মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টার || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ
নওগাঁ সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া যুবতীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ।নিহত নারীর নাম মিতু পারভিন। তিনি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার শরিফপুর গ্রামের মিরাজুল ইসলামের কন্যা।পুলিশ জানায়, মিতুর প্রথম বিয়ে হয় নওগাঁর শিকারপুর গ্রামের সাকিব হোসেনের সঙ্গে। বিয়ের পর স্বামী সৌদি আরবে চলে যান।
ওই সংসারে তাদের সাত বছরের একটি সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে পরকীয়ার জেরে ২০২৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর শরিফপুর গ্রামের শুভ নামের এক যুবকের সঙ্গে মিতুর দ্বিতীয় বিয়ে হলেও এক বছর পর সেই সংসারও ভেঙে যায়। এরপর শুভ নামের এক যুবকের সাথে বিয়ে হয় মিতুর। সে সংসারও এক বছর পর বিচ্ছেদ হয়। গত বছর নওগাঁর তিলকপুর গ্রামের রিপন নামের এক যুবকের সাথে বিয়ে হয় মিতুর। রিপন গত ৪ মাস আগে ঢাকায় চলে যায়। এরপর
গত ডিসেম্বর মাসে মিতু নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একাই বসবাস করছিলেন। নিহতের বাবা মিরাজুল ইসলাম জানান, তিন দিন আগে মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
মঙ্গলবার দুপুরে ভবানীপুর গ্রামের একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা সিরাজুল ইসলাম নওগাঁ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নওগাঁ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নিয়ামুল হক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মনজের হোসেন নামের একজনকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার মূল হোতাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।