হোম
নির্বাচিত কলাম

বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখায় মেধা ধ্বংসের পথ থেকে বাঁচাতে খুলে দিতে হবে।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ৫ জুন, ২০২১ ১০:৫০ অপরাহ্ণ

ফাইল ছবি

সম্পাদকীয়ঃ বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখায় মেধা ধ্বংসের পথে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড অথচ করোনার অজুহাতে দিনের পর দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখায় মেধা ধ্বংসের পথে। সকল প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও দিনের পর দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধের কারণে ছেলে মেয়েরা অনলাইনে আষক্ত হচ্ছে। তারা বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। বলা হয় অলস মস্তিক শয়তানের বাসা। দিনের পর দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও নিয়ম মাফিক বেতন সহ অন্যান ফি ঠিকই নেওয়া হচ্ছে এতে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার সন্তানের শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছেনা অথচ মাস গেলেই টাকা গুনতে হচ্ছে।

ইউনিসেফের তথ্যমতে কোভিড আক্রান্ত ১৩৪টি দেশের মধ্যে ১০৫টি দেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা চিন্তা করছে। অগাস্টে এই ১০৫টি দেশের মধ্যে ৫৯টি দেশের স্কুল খুলে দেয়া হয়েছে বলে সংস্থাটি জানাচ্ছে। কিছু অভিবাবকের সাথে কথা বলে জানাজায় তারা বলেছেন দেশে সকল কিছুই সাভাবিক নিয়মে চলছে তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ রাখার কতটুকু যুক্তি আছে। তাদের দাবী স্বাস্থ বিধি মেনে স্কুল কলেজ খুলে দেওয়া হোক। স্কুল বন্ধ থাকায় ক্লাস পরীক্ষা আর মূল্যায়নের যে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেটি নিয়েও নানা রকম অভিজ্ঞতা হয়েছে শিক্ষা সংশ্লিষ্ঠ সবার। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবকরাও চান ভবিষ্যতের প্রস্তুতি হিসেবে শিক্ষা ব্যবস্থা তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে আরো আকর্ষণীয়, আনন্দদায়ক আর সবার সাধ্যের আনা হোক। এ অবস্থায় চলমান মহামারির অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষায় ব্যাপক সংস্কারের পক্ষে মতামত আসছে। সরকারের পক্ষ থেকেও জাতীয় পাঠ্যক্রম সংস্কারের উদ্যোগের কথা জানা যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের পদচারণা নেই গত কয়েক মাস ধরে। ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট আর পরীক্ষা থেকে বিরত থাকা শিক্ষার্থীরা সম্ভবত জীবনের দীর্ঘ ছুটি ভোগ করছে। গত কয়েক দশক ধরে সেশনজটের খপ্পর থেকে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বের হওয়ার চেষ্টা করছিল, সেই প্রচেষ্ঠায় কিছুটা ভাটা টেনেছে কোভিড-১৯। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে নিজের বাড়িতে। শিক্ষাবর্ষের শেষ দিকে এসে আটকা পড়া লাখো শিক্ষার্থীর কর্মজীবনে প্রবেশের কথা থাকলেও গত ছয় মাস তাদের আশায় বাজ পড়েছে। সহসা সমাধানও নেই তাদের কাছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেসব শিক্ষকরা গবেষণায় জড়িত ছিল, শিক্ষার্থীদের পদচারণার অভাবে সেইগুলোও ভেস্তে যেতে বসছে। অতল এই পরিস্থিতিতে সমাধান কি হতে পারে, তা নিয়ে কথা বলার সময় বুঝি আমাদের চলে এসেছে।

বিশ্বের অন্যন্য দেশ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থবিধি মেনে চলার প্রেক্ষিতে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সচল করলেও আমাদের দেশের মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের কারণে সংক্রমণ ও মরণের সংখ্যার স্থিতিশীলতা আমরা দেখতে পাচ্ছি। নিরাপদ স্বাস্থ্যবিধি আমরা যদি না মানতে পারি আর ভ্যাকসিনের দেখা যদি আমরা না পাই তাহলে আমাদের দেশে মাসের পর মাস সংক্রমণ চলবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। মূলত অবহেলার কারণে, আমাদের দেশে সংক্রমণের পারদ চড়ছে। স্কুল খুলে দেয়ার আগে যেসব বিষয় আমাদের অবশ্য করণীয় তা নির্ধারণ করতে হবে। ১. জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার স্কুলে যেসব নিয়ম মেনে ক্লাস শুরু হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো, শিক্ষার্থীদের প্রথমে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হয় বাসায় আর দ্বিতীয়বার স্কুলের প্রবেশদ্বারে। দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য আলাদা আলাদা স্থান রয়েছে। অনেক স্কুলের ক্যান্টিনে প্লাস্টিকের পর্দা মুখোমুখি ব্যবহার করা হয় যা তাদের বন্ধুদের থেকে আলাদা করে। মাস্ক পরে স্কুলে আসে আর ক্লাস কিংবা খেলার মাঠে

১) সামাজিক দূরত্ব সঠিকভাবে মেনে চলে।

২) যেসব যানবাহনে তাদের স্কুলে আনা নেয়া করা হচ্ছে, সেইসব যানবাহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আসন ফাঁকা রাখা হচ্ছে। শারীরিক স্পর্শ যেন না হয়, সেইজন্য তাদের পরিবার থেকে বারবার সচেতন করা হয়।

৩) স্কুল খুলে দেয়ার আগে বিদ্যালয়গুলোতে স্ক্যানিং টেমপারাচার মিটার সরবরাহ করা বাঞ্ছণীয়।

৪) স্কুলে বাচ্চারা সাধারণত খেলাধুলা করতে পছন্দ করে। তাই তারা যখন খেলাধুলা করবে, মাঠে চক দিয়ে বৃত্ত করে দিতে হবে, তাদেরকে বুঝাতে হবে যেন এই বৃত্তের বাহিরে খেলাধুরা না করে। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার জন্য এই নিয়ম অনেক দেশেই কার্যকরী হয়ে উঠছে ।

৫) যেহেতু শিশুরা স্বাস্থ্যবিধি জানে না, তাই দেশের প্রচারমাধ্যমগুলোতে কিভাবে স্কুলে স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে তার বিস্তারিত জানাতে হবে। শুধু সরকার এই কাজটি করলেই হবে না, বাসায় অভিভাবকদের তাদের শিশুরা এইসব স্বাস্থ্যবিধি বুঝছে কি না তার জন্য ট্রায়াল নিতে পারে। আর এজন্য অন্তত কিছু সময় দেয়া প্রয়োজন। শুধু পোস্টার আর লিফলেট বিলি করলে হবে না, শিশুদের বুঝাতে, করোনাভাইরাস সম্পকে ধারণা দিতে হবে।

৬) আমাদের মনে রাখতে হবে, বড়রা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস-আদালত করলেও স্কুলগামী শিশুদের দ্বারা পরিবারের সদস্যরা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই শিশুরা স্কুল থেকে ফিরলে, তার সংস্পশে আসার আগে স্যানিটাইজার ও পোশাক পরিবর্তনে সহায়তা করতে হবে।

৭) স্কুল খুলে দেয়ার আগে আমাদের উচিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা ক্লাসে ফিরবে। তাদের অবস্থা দেখে পর্যায়ক্রমে কলেজ, স্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়া যেতে পারে। এই ক্রম অনুসরণ করলে, আমরা অন্তত শিশুদের সচেতনতার পাশাপাশি তাদেরকে কোভিড-১৯ ক্ষতিকর দিকগুলো বুঝিয়ে তুলতে সক্ষম হবো।

৮) বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার একটি বড় বাধা হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হল। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণরুমে শিক্ষার্থীরা গাদাগাদি করে থাকে। তাই এইসব কক্ষে যারা থাকত, তাদের জন্য বিকল্প আবাসন ব্যবস্থা করতে হবে। ক্যান্টিনে খাওয়ার সময় হলগুলোর ব্লকভিত্তিক পরিবেশন করা যেতে পারে। ফলে এক সাথে ক্যান্টিনে খাওয়ার ভিড় কমবে। অন্যদিকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার অভ্যাসও গড়ে উঠবে।

৯) আমরা যদি স্কুল খোলার চিন্তা করি, তাহলে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান খুলতে হবে। গ্রামে, মফস্বলে কিংবা শহরের স্কুলের স্বাস্থ্যবিধি তৈরি করে তা মেনে একটা মডেল দাঁড় করানো যেতে পারে। পরীক্ষামূলক ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে অন্যন্য প্রতিষ্ঠান খোলা যেতে পারে।

১০) শহরে যখন স্কুল শুরু হয়, ঠিক একই সময় অফিস আদালত শুরু হয়। ফলে রাস্তায় যানবাহনে শারীরিক সংস্পর্শ আসার সম্ভবনা তৈরি হয়। তাই অফিস আদালতের আর স্কুলের সময় ভিন্ন হওয়া জরুরি।

১১) যেসব শিক্ষার্থী ও শিক্ষক কিংবা স্টাফদের করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা যাবে, সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে আইসোলেশনে পাঠাতে হবে। তাদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে। উন্নত দেশগুলো অনলাইন ও টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো সচল রেখেছে। খোদ চীন তাদের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন, রেডিও ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেছে। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর মে মাস থেকেই তাদের শিক্ষার কার্যক্রম অনলাইনভিত্তিক করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেমিনার সিম্পোজিয়ামও জুম অ্যাপসে হয়েছে। এমনকি মাস্টার্স, পিএইচডির চূড়ান্ত প্রেজেন্টেশনও সম্পন্ন হয়েছে। এখন আসা যাক, কিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান, পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। করোনাকালীন শিক্ষাব্যবস্থা কেমন হবে, তার একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরতে চাই। মাধ্যমিক ও প্রাথমিকঃ মাধ্যমিক ও প্রাথমিকে ক্লাস শুরু করা যেতে পারে কিছু নিয়ম মেনে। ধরুন একটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৫০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের আগে দেশে সাধারণত প্রতিদিন একটি বিদ্যালয়ে সব শ্রেণির ক্লাস হতো। তবে আমি যে প্রস্তাবনা দিচ্ছি, সেখানে প্রতিদিন একটি করে শ্রেণি স্কুলে আসবে। সামাজিক দূরত্ব সঠিকভাবে মেনে ক্লাস নিতে হলে এই নিয়ম মানা জরুরি। প্রতিদিন একটি করে শ্রেণি ক্লাসে অংশ নিতে পারলে সপ্তাহের পাঁচদিন পাঁচটি শ্রেণির ক্লাস নেয়া সম্ভব।

আগে একটি কক্ষে যেখানে পঞ্চাশজন শিক্ষার্থী বসতে পারত, নতুন নিয়মে সেখানে বসবে ১৫-২০ জন করে। যে শিক্ষক প্রতিদিন তিনটি বা চারটি করে ক্লাস নিত, সেই শিক্ষক কেবল একটি শ্রেণিতে তিনটি ক্লাস নেবেন। ধরুন, ৫০ জন শিক্ষার্থীকে আমরা যদি তিনটি গ্রুপে ভাগ করি, তাহলে ১৬-১৭ জন করে গ্রুপ ক্লাস করবে। গ্রুপ-এ ইংরেজি ক্লাসে, গ্রুপ-বি গণিত ক্লাসে, গ্রুপ-সি বাংলা ক্লাস করবে একই সময়ে। এক গ্রুপের ক্লাস শেষ হলে অন্য গ্রুপের ক্লাস যোগ দেবে। এইভাবে পরবর্তী ঘণ্টায় ফের নতুন করে আরো একটি বিষয়ে ক্লাস শুরু হবে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

এইভাবে ক্লাস শুরু হলে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছুটা হলেও উৎকণ্ঠা কমবে। অন্যদিকে ক্লাসে প্রচলিত সিলেবাসকে সংস্করণ করে গুরুত্বপূর্ণ সিলেবাসে ক্লাস করানো উচিত। যাতে করে গত ছয় মাসের ক্লাসের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারে।
বাষিক পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের বিকল্প কোনো পথ খুঁজতে হবে। বৃহৎ এই জনগোষ্ঠীর পরীক্ষা যদি নেয়াও হয়, তবে তা হবে অতি সংক্ষিপ্তকারে। আমাদের মনে রাখতে হবে, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার চেয়ে সঠিক শিক্ষা দিয়ে গড়ে তোলা হল মূখ্য কাজ।

উচ্চ মাধ্যমিকঃ উচ্চ মাধ্যমিকে ইতোমধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই ভর্তি প্রক্রিয়ার পর ক্লাস শুরু হবে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা থমকে থাকায় উচ্চ মাধ্যমিকে তিনটি ব্যাচ কলেজগুলোতে থাকছে। ক্লাস ও এইচএসসি পরীক্ষা একই সাথে চালু হলে করোনাকালীন বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। তাই সবার আগে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন। আমার বিশ্বাস, নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ স্মার্টফোন ব্যবহার করছে। তাই এদের ক্লাসগুলো অনলাইনে সচল রাখা যেতে পারে। ক্লাসের পর শিক্ষকদের প্রেজেন্টেশন ফাইল ওয়েবসাইটে আপলোড দেয়া যেতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দেয়া যেতে পারে। ফলে যেসব শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাস মিস করবে কিংবা যাদের স্মার্টফোন নেই, তারা এইসব শিক্ষা সামগ্রী জেরোক্স করতে পারে। বাসায় পড়াশুনা করবে, অ্যাসাইনমেন্ট ই-মেইলে জমা দেয়া যেতে পারে।

এইচএসসি পরীক্ষাঃ উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন খুব জরুরি। তাই পরীক্ষা ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সমাধান পাওয়া কঠিন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার দীক্ষা তাই সবার আগে প্রয়োজন। তবে পরীক্ষা কিভাবে নেয়া হবে আর কত সময়ের মধ্যে মূল্যায়ন করা হবে সেটিরও কোনো দিকনির্দেশনা আপাতত আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে দেখতে পাচ্ছি না। করোনাভাইরাসের এই সংকটময় সময়ে নিয়মতান্ত্রিক পরীক্ষা পদ্ধতির কিছুটা পরিবর্তন আনা জরুরি। এই পরিবর্তন না আনলে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার জট খুলতে পারব কি না সন্দেহ রয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্নের কাঠামোর সংস্করণ করা যেতে পারে। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হলে পরীক্ষা কেন্দ্র আগের তুলনায় দ্বিগুণ করতে হবে। সেটি করতে না পারলে দুই শিফটে সকাল-বিকেল পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বাংলা, ইংরেজি প্রথমপত্র ও দ্বিতীয়পত্রের সম্বলিত প্রশ্নপত্রে একটি করে মানে বাংলা ও ইংরেজি পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের তিন ঘণ্টার পরীক্ষা করা যেতে পারে ১ ঘণ্টায়। পরীক্ষা লিখিত না এমসিকিউ হবে সেটার জন্য আলোচনা করা যেতে পারে। আমরা যদি লিখিত পরীক্ষার পরবর্তীতে এমসিকিউ করি তাহলে, বিভিন্ন সেটে একই দিনে একই বিষয়ে পালাক্রমে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব মানতে সুবিধা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাঃ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের পরই সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর ভর্তি পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীর যে প্রস্তুতি নিতে হয়, তা এই কম সময়ে সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি না। তাই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কিছু নতুনত্ব আনা প্রয়োজন। গত বছর বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বড় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় সেখান থেকে খসে পড়লেও এবার করোনাকালীন সময়ে আমরা মনে করি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা সবচেয়ে কাজে দেবে। শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার জন্য এক স্থান থেকে অন্যস্থানে ছোটাছুটি বন্ধ করতে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় আসতে হবে। আর ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার আগে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরে দুই সেশনে নেয়া যায় কিনা তা ভাবতে হবে। বিশ্বের সিংহভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্প্রিং ও অটাম সেশন চালু রয়েছে। ফলে এইসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বছরে দুইবার ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পায়।

এইচএসসি পরীক্ষা যদি নভেম্বরে শুরু করা যায় তাহলে তাদের ফলাফল পেতে জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারি লেগে যেতে পারে। অন্যদিকে পরের ব্যাচের এইচএসসি পরীক্ষাও এপ্রিল/মে মাসে শুরু হবে। ফলে এই দুই সেশনের ভর্তি নিয়ে সংশয় তৈরি হতে পারে। আর যে কারণে অন্তত আগামী বছর দুয়েক আমরা করোনাভাইরাসের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত রাখতে দুই শিফট চালু করতে পারি। আর সেটি করতে পারলে গত ছয় মাসের ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারব। বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আলোচনায় আসা উচিত যে, তারা কিভাবে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার শেষ করবেন। ক্রেডিট ও সিজিপিএ ব্যবস্থায় পরীক্ষার মানবণ্টন নির্ভর করায় এখানে বিষয় সংকোচন করা সমচীন হবে না বৈকি।

একটি বিভাগে ক্লাসের পাশাপাশি বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষাও লেগে থাকে। তাই ছয় মাসের ঘাটতি পূরণ করতে সিলেবাসে কিছুটা সংস্কার করা যেতে পারে। সংস্কার করা চ্যাপ্টারগুলো পরবর্তী বর্ষে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। আমরা যেহেতু জানি না, কোভিড-১৯ কবে আমাদের কাছ থেকে বিদায় নেবে সেহেতু এটাকে মাথায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক সিলেবাস করতে হবে। আমরা যদি ডাবল শিফট চালু করতে পারতাম, তাহলে হয়তো এই লম্বা বিরতির ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব। যদিও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাবল-শিফটের সুযোগ সুবিধা নেয়। শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকটে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাবল শিফট চালু করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। কোভিড-১৯ যদি সত্যি আগামী বছর থাকে, তাহলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ডাবল শিফট চালু করা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো উপায়ন্তর দেখছি না।

নিয়মের ভেতর থেকে উন্নত দেশগুলো তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের মতো নিম্ন-মধ্যবিত্ত দেশের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা বড়ই চ্যালেঞ্জিং। আর এই চ্যালেঞ্জকে বাস্তবতায় নিয়ে যেতে হলে অবশ্যই আমাদের সমস্যার গভীরে প্রবেশ করে সমাধান করতে হবে। মনে রাখতে হবে শিশুরা আক্রান্ত হলে আপনি আমি যতই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, তা কোনো কাজে আসবে না। তাই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার আগে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা কীভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামনে এগিয়ে নেব। কীভাবে, আমরা কোভিড-১৯ মোকাবেলা করে শিক্ষাকে এগিয়ে নেব। কেবল খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে সব দায়িত্ব শেষ এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। আমরা চাইব, আগামী দিনের প্রজন্ম শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শিক্ষাটুকু আত্মস্থ করবে। আমরা এগিয়ে যাব।

কিন্তু কোভিড-১৯-এর কারণে যে পরিবর্তন ঘটেছে তাতে নতুন প্রজন্মের আগামীর স্বপ্নসৌধ নির্মাণের মূলকেন্দ্র শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। গত বছরের জুলাই পর্যন্ত ১৬০টিরও বেশি দেশের স্কুল বন্ধ ছিল। এতে ১০০ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। করোনার কারণে দীর্ঘদিন স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় মোট শিক্ষার্থীর ৯৪ ভাগ কোনো-না-কোনোভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের ৯৯ ভাগই নিম্ন বা নিম্নমধ্য আয়ের দেশের শিক্ষার্থী। বর্তমান পৃথিবী এমন এক বিপর্যয়ের শিকার, যার প্রভাব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পড়বে, মানবজাতির অন্তর্গত যে সম্ভাবনা রয়েছে তা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, বিগত দশকগুলোর উন্নতির যে ধারা তা বাধাগ্রস্ত হবে। শিক্ষাগ্রহণ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় ব্যাঘাতের কারণে শিশুদের পুষ্টিহীনতা, বাল্যবিয়ে ও নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ার ব্যাপক আশংকা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, করোনার কারণে প্রায় ১ কোটি আর কখনো স্কুলে ফিরবে না। প্রায় ১২ কোটি বাচ্চার পরিবার দারিদ্র্যের শিকার হবে। বিশেষ করে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নাইজার, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, আইভরি কোস্ট, ইয়েমেন, গিনি, মরিটেনিয়া, লাইবেরিয়া ও চাদ- এসব দেশের শিক্ষার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। গত এপ্রিলে ১৬০ কোটি তরুণ-তরুণী স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শতকরা হিসাবে যা ৯০ শতাংশ। এছাড়া নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর শিক্ষার অবস্থাও ভালো নয়।

সেভ দ্য চিলড্রেনের রিপোর্টের তথ্য অনুসারে, এ ধরনের দেশগুলোর শিক্ষাখাত থেকে সাত হাজার ৭০০ কোটি ডলার বরাদ্দ হ্রাস পাবে। মানুষের ইতিহাসে শিক্ষা ব্যবস্থায় এত বড় আঘাত এটিই প্রথম। বহু দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে। ২০১৯ সালের ১৯ ডিসেম্বরে শুরু হওয়া করোনার আগে পৃথিবী আরও অনেক মহামারির শিকার হয়েছে। কিন্তু সেসব মহামারির প্রকোপ ছিল কোনো দেশ বা অঞ্চলভিত্তিক। খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩০ অব্দে প্লেস অব অ্যাথেন্স, ৫৪১ খ্রিষ্টাব্দে জাস্টিনিয়ার প্লেগ, ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দে দ্য ব্লাক ডেথ, কলেরা মহামারি, এশিয়ান ফ্লু, গুটি বসন্ত, এইচআইভি, সার্স, ইবোলা, স্প্যানিশ ফ্লু- এরকম অসংখ্য রোগে পৃথিবী আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু তা পুরো পৃথিবীকে দখল করতে পারেনি।

এসব মহামারি যেসব অঞ্চলে বা দেশে হয়েছিল, সেসব অঞ্চল বা দেশ শিক্ষা, অর্থনীতি সর্বক্ষেত্রে ধ্বংসে পরিণত হয়েছিল। লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু তারা দেখেছে। কিন্তু তখন পৃথিবীর অন্যসব দেশ বা অন্যসব অঞ্চল মহামারি আক্রান্ত সেসব দেশের বা উপমহাদেশের পাশে সাহায্যের হাত প্রসারিত করেছে। যে কারণে তারা মহামারি কাটিয়ে দ্রুত স্বাভাবিকতায় ফিরতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু পুরো পৃথিবীর এমন ভয়াবহ মহামারির রূপ এই প্রথম। এত বড় আঘাত পৃথিবীতে আর কখনো ঘটেনি। ১৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১.৬ বিলিয়ন শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারিকালে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এক বেসরকারি গবেষণায় উঠে এসেছে যে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ৬৯.৫ শতাংশ শিক্ষার্থী দূরশিক্ষণে অংশই নিতে পারেনি। স্কুল বন্ধ থাকায় ক্লাস পরীক্ষা আর মূল্যায়নের যে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেটি নিয়েও নানা রকম অভিজ্ঞতা হয়েছে শিক্ষা সংশ্লিষ্ঠ সবার।পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবকরাও চান ভবিষ্যতের প্রস্তুতি হিসেবে শিক্ষা ব্যবস্থা তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে আরো আকর্ষণীয়, আনন্দদায়ক আর সবার সাধ্যের আনা হোক। এ অবস্থায় চলমান মহামারির অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষায় ব্যাপক সংস্কারের পক্ষে মতামত আসছে। সরকারের পক্ষ থেকেও জাতীয় পাঠ্যক্রম সংস্কারের উদ্যোগের কথা জানা যাচ্ছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অন্তিবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে দেওয়া হোক।

 

এই রকম আরও টপিক

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে মতবিনিময় সভা।
আইন-বিচার 8 hours আগে

সুনামগঞ্জে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া।
রাজনীতি 10 hours আগে

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ইউনিয়ন সমাজকর্মী সড়ক দূর্ঘটনার নিহত।
দুর্ঘটনা 14 hours আগে

ঝিনাইদহে জোরপূর্বক জমি দখল ও সীমানা প্রাচীল ভাঙ্গার অভিযোগ।
অপরাধ 1 day আগে

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মুদির দোকানে মালামাল আগুন পুড়ে ছাই।
দুর্ঘটনা 1 day আগে

সিঙ্গাপুরের উডল্যান্ডে চার ঘণ্টার অভিযানে ১১ জন বাংলাদেশি, ১জন মিয়ানমারের
আন্তর্জাতিক 1 day আগে

পঞ্চগড়ে মুক্ত দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি আলোচনা সভা।
সারা বাংলা 1 day আগে

ইন্দোনেশিয়ার বামন রাজ্য ফ্লোরেসঃগুরুত্বপূর্ণ তর্থ্য
আন্তর্জাতিক 2 days আগে

কম বয়সে চুল পাকার কারণ কী,এটা কি ঠেকানো সম্ভব?
স্বাস্থ্য 2 days আগে

ধানমন্ডি এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালিত।
স্বাস্থ্য 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক দিনাজপুরে অনলাইনে মোবাইলের মাধ্যমে ক্যাসিনো জুয়া পরিচালনাকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার পুলিশের উপস্থিতিতে যাদুকাটা নদীতে চলে পাড় কাটার মহোৎসব এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ি-ঘর ভাংচুরসহ আহত-১৫ ঠাকুরগাঁওয়ে ইএসডিওর কর্মী সম্মেলন ও শ্রেষ্ঠ কর্মী সম্মাননা। দিনাজপুরের বিরলের ঢেড়া পাটিয়ায় ব্যবসায়ী খুনের আটক ২ পলাতক ১ নওগাঁ–২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা।