হোম
নাগরিক ভাবনা

নাগরিক ভাবনা: বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও বিবিধ প্রসঙ্গ 

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

ফাইল ছবি

নাগরিক ভাবনা: অ্যাডভোকেট আবু মহী উদ্দীনঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী , বেগম খালেদা জিয়া দারুণ অসুস্থ। আইনী জটিলতায় তিনি উন্নততর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন হলেও বিদেশ যেতে পারছেননা। যারা চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠাতে পারবেন তাদেরও ক্ষত রয়েছে। তাদের সামনে জ¦লজল করছে ২১ আগষ্ট। এ জন্য কাউকে খাতির না করলে কারো বলার কিছু নাই। অতীত ঘটনার জন্য প্রতিহিংসা দেখালে তাতে দোষ দেওয়া যাবেনা। জাতির জীবনে ২১ আগষ্ট না আসলে হয়তো অবস্থা অন্যরকম হতো। ভাবুনতো , ২১ আগষ্টের মূল অভিযান সফল হলে দেশ আজ কোথায় থাকতো? আমরা তো হাতেম তা-ঈ বা খলিফা হারুন – অর- রশিদ নই। আমি রাজনীতি করিনা। কিন্তু জীবন সায়াহ্নে এসে রাজনীতির কিছু কিছু বুঝতে হচ্ছে। মরিচ, পেঁয়াজ , মাছ , ডিম, সাবানের দাম বাড়লে আমাকেও স্পর্শ করে। ঔষধের দাম বাড়লে বেশি স্পর্শ করে। রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ , ডলারের দাম বাড়ার কারণে শিক্ষিত লোক হিসাবে বাধ্য হয়ে মেনে নিতে হয়।

কিন্তু সহজ সরল বানিজ্য মন্ত্রী যখন সরল স্বীকারোক্তি দেন , সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় তখন মনে প্রশ্ন জাগে। দেশের আলু কেনার লোক নাই, আলুর দাম বাড়ে, তখন সম্মান রাখতে পারিনা। বিরোধী দল এসব কথা মিউ মিউ করে বলে। বিরোধী দল এখন পর্যন্ত একটা কোল্ড স্টোর ঘেরাও করেনি। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ আর তত্বাবধায়ক ছাড়া বিরোধী দল আর কোন সমস্যা চিহ্নিত করতেই পারেনি।

বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসা নিয়ে আমার নিজস্ব মূল্যায়ন আছে। মতামতটা একেবারেই আমার ব্যক্তিগত। আমার এই বক্তব্যে কোন দলের প্রতি রাগ বা অনুরাগ বা বিরাগ হিসাবে চিহ্নিত করবেননা। বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ্য। তার অসুস্থতার যা গতি প্রকৃতি তাতে ক্রমাগত তার জীবন সংশয়ের আশংকা রয়েছে। তার কারণ হতে পারে , আমাদের দেশে সেই বিষয়ে চিকিৎসা নেই , অথবা কোন ডাক্তার সাহস পায়না, বা সেই চিকিৎসা করার কোন যোগ্য ডাক্তার নেই। তার সর্বশেষ অবস্থা লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। আমাদের দেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করার ডা. আছে। হয় তিনি সাহস করেননা অথবা বিএনপি তার চিকিৎসায় ভরসা পাননা।

বিএনপি খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করছে বলে সরকারী দল নিয়মিত বলে। বিষয়টি খুবই অমানবিক। বিএনপি যদি খালেদা জিয়ার চিকিৎসার উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিত তা হলে যা করতে পারতো , তা হলো আন্দোলন , ধর্মঘট , মিছিল সমাবেশ , হরতাল দিতো। এসব তারা করেছে। এর পরের করণীয় বিদেশ নেওয়ার দাবী করা। তারপর যখন চলেছে আইনী জটিলতার কারণে তাকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেওয়া যাবেনা। তখন দাবী করার ছিল , তাহলে বিদেশ থেকে ডাক্তার আনা হোক। যে দেশে চিকিৎসা হয় সেই দেশ থেকে ডাক্তার যন্ত্রপাতি এনে চিকিৎসা করা হোক। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা করে আসার পর ফলোআপ করার জন্য বিশ^ বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. দেবী শেঠীকে আনা হয়েছিল। ডা. দেবী শেঠীর যখন দরকারই হলো নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্য তাহলে প্রথমে তার কাছেই নেওয়া যেতো। প্রমান হলো ফলোআপ করার জন্য ডাক্তারও আমরা তৈরি করতে পারিনি অথবা ডাক্তারদের সুযোগ দিইনি অথবা আস্থাই নাই।

বেগম খালেদা জিয়ার জন্য তা কি করা যেতোনা। অথবা সরকারের কাছে দাবী ও আন্দোলন হতো বেগম খালেদা জিয়ার জন্য যে চিকিৎসা দরকার দেশের যে কোন হাসপাতালকে সেই ভাবে তৈরি করা। আমার বিশ^াস বেগম খালেদা জিয়া যতদিন ধরে অসুস্থ্য ততদিনে এই চিকিৎসার জন্য একটা হাসপাতালই তৈরি করা যেতো। এতে খালেদা জিয়ার চিকিৎসাও হতো , চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়তো, দেশের মানুষও উপকৃত হতো।

বিএনপির উচিত ছিল বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার উপর সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া। তার অসুস্থতাকে পুঁজি করে রাজনীতি করা আমরা পছন্দ করলামনা। বেগম জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে ডাক্তার সাহেবরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। সংবাদ সম্মেলন করা হতেই পারে , তা করবে তার স্বজনরা। বছরের পর বছর বাঘা বাঘা চিকিৎসকরা চিকিৎসা করছেন, আপনারা পরবেননা তো প্রথমেই বলে দিতেন, আপনাদের দ্বারা সম্ভব নয়। আপনাদের হাত পাকানোর প্রয়োজন ছিলনা। বেগম জিয়া অন্য হাসপাতালে যেতেন। অথবা সরকার ব্যবস্থা করতো। বিএনপি গোঁ ধরেছিল এভার কেয়ার হাসপাতাল ছাড়া দেশে আর কোন হাসপাতাল নাই, ডাক্তারও নাই। এভার কেয়ার হাসপাতাল কত বড়ো মাপের হাসপাতাল তা আমি জানিনা ও টা আমি দেখিওনি। এই হাসপাতালের ডাক্তার সাহেবদের চিকিৎসা নিয়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে। গত ২ বছর ধরে আমি এই প্রশ্নের জবাব খোজার চেষ্টা করছি। জেলখানা থেকে বের হয়ে প্রথম চিকিৎসায় কয়েক মাস বেগম জিয়া সেবার হাসপাতালে ছিলেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছিলেন। মাস দুয়েক পর আবার তিনি হাসপাতালে আসলেন । এবারে ডাক্তার সাহেবরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানতে পারলেন বেগম জিয়ার হার্টে বøক হয়েছে, হার্ট বøকেজের চিকিৎসা ওপেন হার্ট সার্জারী অথবা রিং পড়ানো। বেগম জিয়াকে রিং পড়ানো হলো। আমার প্রশ্নটা এখানেই। যে কোন মানুষ অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে আসার সাথে সাথে প্রথমেই রোগির হৃদযন্ত্র পরীক্ষা করা হয়। এর পর অন্যান্য বিষয়ে পরিক্ষা নিরীক্ষা করা হয় এবং সে মোতাবেক চিকিৎসা চলে। এখানে আরো চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকলে তাকে রেফার করা হবে। তখনইতো হার্ট বøক ধরার পড়ার কথা। সার্বিক চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরলেন। আমরা আস্বস্ত হয়েছিলাম। প্রশ্নটা একারণেই যে , হার্টের বøকেজ তো ২/৪ দিনে হয়না। কয়েক বছর লাগে। তার বøকেজতো আগে থেকেই ছিল। তাহলে প্রথম চিকিৎসার আমাদের দিগগজ ডাক্তার সাহেবরা কি পরীক্ষা নিরীক্ষা করলেন। তখন হার্টের বøকেজ ধরা পড়লোনা কেন? ডাক্তার সাহেবরা কি হাত পাকালেন?

উপসংহারে আমি দাবী করতে চাই , বিএনপি, বেগম জিয়া অসুস্থ্রতাকে পুজি করে রাজনীতি করছে যা খুবই অমানবিক। আরো একটি বিষয় আমাকে ভাবিয়ে তোলে তা হলো বেগম জিয়ার একমাত্র ছেলে প্রায় ১৫ বছর ধরে লন্ডনে আছেন, তার মা একটা দেশের ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী এবং একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের প্রধান তিনি অসুস্থ্য। তারেক জিয়াতো লন্ডনে থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে , আমেরিকার দেশে তার মায়ের চিকিৎসার জন্য জনমত তৈরি করতে পারতেন। বিভিন্ন রাষ্ট্রনায়কের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারতেন। যেমন ৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার করেছিল। তাওতো দেখলামনা। আবার দেশে ফেরার জন্য কোন কোন চেষ্টাও করেননি। রাজনীতি করবেন , ভবিষ্যতে রাষ্ট্রনায়ক হবেন অথচ জেলে যাওয়ার জন্য সাহস করবেননা তাতো হবেনা। তার তো জানার কথা কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বাইরের চেয়ে জেলখানায় অন্তরীণ থাকলেই বেশী শক্তিশালী।

আমার এই বিশ্লেষন আমেরিকার ভিসানীতির মতোই হবে। বিএনপি অখুশী হবে , আর আওয়ামী লীগের সমর্থকরা বাকবাকুম করবে। আমি এমন পর্যায়ের কেউ নই যে আমার এই লেখায় দেশের তাবৎ মানুষ রাস্তায় নামবে। দলকানা না হয়ে নিরপেক্ষ হোন দেশের উপকার হবে। শেষে বলি চিকিৎসা পাবার অধিকার দেশের সকল নাগরিকের আছে। বেগম জিয়ারতো আরো বেশী। তিনি চিকিৎসা বঞ্চিত হলে আমরা সাধারণ নাগরিকদের অবস্থা সহজেই অনুমেয়। আইনে কোথায় কি লেখা আছে সব আমরা জানিনা। তবে আইনতো মানুষের প্রয়োজনে তৈরি হয়েছে। প্রয়োজনে আইনতো সংশোধনযোগ্য। বেগম খালেদা জিয়া সরকার প্রধান ছিলেন। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তার অপরাধ থাকতেও পারে। সে সবের বিচার হবে, প্রয়োজনে মরনোত্তর বিচার হবে। কিন্তু তিনি চিকিৎসা বঞ্চিত হবেন এটা সমর্থনযোগ্য নয়।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় 12 hours আগে

সুনামগঞ্জে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ,বাইরে থেকে তালা মেরে বসত ঘরে আগুন, প্রাণনাশের
অপরাধ 14 hours আগে

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
রংপুর 18 hours আগে

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেড
রংপুর 18 hours আগে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান সেচ্ছায় বদলি নিলেল।
রংপুর 2 days আগে

চিরিরবন্দরে বাসের ধাঁক্কায় আরএফএল কোম্পানির এস আর রাকিব নিহত।
দুর্ঘটনা 2 days আগে

অন্ধকার নামতেই পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় কবর স্থানে শুরু হয়, লুটপাট, জুয়া
অপরাধ 2 days আগে

বগুড়ায় যাত্রীবাহী বাস থেকে ৩২ কেজি গাঁজাসহ স্বামী ও স্ত্রী
অপরাধ 2 days আগে

দিনাজপুর মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের হামলা।
অপরাধ 2 days আগে

পঞ্চগড়ে অধ্যক্ষের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি ৮ভরি স্বর্ণালংকার ও প্রায় ৫
দুর্ঘটনা 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক