admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২৪ ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
নাগরিক ভাবনা,আ্যাড.আবু মহীউদ্দীন: ঠাকুরগাঁও চেম্বার সচল থাকলে ৬ বার ভোট হতো। এই ৬ বার ভোট হয়নি ফলে ক্ষতিতো নিশ্চয় কিছু হয়েছে। মেম্বারশীপ রিনিউয়ালের না হওয়ায় প্রচুর টাকা আদায় থেকে বঞ্চিত হয়েছে চেম্বার। এই টাকা চেম্বারের উন্নয়নে তথা ব্যবস্যায়ীদের মান মর্যাদার উন্নয়নে ভুমিকা রাখতো। একযুগ পর ঠাকুরগাঁও চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির নির্বাচন হলো।
এটাই আমাদের এফবিসিসিআই। একটি জেলার ইন্ডিকেটর এবং প্রেস্টিজিয়াস সংগঠন ব্যবসায়ীদের এই প্রতিষ্ঠান।নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ডিসেম্বরে। ১৬ এপ্রিল নির্বাচন হলো। ২ প্যানেলের নির্বাচন হলেও এক প্যানেল আগের দিন রাত ১১ টায় সংবাদ সম্মেলন করে এক গাদা অভিযোগ উত্থাপন করেছে। যে সব বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ করেছে , তার দায় তো তারা তো একেবারেই মুক্ত হতে পারবেনা।
কেননা তারাই তো গদিনশিন। এমনতো নয় যে , এই সব সমস্যা ভোটের আগের দিন ধরা পড়েছে। অনিয়ম কিছু হলে তাদের নলেজের বাইরে হয়েছে, এটা মনে করার কোন কারণ নাই। নির্বাচনে ২১ জনের নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ ছিল। বর্জনকারীরা প্যানেল দিয়েছে ১৪ জনের। তাহলে কি তারা ২১ জন লোকই পায়নি নাকি ১৪ জন দিয়েই ২১ জনের কাজ করবে? এই নির্বাচন নিয়ে মামলা হয়েছে। আমাদের মতো কম বুদ্ধির মানুষ যারা তারা এভাবে বুঝেছে ,মামলা মোকদ্দমা করেই তারা ১২ বছর ক্ষমতায় ছিল। আবার একটা মামলা করে আরো ১২ বছরের একটা বন্দোবস্ত করার ইচ্ছা থাকলে থাকতেও পারে। ১২ বছর ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনকে ভয় করা কোন বীরত্বের বিষয় নয়।
বাঙ্গালী নির্বাচন প্রিয় জাতি। ছুতা নাতায় নির্বাচন পেলেই হলো। একটি প্যানেল নির্বাচন বয়কট করেছে। ভোটাররা কি বয়কটের অক্ষোয় ছিল? তারাতো ভোটে এসেছে। দূ’ বছর পর তো আবার নির্বাচন , তখন না হয় হয় দাঁড়াবেন। তবে ততদিনে টাঙ্গন কুলিক দিয়ে অনেক পানি গড়িয়ে যাবে।
বিজয়ী হয়ে যারা দায়িত্ব নিয়েছেন , তাদের অভিনন্দন। নির্বাচিতরা ভাববেন যারা নির্বাচন করেছে , যারা বর্জন করেছে , যারা নির্বাচনে আসেনি সবাই আপনাদের সংগঠনের সদস্য। সকলের মর্যাদা বৃদ্ধি ,উন্নয়ন , সমান সুযোগ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করবেন। লাভ হবে ঠাকুরগাঁওয়ের। বেশ অভিজ্ঞ নেতাদের সাথে অধিকাংশ তরুন ব্যবসায়ী নির্বাচিত হয়েছেন। আশা করবো তারা আধুনিক মনস্ক হবেন। জেলার ব্যবসা বানিজ্যকে ডিজিটালাইজ করবেন। নাগরিক হিসাবে আমাদেরও প্রত্যাশা আছে। যে জেলার ব্যবসা বানিজ্য ভালো , সে জেলা উন্নয়নে এগিয়ে যাবে। আমরাও ভাবতে চাই একটি ভালো ব্যবসার শহরে বাস করি। ফুটপাথ গুলো মুক্ত করে সাজানো গোছানো বাজার ব্যবস্থা তৈরি করতে নিশ্চয় তারা ভুমিকা রাখবেন।
ঠাকুরগাঁও বাজারের জিনিষপত্রের দাম নিয়ে অসন্তুষ্টি আছে। কারণ আশে পাশের বাজারের চেয়ে ঠাকুরগাঁও মার্কেটে জিনিষপত্রের দাম বেশি। ঠাকুরগাঁও মার্কেটটি খুবই ছোট। হরিপুর , রানীশংকাইল , পীরগঞ্জ এই মার্কেটে আসেনা। গোটা সদর উপজেলাও আসেনা। সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন , বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা , আটোয়ারীর সামান্য এলাকার মানুষ এই মার্কেটের ক্রেতা। প্রযুক্তির এই যুগে জিনিষপত্রের দাম জানতে কোথাও যেতে হয়না।
এমনিতে ঠাকুরগাঁও ৫ টাকার শহর। চৌরাস্তায় অটোতে উঠলে ৫ টাকার দুরত্বে গেলে শহর শেষ। এই শহর বাড়ানো , ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে বিষয়গুলি বিবেচনায় নিলে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। ব্যবসায়ীরা লাভবান মানে এলাকার উন্নয়ন।
| Sun | Mon | Tue | Wed | Thu | Fri | Sat |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | |
| 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 |
| 14 | 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 |
| 21 | 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 |
| 28 | 29 | 30 | 31 | |||