admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৭ জুলাই, ২০২১ ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
নাগরিক ভাবনাঃ আবু মহী উদ্দীনঃ হজরত নূহ (আঃ) রবের নির্দেশে মরুভুমির মধ্যে জাহাজ নির্মান করেছিলেন। এই জাহাজটা ব্যাঙ্গ করে সবাই পোশাব পায়খানা করে নষ্ট করে দিয়েছিল। পরে এমন ব্যবস্থা হলো যাতে যারা এটা ময়লা করেছিল তারাই আবার চেটেপুটে পরিস্কার করেছিল। স্বাস্থ্য বিভাগ যারা নষ্ট করেছে, তাদের দিয়েই মেরামত করতে হবে।
দেশে প্রকাশিত একটি মাত্র দৈনিক যুগান্তরে ৫ জুলাই ২১ প্রকাশিত দেশের স্বাস্থ্য বিভাগের খবরের আংশিক মাত্র। এই খবর গুলো বিশ্লেষন করলে বোঝা যায় গরীব দেশের সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে কিছু যে করেনি তাতো নয়। যন্ত্রপাতি দিয়েছে। দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় সাধ্যমতো ব্যয় করেছে। যারা এটা পরিচালনার দায়িত্বে ছিল বা আছে, তাদের বিরুদ্ধে অদক্ষতা , গাফিলতি , ষড়যন্ত্র, সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ, জনস্বার্থবিরোধী কার্যক্রম কোনটা করা যাবেনা? বাংলা ভাষায় তাদের জন্য তো পৃথিবীতে কোন বিশেষন তৈরি হয়েছে বলে মনে হয়না। স্বাস্থ্য বিভাগের খবর কেবলমাত্র আলোচ্য প্রতিষ্ঠানেরই নয় এটাই সারা দেশের চিত্র।
আমাদের দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ কত বড়ো , কতো জ্ঞানী গুনি মানুষের সমাবেশ। এখানেতো একটি মানুষও অশিক্ষিত নয়। তাদের পিছনে সারা বছর বাহারী খাতে কত অর্থ ব্যয় হয়। তারা কথা বললে ভাড়া আদায় করে। দয়া করে মিটিং করলে ভাতা পায়। তাদের যাতায়তের সরকারি গাড়ী , দেশে বিদেশে ট্রেনিং, তাদের এতো আর্থিক সামর্থ যে তাদের ড্রাইভার , পিয়ন, কেরানীরা শত শত কোটি টাকার মালিক। আমি একজন দেশের খুব গরীব মানুষ। তবে ১০০/২০০ টাকা হলেও ট্যাক্স দিই। আমার ট্যাক্সের টাকাটার কত অংশ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের বেতন দিতে ব্যয় হয় এবং কেন দিই , তা জানার অধিকার আমার আছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন ৯ টন ক্ষতিকর জীবাণুবাহী মেডিকেল বর্জ্য বের হচ্ছে । নিয়ম অনুযায়ী এসব মেডিকেল বর্জ্য জীবাণুমুক্ত করে পুড়িয়ে ফেলার কথা। কিন্তু গত ১৫ বছর ধরে বিকল অবস্থায় পড়ে আছে চমেক হাসপাতালের দুটি ইনসিনারেটর মেশিন (ক্ষতিকর বর্জ্য পুড়িয়ে নষ্ট করার মেশিন)। এই মেশিন সচল না থাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মানা হচ্ছে না নিয়ম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কেবল চমেক হাসপাতাল নয়, নগরীর ৯০টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ১৮৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মেডিকেল বর্জ্যও জীবাণুমুক্ত না করেই ফেলা হচ্ছে উন্মুক্ত ভাগাড়ে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ টন মেডিকেল বর্জ্য বের হচ্ছে। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম হুমায়ুন কবীর যুগান্তরকে বলেন, দুটি ইনসিনারেটর মেশিন বিকলের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আধুনিক মেডিকেল বর্জ্য শোধনাগার তৈরির প্রক্রিয়া চলমান গত ১৫ বছর ধরে। এই ১৫ বছর ধরে বর্জগুলো যাচ্ছে কোথায় ?
আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন পলিথিনে মোড়ানো এক্স-রে পরীক্ষা নেই।
আলীকদম (বান্দরবান)ঃআলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অযতœ আর অবহেলায় বছরের পর বছর পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে ইসিজি, আল্ট্র্রাসনোগ্রামের যন্ত্রপাতি। সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০১৬ সালে একটি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, ২০১৭ সালে একটি ইসিজি মেশিনসহ পুরাতন এক্স-রে মেশিনের পাশাপাশি নতুন এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এক্স-রে ছাড়া বাকিগুলোর চালানোর মতো দক্ষ কোনো টেকনিশিয়ান নেই।
সম্প্রতি সরেজমিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, একটি কক্ষে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। এর পাশেই একটি দন্ত চেয়ার অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। ইসিজি ও এক্স-রে রুমে তালা দেওয়া এবং অস্ত্রোপচার কক্ষটি গুদামঘর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। মতলব (চাঁদপুর) : মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনশ’ এমএ (মিলিএমপিআর) শক্তির একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্স-রে মেশিন রয়েছে। এর