admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১ মে, ২০২৪ ১২:২১ অপরাহ্ণ
রফিকুল ইসলাম জিলু,ব্যুরো প্রধান ঢাকা: সাভারের নামাবাজার এলাকায় উপজেলার সবচেয়ে বড় পঞ্চবটী আশ্রমের মালখানা থেকে ঔতিহ্যবাহী পুঁজার সরঞ্জামাদিসহ প্রায় ১৮ টি সেলিং ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো মালখানার তালা অক্ষত থাকলেও এমন চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন আশ্রম পরিচালনা কমিটি।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল তিনটার দিকে সাভার নামাবাজারের পঞ্চবটী আশ্রমের সভাপতি বৈদ্যনাথ সাহা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাপস চক্রবর্তী চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আশ্রমের মালখানার সর্বদা তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকে। যার চাবি আশ্রমের কেয়ারটেকার খগেন চন্দ্রমনি দাশ ও তার স্ত্রী তিলি রানীসহ আরও চারজনের কাছে রয়েছে। হঠাৎ তিন থেকে চার দিন আগে জানাজানি হয় আশ্রমের মালখানায় থেকে পূজার মুল্যবান সরঞ্জাম ও ১৮ টি সেলিং ফ্যান উধাও হয়ে যায়। কিন্তু মালখানার তালা অক্ষত অবস্থায় দেখা যায়। এছাড়া ওই কক্ষের কোন ধরনের চুরির চিহ্ন দেখা যায় নি। অর্থাৎ দরজা জানালা সব ঠিকঠাকই রয়েছে। শুধু ভিতর থেকে উধাও হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকার মালামাল। আশ্রম ক্লোজ সার্কিট (সিসি ক্যামেরা) ক্যামেরা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হলেও এখনও চুপচাপ রয়েছে আশ্রম কমিটি।
এব্যাপারে আশ্রম কমিটির সভাপতি বৈদ্যনাথ সাহা বলেন, আশ্রমে চুরি হওয়ার ঘটনাটি সত্য। কিন্তু কিভাবে চুরি হয়েছে বুঝতে পারছি না। আপনি কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাপসের সাথে কথা বললে বিষয়টি জানতে পারবেন।
তালা অক্ষত থাকলেও ভোগের ঘর থেকে চুরির বিষয়টি জানতে চাইলে তাপস চক্রবর্তী বাংলানিউজকে বলেন, ওইটা ভোগের ঘর না, ভোগের ঘরের দ্বিতীয় তলা থেকে চুরি হয়েছে। স্টোর রুম থেকে চুরি হয়েছে। আমরা একটা সাধারণ ডায়েরি করবো ভাবছি। তার আগে নিজেরাই একটু তদন্ত করছি।
আশ্রমের কেয়ারটেকার খগেন চন্দ্র মনি দাশ বলেন, আশ্রমের যতো চাবি রয়েছে তা আমার স্ত্রী তিলি রানী ও আমার কাছে থাকে। আমরা ৮ বছর ধরে দায়িত্বে রয়েছি। আমাদের কাছ থেকে আশ্রম কমিটির চার জনের কাছে চাবি যায়। আর চাবি সেই চারজনের কাছেও থাকে। স্টোর রুমে তালা দেওয়া আছে কিন্তু কিভাবে চুরি হলো বুঝতে পারিছি।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) রাশিদুল ইসলাম বলেন, এধরণের কোন অভিযোগ আমরা এখনও পাই নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।