মিরু হাসান,স্টাফ রিপোর্টার || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২:২৯ অপরাহ্ণ
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় লোটো শোরুমের মালিক পিন্টু আকন্দ (৩৮) কে অপহরণের পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একটি হাইচ মাইক্রোবাস জ’ব্দ ও একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পু’লিশ।
নিহত পিন্টু আকন্দ নওগাঁ জেলার রানীনগর থানার লৌহচড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার কোমারভোগ গ্রামের তোফাজ্জলের বাড়ির সামনে দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাজারের একটি লোটো শোরুম থেকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক পিন্টু আকন্দকে একটি হাইচ মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল ঢাকা মেট্রো-চ ১৫-৩২৬৮।
মাইক্রোবাসটির চালককে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যের কথা বলে ভাড়া নেওয়া হলেও পরে ভিন্ন পথে ঘোরাফেরা করতে দেখে গাড়ির মালিক জিপিএসের মাধ্যমে গাড়িটি বন্ধ করে দেন। গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে অপহরণকারীরা ঘটনাস্থলে গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায়।
জিপিএসের মাধ্যমে গাড়ির অবস্থান শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক দুপচাঁচিয়া থানা ও আদমদীঘি থানার পু’লি’শ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান ও দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে কোমারভোগ গ্রাম থেকে কোমারপুরগামী রাস্তার উপর তোফাজ্জলের বাড়ির সামনে দাঁড়ানো হাইচ মাইক্রোবাসটির পেছনের সিটের পা রাখার স্থান থেকে পিন্টু আকন্দের ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়। নি’হতের নাক ও মুখ কসটেপ দিয়ে পেঁচানো ছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তাকে শ্বা’স’রু’দ্ধ করে হ’ত্যা করা হয়েছে।
দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ ম’র’দেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লা’শ থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ব্যবহৃত হাইচ মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং একজন অভিযুক্তকে গ্রে’ফ’তার করা হয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন আদমদীঘি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আসিফ হোসেন, আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান এবং দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।