admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর, ২০২৪ ১২:২৪ অপরাহ্ণ
ডাঃ নুরল হক, বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার ৭ নং পলি প্রয়াগপুর ইউনিয়নে চক হরিদাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘৭৮ শতক জমির মধ্যে ‘৪০ শতক জমি বেদখল। স্কুল প্রতিষ্ঠা লগ্নে ১৯৭৩ সালে ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করার জন্য ঘর নির্মাণে দাতা কফিল উদ্দিন মন্ডল, মমিনউদ্দিন মন্ডল, এলাহী বক্স মন্ডল স্কুলের নামে ৭৮ শতক জমি দানপত্র করে দেন। কিন্তু দানকৃত জমির মধ্য হইতে ৪০ শতক জমি দাতাগণ নিজেরাই অদ্যাবধি ভোগ দখল করে আসছে।
বিষয়টি জানার পর সরে-জমিনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্কুলের নামে রেজিস্ট্রিকৃত দাতা কফিল উদ্দিন মন্ডল ২৩/০৫/৭৮ সালে ফুলবাড়ী ৯০ নং মৌজার জানিপুরের মধ্যে ৩ নং খতিয়ান ভুক্ত সে:মে: ১৯৫ দাগে দাঙ্গা ‘৩৮ শতক জমি দান পত্র লিখে দেন ।
অনুসন্ধানে একটি দলিলে দেখা যায় উল্লিখিত ব্যক্তিগন ০৫/০৪/৭৩ সালে ৫৬৪৫ নং দলিল মূলে মোট ‘৭৮ শতক জমি উক্ত স্কুলের নামে দানপত্র লিখে দেন। দেখা যায়, উক্ত দলিলপত্রে দাতা কফিল উদ্দিন মন্ডল, পিতা: রসুল বক্স গ্রাম: চাপড়া। দিনাজপুর, থানা ও সাব রেজিস্ট্রি অফিস ফুলবাড়ি জে এল নং ৯০, মৌজা জানিপুরের মধ্যে ৩ নং খতিয়ান ভুক্ত ২৪’৩১ একর জোত মধ্যে সেটেলমেন্ট ১৯৫ দাগে ডাঙ্গা ‘৩৮ শতক জমি দানপত্র লিখে দেন।
দাতা মমিনউদ্দিন পিতা মৃত, তাজউদ্দীন গ্রাম: চক হরিদাসপুর ফুলবাড়ী মৌজার জে এল ৯০ নং জানিপুরের মধ্যে ১২ নং খতিয়ান ভুক্ত সেটেলমেন্ট ১৯৬ দাগে দাঙ্গা ১’৭৬ শতকের মধ্যে ৮৮ শতক তন্মধ্যে ২০ শতক উত্তরাংশে দানপত্র লিখে দেন।
দাতা এলাহি বক্স মন্ডল পিতা মৃত, রিয়াজ উদ্দিন মন্ডল গ্রাম: জোত জয়রামপুর ঐ সত্বের জোত মৌজার ৩/৯ খতিয়ান ভুক্ত সে:মে: ১৯৬ দাগে ১’৭৬ শতক মধ্যে ‘৮৮ শতক তন্মধ্যে ‘২০ শতক উত্তরাংশে দানপত্র লিখে দেন।
এলাকার জনসাধারণ জানান ,দাতা মমিনউদ্দিন ছেলে মৃত্যু তৈমুর হোসেনকে স্কুলের চাকরি সর্তে ‘২০ শতক জমি দান করেন। কিন্তু তার ছেলের স্কুলে চাকরি হয় না। এদিকে এলাহি বক্স তার ছেলে আফজালকে চাকরি দেওয়ার সর্তে ‘২০ শতক জমি দান করেন। এবং আজমল প্রাইভেট ক্যান্ডিডেট স্কুল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরিতে যোগদান করেন। জনশ্রুতি দাতাগন ১৯৭৩ সালের দানকৃত দলিলটি গোপন রেখে কফিল উদ্দিন মন্ডল ১৯৭৮ সালে ‘৩৮ শতক জমি একটি দলিলে সম্পাদন করে দেন যার উপর স্কুল প্রতিষ্ঠিত এবং ৪০ শতক জমি বে দখলে দাতাগন ভোগ দখল করছেন।
এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুনা লায়লা জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানকে উক্ত দলিলের জাবেদা নকল উঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলিল দেখে প্রয়োজন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এলাকার জনসাধারণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উক্ত জমি উদ্ধার পূর্বক স্কুলের বাউন্ডারি এবং খেলার মাঠ তৈরি করার জোর দাবি জানান।