হোম
আন্তর্জাতিক

নিজের বুকে গু’লি চালালেন থাইল্যান্ডের বিচারক: উপরের নির্দেশ থাকায় ন্যায়বিচার করতে না পারায়

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:২০ অপরাহ্ণ

Thai-just-is-mknewsbd

ফাইল ছবি

হত্যা মামলার আসামিদের সাব্যস্ত করার শক্ত কোনো প্রমাণ ন থাকা সত্ত্বেও ওপরের নির্দেশ ছিল- শাস্তি দিতেই হবে অভিযুক্তদের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাপ উপেক্ষা করেই আসামিদের বেকসুর খালাস দিলেন বিচারক। এরপর ন্যায়বিচারে বাধা দেয়ার প্রতিবাদ জানালেন সঙ্গে সঙ্গেই। এজলাসে বসেই পকেট থেকে পিস্তলটি বের করলেন। নিজের বুকেই গুলি চালালেন তিনি। দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ইয়ালা আদালত ভবনের তৃতীয় তলায় শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় ঘটে ঘটনাটি। এ ঘটনার পর দ্রুত বিচারককে হাসপাতালে নেয়া হয়। অপারেশনের পর বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত। এর আগে প্রতিবাদী বক্তব্য দিয়ে সেটা সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেন। ন্যায়বিচারে এমন নজিরবিহীন প্রতিবাদের জন্য এখন প্রশংসায় ভাসছেন বিচারক কানাকর্ন পিয়ানচানা। নিজের বুকে গুলি চালানোর আগে বিচারক খানাকর্নের লেখা বিবৃতিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ২৫ পৃষ্ঠার ও বিবৃতি থেকে জানা যায়, তিনি যে মামলার শুনানি করছিলেন তা জাতীয় নিরাপত্তা এবং গোপন সংগঠন, ষড়যন্ত্র ও অস্ত্রবিষয়ক। থানাকর্নের দাবি, মামলায় রায় নিয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারকদের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়। প্রমাণের অভাবে পাঁচ অভিযুক্তকে খালাস দিতে চেয়েছিলেন খানাকর্ন। তবে জ্যেষ্ঠ বিচারকেরা তাকে তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড ও বাকি দু’জনকে কারাদণ্ড দিতে চাপ দেয় বলে ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, ‘এই মুহূর্তে অন্যান্য অধস্তন বিচারকদের সঙ্গেও একই আচরণ করা হচ্ছে যেমনটি আমার সঙ্গে হয়েছে। তাহলে সম্মান ছাড়া বাঁচার চেয়ে আমি মরে যাব।’ থাইল্যান্ডের বিচার বিভাগ ও এর বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ অভিযোগ রয়েছে। দেশটির আদালতের রায় বেশিরভাগই পয়সাওয়ালা ও প্রভাবশালীদের পক্ষেই যায়। অন্যদিকে ছোট্ট অপরাধে সাধারণ মানুষকে দেয়া হয় গুরুতর সাজা।

বিখ্যাত ইউটিউবার জে কিমের ঈমান জাগানিয়ার গল্প

সদ্য ইসলাম গ্রহণ করা দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত ইউটিউবার জে কিমের ঈমান জাগানিয়া সাক্ষাৎকার। আপনার সংক্ষিপ্ত পরিচয়? আমার নাম জে কিম। ২৬ বছর বয়সী কোরিয়ান যুবক। জন্ম শেওনানে। আগে গান করতাম, এখন ইউটিউব ভিডিও তৈরী করি। ইসলামের প্রতি কখন এবং কীভাবে আগ্রহী হলেন? কয়েক বছর আগে ইন্দোনেশিয়া, তিউনিসিয়ার মতো কয়েকটি মুসলিম প্রধান দেশের মঞ্চে পারফর্ম করার সুযোগ হয়। তখন থেকেই ইসলাম সম্পর্কে জানতে শুরু করি। ভিগো লাইভ সম্প্রচারে এসেছিলাম, দক্ষিণ এশিয়ায় লাইভটি সাড়া ফেলেছিলো। মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ায় আমার কিছু ফ্যান আছে। ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠার ক্ষেত্রে তাদের অবদানের কথা স্বীকার করতেই হবে। মুসলমানদের সম্পর্কে আমি জানতাম না বললেই চলে। ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ায় এত মুসলিম, এটাও জানতাম না। সত্য বলতে ইসলাম নিয়ে আমার মনে একপ্রকার কুসংস্কার ছিলো। দাঁড়ি, পাগড়ি, জুব্বা, বোরকা, হিজাব-অদ্ভুত লাগতো আমার কাছে। জাকার্তায়, ইন্দোনেশিয়ায় যখন আমার ফ্যানদের সাথে দেখা করলাম, বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে গেলাম। আমার কুসংস্কার কর্পূরের মতো উবে গেলো। দেখলাম মুসলিমরা প্রবল দয়ালু, নম্র। তাদের আচার-আচরণ মুগ্ধ করার মতো। ঠিক যেমনটা আমি পছন্দ করি। গত বছর তিউনিসিয়ার এক মঞ্চে কথা বলি। সেখানের মুসলিম ফ্যানরা এতটাই সম্মান ও আপ্যায়ন করেছে, আমি লজ্জায় পড়ে গেছি। তাদের ভালোবাসা আমার দৃষ্টিভঙ্গি পালটে দিয়েছে। আমিও তাদের ভালোবাসতে শুরু করেছি। তাদের সম্পর্কে পড়তে শুরু করেছি। আমি প্রথম শিশুদের জন্য লেখা ইসলামি বইগুলো পড়তে শুরু করি। আরবি পারি না, তাই পড়তে শুরু করি কুরিয়ান ভাষায় কোরআনের অনুবাদ। মসজিদ পরিদর্শন করতে কোন জিনিসটি আপনাকে উৎসাহিত করেছে? ইউটিউবে যেহেতু আমি ইসলাম নিয়ে কথা বলতাম, আমার অনেক মুসলিম বন্ধু তৈরী হয়ে গিয়েছিলো। তারা আমাকে মসজিদ পরিদর্শন করতে উদ্বুদ্ধ করতো। সবচে আশ্চর্য লেগেছে, ইসলামের অনেক নিয়ম এমন, যেগুলো আমার চিন্তার সাথে মিলে যায়।অনেকেই মনে করে মুসলিমরা উগ্র। কথাটা ভুল; মুসলিমরা সবচে শান্ত, সবচে বিনয়ী। এমনকি আমি তাদের ঘৃণা করলেও তারা আমাকে আরও শ্রদ্ধা, আরও ভালোবাসা দেয়। ‘সৎ কাজ করো, অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকো, অন্যকে সাহায্য করো’ ইসলামের এই মানবিক, প্রেমময় বাণীটি ইসলাম পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছে। প্রথম রোজা রাখলেন। অভিজ্ঞতা কেমন ছিলো? রোজা রাখার দ্বারা উদ্দেশ্য ছিলো মুসলিমদের বুঝা। কিন্তু রোজা রেখে আমি মানসিক প্রশান্তি, শারীরিক উন্নতি অল্প সময়েই দেখতে পেয়েছি। রোজা রাখছিলাম আর অবাক হয়ে আমার মন, শরীর, মেজাজের স্বর্গীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করছিলাম। ইটস আমেজিং! রোজা রেখেই আমি অনুভব করেছি, খাবার এবং পানি কতটা প্রয়োজন আমাদের। যিনি আমাদের এই প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়েছেন, তার প্রতি কৃতজ্ঞতায় মাথা নুয়ে আসে। প্রথম নামাজ পড়ার অভিজ্ঞতা? প্রথম নামাজ পড়ার অনুভূতি আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। যেন আমি নতুন জন্মগ্রহণ করেছি। সারাজীবন মানসিক দ্বন্দ্বে ছিলাম- কোথায় যাচ্ছি? কিন্তু নামাজে দাড়ালে এই দ্বন্দ্ব কেটে যায়। মনে হয় সঠিক জায়গায় আছি। কোরিয়ায় ইসলাম গ্রহণ করা কতটুকু চ্যালেঞ্জের? কঠিন চ্যালেঞ্জের। তবে আমি মনে করি বিশ্বাসে মেলায় বস্তু। আপনার পরিবার কেমন প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে? তারা আমাকে নিয়ে চিন্তিত। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি—আমি যদি সত্যটা তাদের সামনে প্রতিনিয়ত তুলে ধরি, তারা উপলব্ধি করতে পারবেন এবং আমাকেও মেনে নিবেন। শেওলে কোনো মুসলিম সংগঠন আছে? মুসলিম সংগঠন সম্পর্কে আমি খুব বেশী জানি না। তবে ইতাইওনে একটি মুসলিম সংগঠন আছে, তারা আমাকে যথেষ্ট সাহায্য করেছে। কুরিয়ার ইসলামি যুব সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সালাম নূরীর ইফতার পার্টিতে গিয়েছিলাম একদিন। সেখানে দারুণ অভীজ্ঞতা হয়েছে। অনেকের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছে। আপনি কি প্রত্যাশা করেন যে, কোরিয়ানরা আরও বেশি ইসলাম সম্পর্কে জানুক? তারা হুট করেই ইসলাম নিয়ে উঠেপড়ে লেগে যাবে। তবে এতটুকু অবশ্যই প্রত্যাশা করি, তারা বিশ্বাস করুক মুসলিমরা টেরোরিস্ট নয়। মুসলিমরা আমাদের মতোই সভ্য নাগরিক। কারণ সেখানে মুসলিমদের সম্পর্কে ভালো তথ্য জানা খুব দুষ্কর। মিডিয়া সারাক্ষণ ৯/১১ বিস্ফোরণ, তালেবান এবং আইএসআই নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়। এই মিথ্যা নিউজ তাদের মস্তিষ্কে ধোঁয়ার মতো সব সত্যকে আড়াল করে দেয়।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

সর্বশেষ খবর

সাভারে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে নামজারি,দালালের ১০ দিনের জেল।
আইন-বিচার 7 hours আগে

সান্তাহারে সরকারি পুকুর রক্ষায় অভিযান,জরিমানার পর অপরাধীদের চাপের মুখে প্রশাসন।
অপরাধ 7 hours আগে

​দিনাজপুরে শান্তিতে ঘুমাতে চাই স্ট্যাটাস দিয়ে সাবেক এমপির স্ত্রীর আত্মহত্যার
দুর্ঘটনা 17 hours আগে

দিনাজপুরের খানসামা হোসেনপুর মাদ্রাসায় দুপুরে তালা।
রংপুর 17 hours আগে

সাভারে চালককে জবাই করে হত্যা।
ঢাকা 2 days আগে

সান্তাহারে প্রভাবশালীর তাণ্ডব সরকারি পুকুর কেটে মাটি পাচার।
অপরাধ 2 days আগে

ঠাকুরগাঁয়ের পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক
আইন-বিচার 2 days আগে

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় অসহায় নারীদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন।
আইন-বিচার 2 days আগে

সুনামগঞ্জের নদী থেকে লাশ উদ্ধার।
দুর্ঘটনা 2 days আগে

কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় কোন তদবির চলবেনা-ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন
রংপুর 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক