admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২২ ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
নাগরিক ভাবনা, কুঞ্জ পালঃ সাজেক ভ্যালি রাঙ্গামাটি জেলার সর্ব উত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্হিত। সাজেক হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন, যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল। সাজেক এর উত্তরে ভারতের এিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটি লংগদু পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা।

সাজেক রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও এর যাতায়াত সুবিধা খাগড়াছড়ি এর দীঘানালা থেকে। রাঙামাটি থেকে নৌপথে কাপ্তাই হয়ে এসে অনেক পথ হেঁটে সাজেক আসা যায়। খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার। আর দীঘিনালা থেকে ৪৯ কিলোমিটার। বাঘািহাট থেকে ৩৪ কিলোমিটার। খাগড়াছড়ি থেকে দিঘীনালা আর্মি ক্যম্প হয়ে সাজেক যেতে হয়।পরে,পরবে ১০নং বাঘাইহাট পুলিশ ওআর্মি ক্যাম্প।
যেখান থেকে আপনাকে সাজেক যাবার মূল অনুমতি নিতে হবে। তার পর কাসালং ব্রিজ, দুটি নদী মিলে কাসালং নদী হয়েছে। পরে টাইগার টিলা আর্মি পোস্ট ও মাসালং বাজার। বাজার পার হলে পরবে সাজেকের প্রথম গ্রাম রুইলুই পাড়া যার উচ্চতা ১৮০০ ফুট। এর প্রবীণ জনগোষ্ঠী লুসাই এছাড়া পংকুয়া ও এিপুরারাও বাস করে। ১৮৮৫ সারে এই পাড়া প্রতিষ্ঠিত হয়। এর হেড ম্যান লাল থাংগা লুসাই। রুইলুই পাড়া থেকে অল্প সময়ে পৌঁছে যাবেন সাজেক। সাজেক এর বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিজিবি ক্যাম্প। এখানে হেলিপ্যাড আছে।

সাজেক এর রুইলুই পাড়া থেকে দুই থেকে আড়াই ঘন্টার ট্রেকিং করে দেখে আসতে পারেন সুন্দর কমলক ঝর্ণাটি।কমলক ঝর্ণাটি অনেকের কাছে পিদাম তৈসা ঝর্ণা অথবা সিকাম তৈসা ঝর্ণা নামে পরিচিত।সাজেক এর শেষ গ্রাম কংলক পাড়া।এটিও লুসাই জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত পাড়া।
এর হেড ম্যান চৌমিংথাই লুসাই। কং লাক পাড়া থেকে ভারতের লুসাই পাহাড় দেখা যায় । যেখান থেকে কর্ণফুলি নদী উৎপন্ন হয়েছে। সাজেক বিজিবি ক্যাম্প এর পর আর কোন ক্যাম্প না থাকায় নিরাপত্তা জনিত কারণে কংলক পাড়ায় মাঝে মাঝে যাওয়ার অনুমতি দেয় না। ফেরার সময় হাজাছড়া ঝর্ণা, দীঘিনালা ঝুলন্ত ব্রিজ এ দিঘীনালা বনবিহার দেখে আসতে পারে।