আব্দুল্লাহ্ আল মামুন,জেলা প্রতিনিধি পঞ্চগড় || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১:৪৫ অপরাহ্ণ
পঞ্চগড়ে অবৈধভাবে পাথর বালু উত্তোলন করার সংবাদ করায় সাংবাদিককে জানে মেরে ফেলার হুমকি প্রশাসন নিরব। অবাক লাগে যেখানে একটি ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিস রয়েছে এদের নাকের ডগার উপর দিয়ে অবৈধ পন্থায় যন্ত্রদানব ভেকু ও ড্রেজার মেশিন দিয়ে জমির বুক চিরে উত্তোলন করা হচ্ছে পাথর বালু।
এই স্থান থেকে অপু নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘ এক বছর থেকে পাথর বালু উত্তোলন করেই যাচ্ছে। সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে সমতল ভূমির প্রায় ৩০ ফিট গভীর থেকে ভেকু ও ড্রেজার মেশিন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার পাথর বালুর উত্তোলন করে বিক্রি করছে অপু নামের ব্যক্তি। ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে গেলে অপু সাংবাদিক এর সাথে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে জানে মারার হুমকি দেয়। এবং সাংবাদিকদের চাঁদাবাজ বলে আখ্যায়িত করে বিশেষ সূত্রে জানা যায় অপু একজন এনসিপির কর্মী তাই সে কাউকে তোয়াক্কা না করে প্রায় এক বছর থেকে এভাবে পাথর বালি উত্তোলন করেই যাচ্ছে।
এখন ভাববার বিষয় যে অপরাধ বড় নাকি আইন বড় যদি আইন বড় হয়ে থাকে তাহলে অতি নিকটে ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিস রয়েছে অথচ ভূমির প্রায় ৩০ ফিট গভীর থেকে পাথর উত্তোলন করে নাকের ডগার উপর দিয়ে ট্রাকে লোড আনলোড হচ্ছে কিভাবে প্রশ্ন কর্তৃপক্ষের কাছে। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে পাথর বালু খেকো অপু চড়াও হয়ে বসে এবং দলবল নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে একপর্যায়ে দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি মোছাঃ আছমা আক্তার আখিকে জানে মারার হুমকি দেয় অপু, এবং বলে পাথর বালু বিষয় নিউজ করলে আপনি প্রাণে বাচবেননা আমাকে আপনি চিনেন না আমি কে।জানা যায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের তালমা বাজার এলাকার বাসিন্দা অপু,অপু এনসিপি যুবশক্তির জেলা যুগ্ম আহবায়ক ও তার পিতা মতিয়ার রহমান পঞ্চগড় জেলা এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক। বিগত আঠারো মাসে বাপ ছেলে লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছে অবৈধ কার্যকলাপ করে ও এনসিপির নাম ভাঙিয়ে,গড়ে তুলেছে নানান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরও এদের প্রভাব কমেনি এলাকায়। এখনো চলমান রয়েছে অবৈধ কার্যকলাপ। গত শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি প্রায় দুইটা থেকে ২:৩০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে, ২২ফেব্রুয়ারি সকালে ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় জিডি করেন যারজিডি নং ১১৮৩। এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলার এসিল্যান্ড মোহন মিনজি এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।