admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর, ২০২৩ ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
ইব্রাহিম আলম সবুজ,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের রাজারহাট সদর হাসপাতালে রোগীদের সেবার মান নিয়ে রোগীর স্বজনরা অভিযোগ তুলেন। হাসপাতালে সেবা নিতে আসা অনেক রোগীই সঠিক সময়ে সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
হাসপাতালের নার্সদের বিরুদ্ধে দায়সারা দায়িত্ব পালনের অভিযোগও তুলেন ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনরা। গত মঙ্গলবার ৭নভেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার চাকিরপশার তালুকের মুকুল চন্দ্র সরকার অসুস্থ হলে তার ছেলে সঞ্চয় কুমার তার বাবাকে রাজারহাট হাসপাতালে ভর্তি করান। ভর্তির পর ডাক্তার মুকুল চন্দ্র সরকারকে হাসপাতালে ৩/৪দিন অবস্থানের কথা বলেন। সেই দিনে দায়িত্ব পালনকারী নার্স রত্না রায় ও টুম্পা সেন ডিউটি পালন করছিলেন। অসুস্থ মুকুল চন্দ্র সরকারকে স্যালাই দেওয়ার জন্য হাতে ক্যানুলা সেট করেন। রাতে রোগীর হাত নরাচরা করায় ক্যানুলা সেটিং খুলে গিয়ে অধিক রক্তপাত হয়।
এসময় রোগীর ছেলে সঞ্চয় কুমার প্রায় ১ঘন্টা থেকে দায়িত্বপালনকারী দুজন নার্স কে খোজাখুজি করে না পেয়ে হতাশ হয়ে তার ফেসবুক একাউন্টে তার বাবার অধিক রক্তক্ষরণ ও নার্সদের অবহেলার কথা লাইভ এসে প্রচার করেন।
উল্লেখ এর আগেও রাজারহাট হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন কর্মী দিয়ে অপারেশন এর সংবাদ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হলেও টনক নড়েনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এভাবে পশ্চাৎপদ একটি উপজেলার অসহায় গরীব মানুষজনের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করনের নেওয়া হচ্ছে না কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সামিউল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম পুরুষ ওয়ার্ডে একই অভিযোগ তুলেন নার্সদের বিরুদ্ধে।
হাসপাতালে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক কে জানান ওই সময় দুইজন নার্স উপস্থিত ছিলেন,একজন ডেলিভারি কাজে ব্যস্ত ছিলেন আর একজন পাশেই অন্য একজন রোগীকে সেবা দিচ্ছিলেন।বিষয় টি আমি তদন্ত করেছি সঞ্চয় কুমারের লাইভ টি আসলে সত্য নয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব কাবেরী রায় বলেন সঞ্চয় কুমারের লাইভ টি ফেসবুকে দেখে সঙ্গে সঙ্গে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমান কে বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেই।