্ষমতা বর্ধিতকরন করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জেলা প্রশাসক হওয়ায় একদিকে ভোলা জেলায় সরকারের প্রতিনিধি এবং জেলাবাসীদের পক্ষ হয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে কথা বলার একমাত্র সাংবিধানিক ব্যক্তি।
তার দীর্ঘ্য দিনের চাকরি জীবন পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে যে, বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার কর্মরত জীবনে রাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন জনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে সঠিকভাবে কথা বলায় তার চৌকস দক্ষতা রয়েছে। তাই ভোলা জেলার এলোমেলো জনগোষ্ঠির জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালনের সময় জেলাবাসির কথাবার্তায়- ডা. শামিম রহমান প্রায়শই নিজেকে বিরক্ত (Distrubbed) বোধ করতে হবে। ইতিপূর্বের জেলা প্রশাসক আজাদ জাহান অবশ্য জেলাবাসির অসভ্য আচরণের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত-অসম্পৃক্তভাবে মিশিয়ে চলার কারণে কর্মজীবনে কোন প্রমোশন না পেয়েই গাজিপুরের জেলা প্রশাসক হয়েছেন।
অর্থাৎ, একটা পাগলা গারদের ইনচার্জ হতে আরেকটা পাগলা গারদের ইনচার্জ হওয়ার মত পরিবর্তন পেয়েছেন। তবে ভোলা-বরিশাল ব্রীজ করতে না পারলে ডা. শামিম রহমান ভোলা জেলার ডিসি পদবীর পরবর্তীতে আর কোন পদোন্নতি ঘটবে না- তা নিশ্চিৎ। কর্মফলের দ্বারা ভবিষ্যতে কি হবেন তা এই মুহূর্তে জানা না থাকলেও বর্তমানে তিনি একটা কম পাগলামীর গারদের চাকরিজীবী থেকে পেশাগত পদন্নতিতে একটা বেশি পাগলামীর গারদের ইনচার্জ হওয়ার মত পরিবর্তন পেয়েছেন। তাই ভোলা জেলার জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালনের আগামী দীর্ঘ্য সাড়ে তিন বছরের বা তদূর্ধ্ব কর্ম জীবনে জেলার চৌকিদারদের আত্মীয়-স্বজনদের অসভ্য তান্ডবতা ভেঙ্গে জেলার তৃণমূল পর্যায়ে প্রশাসনিক ট্রিটমেন্ট-ই বেশি করতে হবে।
নচেৎ যে কোন সময়ই ওএসডি, ডিমোশন, ট্রান্সফার, স্ট্যান্ড রিলিজ, সাসপেন্ড ডিসি ডা. শামিম রহমানের সহধর্মিনির মত সঙ্গী হতে পারে। তাই নতুন জেলা প্রশাসক ডা. শামিম রহমান জেলার প্রতিটি নাগরিকের কাছ থেকে রাষ্ট্রের প্রতিটি ন্যায্য ও আইনগত পাওনা কড়া-গন্ডায় আদায় করতে হবে। নচেৎ যে কোন সময় ভোলা জেলার যে কোন ডিসিকে-ই ওএসডি, ডিমোশন, ট্রান্সফার, স্ট্যান্ড রিলিজ, সাসপেন্ড, স্যালারি ক্লোজড্ সহ নানা বৈপরিত্যের জন্য প্রস্ত্তত থাকতে হবে। ডক্টর ইউনুসের কথিত আসন্ন নতুন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোলা জেলা নতুন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিসি) হিসেবে ডা. শামীম রহমানকে নিয়োগ নিয়ে নানান জল্পনা-কল্পনা চলছে। কেউ কেউ নির্বাচনের ডিসি বলেও জেলা প্রশাসকের মানহানিকর উক্তি বলে বেড়াচ্ছে। কেউ বলছে রাজনৈতিক ডিসি নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শনিবার (৮ নভেম্বর, ২০২৫ ইং) মধ্যরাতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার উপ-সচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।
এর আগে তিনি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের উপ-সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে ভোলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মো. আজাদ জাহানকে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তবে ভোলা জেলাবাসী জেলা প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন ভালো ও দক্ষ জেলা প্রশাসক পেয়েছে—তাতে কোন সন্দেহ নাই।
| Sun | Mon | Tue | Wed | Thu | Fri | Sat |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | |
| 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 |
| 14 | 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 |
| 21 | 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 |
| 28 | 29 | 30 | 31 | |||