admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
তানিয়া তামান্না, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা: বর্তমান ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষা কারিকুলাম নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একজন শিক্ষকের করুণ আকুতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রতি করজোড়ে অনুরোধ করছি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্হার দিকে একটু দৃষ্টি দিন। আমাদের লক্ষ লক্ষ অভিভাবকের আর্তচিৎকার একটু কান পেতে শুনুন! মাত্র ৩০ টা মিনিট সময় নিয়ে আমাদের সিক্স সেভেনের বইগুলি একটু ঘেটে দেখুন।
কি পাঠ্য করা হয়েছে এই বইগুলিতে? বয়স এবং শ্রেণিভেদে সব ঠিক আছে কি না? আপনি যাদের উপর আস্থা রেখে দায়িত্ব দিয়েছেন তারা ঠিকমতো তাদের দায়িত্ব পালন করছে কি না একটু খোঁজ নিন। খোঁজ নিন তারা পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে আপনার দীর্ঘদিনের সকল সুনাম এবং অর্জনকে ধূলিসাৎ করে দিলো কি না? এই সেক্টরের নীতিনির্ধারকদের ডাকুন, বিশেষ করে মাধ্যমিক শ্রেণির বইগুলিতে কি পাঠ্য করা হয়েছে তা চেক করুন দয়া করে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বড়ই আক্ষেপ নিয়ে বলছি,আমি একজন শিক্ষক, দীর্ঘ ১৫ টি বছর শিক্ষা নিয়ে কাজ করছি। নতুন যে কারিকুলাম চালু করা হয়েছে তাতে ত্রুটির শেষ নেই। গণিত বইয়ে অংক নেই, বাংলা বইয়ে প্রশ্ন নেই, বিজ্ঞান বইয়ে উত্তর নেই। রীতিমতো হযবরল এই কারিকুলাম চালু করে আমাদের বাচ্চাদের উপর ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। তাদের মেধাকে গলা টিপে হত্যা করা হচ্ছে।” হেসে খেলে পড়ে যাও, সৃজনশীল উত্তর দাও “এই সিস্টেম চালু করে আমাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ওরা নিষ্পাপ, ওদের এখনো অনুধাবন ক্ষমতা হয়নি ওদেরকে কি শিখানো হচ্ছে, ওরা বুঝতে পারছে না যে ওদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে, নাহলে ওরাই প্রতিবাদ করতো।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাদের ইন্দনে আপনার শিক্ষার নীতিনির্ধারকেরা এই শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করলো? কেন তারা আমাদের বাচ্চাদের উপর জোর করে এই ব্যবস্থা চাপিয়ে দিলো? কেন এটি মন্ত্রী পরিষদে তোলা হলো না? কেন এই শিক্ষা ব্যবস্থা সংসদে আলোচনা ছাড়াই চালু করে দেয়া হলো? কেন দীর্ঘদিন এটি নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন পড়লো না?
আমাদের লক্ষ লক্ষ নিষ্পাপ শিশুর অপরাধ কি? বই থেকে কেন প্রশ্ন তুলে দেয়া হলো? নাকি আমাদের নতুন প্রজন্ম আগামীতে নীতিনির্ধারকদেরকে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করাবে এই ভয়ে বই থেকে প্রশ্ন তুলে দেয়া হয়েছে? সিক্স সেভেনে কেন পরীক্ষা তুলে দেয়া হলো? ৫ম শ্রেণির সমাপনী তুলে দিয়েছেন ধন্যবাদ, জেএসসি, জেডিসি তুলে দিয়েছেন ধন্যবাদ। কিন্তু বই থেকে প্রশ্ন তুলে দিলেন কেন? প্রশ্ন ছাড়া পাঠ্য বই সেটা আবার কেমন পাঠ্য বই?
শিশুদের যদি সবকিছু অনুধাবন করার ক্ষমতা হয় তাহলে তারা স্কুলে শিখতে যাবে কেন? তাদের অনুধাবন ক্ষমতা থাকলেতো তারা বাড়িতেই পড়বে। বর্তমান কারিকুলামে কোন পড়াশোনা নেই, শিখার কিছু নেই, শুধুই অনুধাবন, শুধুই অনুধাবন। শিশুরা স্কুলে শিখতে যায়, অনুধাবন করতে না। কারণ তাদের অনুধাবন করার ক্ষমতা হয়ে উঠেনি। এই বয়সটা শিখার বয়স, অনুধাবন করার বয়স না। তারা স্কুল লেভেলে যা শিখবে তা অনুধাবন করবে ইন্টারমিডিয়েট এবং অনার্স লেভেলে। অপ্রাপ্ত বয়সে জোর করে অনুধাবন করতে দেয়া অন্যায় যা আমাদের বর্তমান কারিকুলামে চালু করা হয়েছে।
বইয়ে প্রশ্ন নেই, ভাবতেই অবাক লাগে, এটি রীতিমতো হাস্যকর!
যে জাতির সন্তানেরা প্রশ্ন শিখেনা, তারা প্রশ্ন করতে জানেনা, তারা বিশ্ব থেকে পিছিয়ে থাকে? তারা দক্ষ বিচারক হতে পারে না, তারা যোগ্য পার্লামেন্টারিয়ান হতে পারে না, তারা ভালো শিক্ষক হতে পারে না, তারা ভালো ছাত্র হতে পারে না। তারা দক্ষ প্রশিক্ষক হতে পারে না, তারা ভালো উপস্থাপক হতে পারে না, তারা ভালো বিতার্কিক হতে পারে না, তারা সমৃদ্ধ জাতি হতে পারে না। পড়াশোনা মানেই প্রশ্ন আর উত্তরের খেলা। কিন্তু হায়! আমাদের পড়াশোনার একি অবস্থা?
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী আপনার সমীপে আমার কিছু প্রশ্ন:
আমাদের বাচ্চারা ৯০% ই বইবিমুখ, তারা পড়াশোনা করছে না আপনি কি এই খবর রাখেন? কেন বাচ্চারা পড়াশোনা করছে না সেই অনুসন্ধান কি কখনো চালিয়েছেন? এই কারিকুলাম যে আমাদের লক্ষ লক্ষ অভিভাবক চাচ্ছে না সেই জরিপ কি আপনার করা হয়েছে? যদি না করে থাকেন অবশ্যই সেই কাজটি করে অভিভাবকদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্য।
মাননীয় মন্ত্রী একজন শিক্ষক হিসেবে আমার কাছে এই কারিকুলামের আউটপুট শূন্য। এই কারিকুলাম চালু থাকলে আগামীতে আমরা একটা ভঙ্গুর, মেধাহীন, ঠুনকো নেতৃত্ব পাবো যা আমাদের জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ এবং দুর্ভাগ্যজনক। আমরা এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল চাই, শুধু আমি না বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ অভিভাবক চায়, লক্ষ লক্ষ শিক্ষক চায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরত মন্ত্রী হিসেবে আপনাকেই সেই উদ্যোগ নিতে হবে।
আমাদের বাচ্চাদেরকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবেন না। আমরা এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল চাই। বাতিল চাইতে গিয়ে যদি গ্রেপ্তার হতে হয় হবো, যদি মামলা খেতে হয় খাবো, যদি গুলি খেতে হয় বুকটা পেতে দিবো, তবুও বলবো এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে। আমাদেরকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করবেন না। আন্দোলনে নামলে তীব্র আন্দোলনের ডাক দিবো। কতজন অভিভাবককে গুলি করবেন? কতজন শিক্ষককে হত্যা করবেন? আপনাদের গুলির রাউন্ড ফুরিয়ে যাবে কিন্তু আমাদের প্রতিবাদের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দাউদাউ করে জ্বলা শেষ হবে না।
এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে, আমরা এই কারিকুলাম চাই না।
আমি শিক্ষক করি নাকো ভয়
প্রতিবাদে যায় যাবে প্রাণ
আমি শক্তি, আমি মুক্তি
আমার কাছেই আগামীর সম্মান।
জাহাঙ্গীর কবীর
পরিচালক
আলোর ভুবন মডেল হাই স্কুল
শিক্ষা ব্যবস্হা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেখার কেউ নাই।
নাগরিক ভাবনা। তানিয়া তামান্না, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা, বর্তমান ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষা কারিকুলাম নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একজন শিক্ষকের করুণ আকুতি –
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রতি করজোড়ে অনুরোধ করছি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্হার দিকে একটু দৃষ্টি দিন,,,,,
শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেখার কেউ নাই
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রতি করজোড়ে অনুরোধ করছি প্লিজ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে একটু দৃষ্টি দিন! আমাদের লক্ষ লক্ষ অভিভাবকের আর্তচিৎকার একটু কান পেতে শুনুন! মাত্র ৩০ টা মিনিট সময় নিয়ে আমাদের সিক্স সেভেনের বইগুলি একটু ঘেটে দেখুন।
কি পাঠ্য করা হয়েছে এই বইগুলিতে? বয়স এবং শ্রেণিভেদে সব ঠিক আছে কি না?
আপনি যাদের উপর আস্থা রেখে দায়িত্ব দিয়েছেন তারা ঠিকমতো তাদের দায়িত্ব পালন করছে কি না একটু খোঁজ নিন। খোঁজ নিন তারা পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে আপনার দীর্ঘদিনের সকল সুনাম এবং অর্জনকে ধূলিসাৎ করে দিলো কি না? এই সেক্টরের নীতিনির্ধারকদের ডাকুন, বিশেষ করে মাধ্যমিক শ্রেণির বইগুলিতে কি পাঠ্য করা হয়েছে তা চেক করুন দয়া করে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বড়ই আক্ষেপ নিয়ে বলছি,আমি একজন শিক্ষক, দীর্ঘ ১৫ টি বছর শিক্ষা নিয়ে কাজ করছি। নতুন যে কারিকুলাম চালু করা হয়েছে তাতে ত্রুটির শেষ নেই। গণিত বইয়ে অংক নেই, বাংলা বইয়ে প্রশ্ন নেই, বিজ্ঞান বইয়ে উত্তর নেই। রীতিমতো হযবরল এই কারিকুলাম চালু করে আমাদের বাচ্চাদের উপর ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। তাদের মেধাকে গলা টিপে হত্যা করা হচ্ছে।” হেসে খেলে পড়ে যাও, সৃজনশীল উত্তর দাও “এই সিস্টেম চালু করে আমাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ওরা নিষ্পাপ, ওদের এখনো অনুধাবন ক্ষমতা হয়নি ওদেরকে কি শিখানো হচ্ছে, ওরা বুঝতে পারছে না যে ওদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে, নাহলে ওরাই প্রতিবাদ করতো।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাদের ইন্দনে আপনার শিক্ষার নীতিনির্ধারকেরা এই শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করলো? কেন তারা আমাদের বাচ্চাদের উপর জোর করে এই ব্যবস্থা চাপিয়ে দিলো? কেন এটি মন্ত্রী পরিষদে তোলা হলো না? কেন এই শিক্ষা ব্যবস্থা সংসদে আলোচনা ছাড়াই চালু করে দেয়া হলো? কেন দীর্ঘদিন এটি নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন পড়লো না?
আমাদের লক্ষ লক্ষ নিষ্পাপ শিশুর অপরাধ কি? বই থেকে কেন প্রশ্ন তুলে দেয়া হলো? নাকি আমাদের নতুন প্রজন্ম আগামীতে নীতিনির্ধারকদেরকে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করাবে এই ভয়ে বই থেকে প্রশ্ন তুলে দেয়া হয়েছে? সিক্স সেভেনে কেন পরীক্ষা তুলে দেয়া হলো? ৫ম শ্রেণির সমাপনী তুলে দিয়েছেন ধন্যবাদ, জেএসসি, জেডিসি তুলে দিয়েছেন ধন্যবাদ। কিন্তু বই থেকে প্রশ্ন তুলে দিলেন কেন? প্রশ্ন ছাড়া পাঠ্য বই সেটা আবার কেমন পাঠ্য বই?
শিশুদের যদি সবকিছু অনুধাবন করার ক্ষমতা হয় তাহলে তারা স্কুলে শিখতে যাবে কেন? তাদের অনুধাবন ক্ষমতা থাকলেতো তারা বাড়িতেই পড়বে। বর্তমান কারিকুলামে কোন পড়াশোনা নেই, শিখার কিছু নেই, শুধুই অনুধাবন, শুধুই অনুধাবন। শিশুরা স্কুলে শিখতে যায়, অনুধাবন করতে না। কারণ তাদের অনুধাবন করার ক্ষমতা হয়ে উঠেনি। এই বয়সটা শিখার বয়স, অনুধাবন করার বয়স না। তারা স্কুল লেভেলে যা শিখবে তা অনুধাবন করবে ইন্টারমিডিয়েট এবং অনার্স লেভেলে। অপ্রাপ্ত বয়সে জোর করে অনুধাবন করতে দেয়া অন্যায় যা আমাদের বর্তমান কারিকুলামে চালু করা হয়েছে।
বইয়ে প্রশ্ন নেই, ভাবতেই অবাক লাগে, এটি রীতিমতো হাস্যকর!
যে জাতির সন্তানেরা প্রশ্ন শিখেনা, তারা প্রশ্ন করতে জানেনা, তারা বিশ্ব থেকে পিছিয়ে থাকে? তারা দক্ষ বিচারক হতে পারে না, তারা যোগ্য পার্লামেন্টারিয়ান হতে পারে না, তারা ভালো শিক্ষক হতে পারে না, তারা ভালো ছাত্র হতে পারে না। তারা দক্ষ প্রশিক্ষক হতে পারে না, তারা ভালো উপস্থাপক হতে পারে না, তারা ভালো বিতার্কিক হতে পারে না, তারা সমৃদ্ধ জাতি হতে পারে না। পড়াশোনা মানেই প্রশ্ন আর উত্তরের খেলা। কিন্তু হায়! আমাদের পড়াশোনার একি অবস্থা?
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী আপনার সমীপে আমার কিছু প্রশ্ন:
আমাদের বাচ্চারা ৯০% ই বইবিমুখ, তারা পড়াশোনা করছে না আপনি কি এই খবর রাখেন? কেন বাচ্চারা পড়াশোনা করছে না সেই অনুসন্ধান কি কখনো চালিয়েছেন? এই কারিকুলাম যে আমাদের লক্ষ লক্ষ অভিভাবক চাচ্ছে না সেই জরিপ কি আপনার করা হয়েছে? যদি না করে থাকেন অবশ্যই সেই কাজটি করে অভিভাবকদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্য।
মাননীয় মন্ত্রী একজন শিক্ষক হিসেবে আমার কাছে এই কারিকুলামের আউটপুট শূন্য। এই কারিকুলাম চালু থাকলে আগামীতে আমরা একটা ভঙ্গুর, মেধাহীন, ঠুনকো নেতৃত্ব পাবো যা আমাদের জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ এবং দুর্ভাগ্যজনক।
আমরা এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল চাই, শুধু আমি না বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ অভিভাবক চায়, লক্ষ লক্ষ শিক্ষক চায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরত মন্ত্রী হিসেবে আপনাকেই সেই উদ্যোগ নিতে হবে।
আমাদের বাচ্চাদেরকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবেন না। আমরা এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল চাই। বাতিল চাইতে গিয়ে যদি গ্রেপ্তার হতে হয় হবো, যদি মামলা খেতে হয় খাবো, যদি গুলি খেতে হয় বুকটা পেতে দিবো, তবুও বলবো এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে। আমাদেরকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করবেন না। আন্দোলনে নামলে তীব্র আন্দোলনের ডাক দিবো। কতজন অভিভাবককে গুলি করবেন? কতজন শিক্ষককে হত্যা করবেন? আপনাদের গুলির রাউন্ড ফুরিয়ে যাবে কিন্তু আমাদের প্রতিবাদের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ দাউদাউ করে জ্বলা শেষ হবে না।
এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে, আমরা এই কারিকুলাম চাই না।
আমি শিক্ষক করি নাকো ভয়
প্রতিবাদে যায় যাবে প্রাণ
আমি শক্তি, আমি মুক্তি
আমার কাছেই আগামীর সম্মান।
জাহাঙ্গীর কবীর
পরিচালক
আলোর ভুবন মডেল হাই স্কুল
| Sun | Mon | Tue | Wed | Thu | Fri | Sat |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 |
| 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 |
| 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 |
| 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 |
| 29 | 30 | 31 | ||||