admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর, ২০২২ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
মোঃ জুলহাস, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা সর্ব উত্তরে সীমান্ত ঘেঁষা মহানন্দা নদী পাশে দাঁড়ালে খালি চোখে দেখা মিলছে এই কাঞ্চনজঙ্ঘা রবিবার(২৩অক্টোবর) ভোর থেকে স্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা রুপ।তেঁতুলিয়ায় ছুটছেন বিভিন্ন পর্যটক।পর্যটকদের সমাগমে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে সীমান্তবর্তী এই উপজেলায়।
সকাল ৯ টায় তেঁতুলিয়ার ডাকবাংলো পিকনিক কর্ণারে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন বয়সী পর্যটকরা বিমুগ্ধ চিত্তে কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। কেউ এসেছেন পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুবান্ধব নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ছাত্র /ছাত্রী। এসেই সীমান্ত প্রবাহিত মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত ডাকবাংলোয় দাঁড়িয়ে স্মার্টফোনে ধারণ করছেন কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য। সেলফি তুলছেন, ছবি ও ভিডিও করে তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন ফেসবুকসহ নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
গত কয়দিন কুয়াশা থাকার কারণে দেখা মিলেনি।তাই আমরা আজ সকালে এসেই দেখতে পেয়ে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছি। আর এখানকার পরিবেশ এতো সুন্দর তা এখানে না এলে হয়তো বুঝতে পারতাম না। খালি চোখে মনে হচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘার আরও কাছে যাই, এতটাই লোভ লাগছে মনে।
কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে আসা ঠাকুরগাঁও জেলার মুক্ত কলম সম্পদক মিলন চৌধুরী বলেন, আমরা ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে বাংলদেশের সর্বউত্তরে জেলা পঞ্চগড় তেঁতুলিয়া থানায় এসে এখানে এসময় এই শীত কালে আছলে যে শুবিধা সেটা হহচ্ছে এই কাঞ্চনজঙ্ঘা আপনারা আমার পিছনে হয়তো দেখতে পারছেন এই কাঞ্চনজঙ্ঘা। এই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য মানুষ জন ছুটে আসে তেঁতুলিয়ায়।এখানকার মনোরম পরিবেশ এটা আন্তরিকতার সাথে উপভোগ করছি।
এ উপজেলা থেকে প্রায় দেড়শো কিলোমিটার দূরে তুষার আচ্ছাদিত শ্বেতশুভ্র হিমালয় পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘা। ভারতের দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৫৮ শিলিগুড়ির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব মাত্র (আকাশ পথে) ১১ কিলোমিটার। মেঘমুক্ত নীল আকাশের নিচে তাকালে মনে হবে চোখের সামনেই সাদা পাহাড়। কুয়াশারৃ আকাশে বরফ আচ্ছাদিত নয়নাভিরাম পর্বতটি বেশ উপভোগ্য। কখনো তা রুপালি চকচকে রূপ ধারণ করে।
এছাড়াও এখান থেকে সন্ধ্যায় দেখা মেলে প্রতিবেশী দেশ ভারতের দার্জিলিংয়ের বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চল লাইটিংর দৃশ্য । কাঞ্চনজঙ্ঘার মাঝে যে কালচে পাহাড়টা দেখা যায় সেটি পাহাড়ের ঢালে ভারতের প্রসিদ্ধ শহর দার্জিলিং। সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়ায় ডাকবাংলোর নদী মহানন্দার তীরে দাঁড়িয়ে উত্তরের পাহাড়ের দিকে তাকালে যেসব আলো দেখা যায়,সেটি শিলিগুড়ি শহরের।
উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান বলেন,আমাদের তেঁতুলিয়া ইতি মধ্য বহু পর্যটক কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসেছেন তাদেরকে স্বাগতম জানায়, এবং আশাকরি এভাবে পর্যটক আসবেন তেঁতুলিয়ায় যে মনোরম দৃশ্য রয়েছে। শুধু তাই নয় এখানকার আলো বাতাস ও সুন্দর পরিবেশ ও উপভোগ করতে পারবেন,আমি সারা বাংলদেশ হতে পর্যটক আসার জন্য আহবার জানাচ্ছি,কারণ তাদের জন্য তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোয় বিভিন্ন দর্শনীয় স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।পর্যটকদের বসার জন্য গ্যালারির ব্যাবস্থা রয়েছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা সহজে দেখার জন্য ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা রয়েছে।সে সাথে আপনাদেন ব্যাবস্থাপনা ও সার্বিকভাবে সহযোগীতার জন্য আমরা পাশে থাকবো।
তেঁতুলিয়া একটি ভালো জায়গা পর্যটকদের জন্য রয়েছে টুরিস্টপুলিশ আইন শিঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন,আপনাদের জন্য আমরা জন প্রতিনিধিরাও রয়েছি।সর্বোপরি তেঁতুলিয়া বাসির সার্বিক সহযোগীতা থাকবে।এছাড়াও পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন রেস্ট হাউস এর প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর সাথে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সকলকে আহবান জানাচ্ছি,কাঞ্চনজঙ্ঘা সহ তেঁতুলিয়ার সুন্দর মনোরম দৃশ্য দেখার জন্য।
| Sun | Mon | Tue | Wed | Thu | Fri | Sat |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 |
| 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 |
| 15 | 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 |
| 22 | 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 |
| 29 | 30 | 31 | ||||