হোম
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের এর সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছে সিরিয়া যুদ্ধের চিত্র

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ

usa-pm-reject-decisions-mknewsbd

ফাইল ছবি

কুর্দি বাহিনীর সাথে দামেস্কের চুক্তির পর তুর্কি সীমান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী মাত্র এক সপ্তাহেই পাল্টে গেছে সিরিয়ার যুদ্ধের চিত্র। এই সাত দিনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার স্বঘোষিত “মহান এবং অতুলনীয় জ্ঞানের” মাধ্যমে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। তার নির্ধারিত কয়েকটি ঘটনা আমেরিকার মিত্রশক্তি এবং সিরিয়ার কুর্দিদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। অন্যদিকে সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বিরোধী শক্তি অর্থাৎ তুরস্ক, সিরিয়ার বাশার আল আসাদের শাসন ব্যবস্থা, এদের সমর্থক, রাশিয়া ও ইরান এবং জিহাদি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের জন্য। সিরিয়ার আট বছরের যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের চিত্র পূর্ণগঠন ও পরিবর্তন করেছে। আর গত এক সপ্তাহ ছিল নতুন আরেকটি বাঁক। সম্ভবত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বুদ্ধিমত্তা তাকে এ বিষয়ে আগেই আভাস দিয়েছিল। অথবা তার নিজের সহজাত প্রবৃত্তির উপর নির্ভর করার অভ্যাস, মধ্যপ্রাচ্যের জটিল পরিস্থিতির বিষয়ে তাকে মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত নিতে তাড়িত করেছে। বিদেশি অনুঘটক

তুরস্কের সাথে সীমান্তের বেশ কয়েকটি ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

তুরস্কের সাথে সীমান্তের বেশ কয়েকটি ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে যে, সিরিয়ার ভাগ্য দেশটির নিজস্ব জনগণ নয় বরং বিদেশিরা নির্ধারণ করবে। বারবার এ ধরণের হস্তক্ষেপ সিরিয়ার যুদ্ধকে উস্কে দিয়েছে এবং টিকিয়েও রেখেছে। সিরিয়ায় প্রভাব এবং শক্তির প্রতিযোগিতা সম্পর্কে লিখতে হলে এ যুদ্ধের শিকার মানুষদের ভোগান্তির বর্ণনার মধ্য দিয়ে তা শুরু করতে হবে। প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপই বেসামরিক নাগরিকদের জন্য ধ্বংস এবং মৃত্যু ডেকে এনেছে। এ ধরণের নির্দেশ যেসব নেতারা দিয়েছে তাদের সবার ওই মানুষদের ভোগান্তির ভিডিও দেখা বাধ্যতামূলক করা উচিত। এসব চিত্র অনলাইন কিংবা টেলিভিশনে খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন কিছু নয়। ট্রাম্পের বর্ণিত সীমাহীন যুদ্ধাবস্থা থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত তুরস্ককে সিরিয়ায় সেনা অভিযানের সবুজ সংকেত দিয়েছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান বলেছেন, এসডিএফ বা সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সের কুর্দি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে চান তিনি, কারণ তারা তার নিজের দেশের কুর্দি বিদ্রোহীদের মিত্র বাহিনী। তার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সীমান্তের উভয় পার্শে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা এবং ২০ মাইল জুড়ে একটি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল তৈরি করা। ওই এলাকায় তিনি ১০ লাখেরও বেশি সিরিয় শরণার্থীকে প্রত্যাবাসন করতে চান।

যুক্তরাষ্ট্র যখন সিরিয়ার কুর্দি এবং আরবদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দিতে চাইলো আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে, তখন তাদের ভাবী- কুর্দি মিত্রদেরকে জঙ্গি হিসেবে দেখছিল আরেক ন্যাটো মিত্র দেশ তুরস্ক। তবে ভবিষ্যতে এ নিয়ে সমস্যা হতে পারে জেনেও একে না দেখার ভান করেছিল ওয়াশিংটন। আর এখন সেই ভবিষ্যতটিই চলে এসেছে, আর সমস্যাটিও বেড়েছে। এক সপ্তাহ আগে, মুষ্টিমেয় কিছু মার্কিন সেনা সিরিয়ার কুর্দিদের জন্য নিরাপত্তার প্রতীক হয়েছিলো। কট্টরপন্থী জিহাদি গ্রুপ আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যারা গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মিত্র হয়ে উঠেছিল। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশ বিমান শক্তি এবং বিশেষ বাহিনীর সেনাদের পাঠালেও যুদ্ধক্ষেত্রে লড়েছে এবং প্রাণ দিয়েছে কুর্দি সেনারা। যখন কথিত ওই খিলাফতের ও আইএসের পতন হল, কুর্দিরা জড়ো হয়ে হাজার হাজার জিহাদি যোদ্ধাকে বন্দী করলো।

পরিবর্তিত পরিস্থিতি

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্ত শহরে অভিযান অব্যাহত রেখেছে তুরস্ক ও মিত্রশক্তি

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্ত শহরে অভিযান অব্যাহত রেখেছে তুরস্ক ও মিত্রশক্তি

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কয়েকটি টুইট করতে যে সময় লাগে, তার চেয়েও কম সময়ে কুর্দিরা বুঝেছিল যে তাদেরকে বর্জন করা হয়েছে এবং এটি আমেরিকার সামরিক বাহিনীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছিল মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার কুর্দিদের বর্জন করার অভিযোগ নাকচ করে দেন।কিন্তু যেভাবে তুর্কিরা অগ্রসর হচ্ছে এবং আমেরিকানরা চলে যাচ্ছে, তাতে কুর্দিরা সেই আশ্বাস পাচ্ছে না। নিজের অস্থির ইতিহাসে আবারো বিদেশি শক্তির নিগৃহীত মিত্র শক্তি হিসেবে নিজেদের পেলো কুর্দিরা। তারা আবারো নিজেদের পুরনো শত্রু দামেস্কের দিকেই ফিরে গেছে। রোববার কুর্দি ঘোষণা করেছে যে, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সাথে একটি চুক্তি সই করেছে তারা। চুক্তি অনুযায়ী, ২০১২ সালের পর থেকে তুরস্কের সাথে সীমান্তের যেসব এলাকায় দামেস্ক নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করতে পারেনি সেসব এলাকাতেও প্রবেশাধিকার পাচ্ছে আসাদ সেনারা। এটা বাশার আল আসাদের শাসন ব্যবস্থার জন্য একটি বড় জয়। উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে যেসব ঘাঁটি রক্ষণাবেক্ষণ করতো সেনারা সেগুলো থেকে দ্রুত সরে গেছে। আসাদের অনুগতরা সিরিয়ার পতাকা উত্তোলন করেছে। আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নীতির জন্য এই দিনটি ছিল একটি ভয়াবহ দিন। কুর্দিদের মিত্র বাহিনী, সিরিয়ার একাংশে তাদের নিজেদের পরিচালিত শাসনের নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে যুদ্ধাবসানের খেলায় আমেরিকানদের একটা পক্ষ দিয়েছিল। এটা ছিল আসাদ সাম্রাজ্যের সমর্থক শক্তি: রাশিয়া ও ইরানকে দূরে রাখার একটি উপায়ও। আমেরিকানদের বিদায় এবং সিরিয় বাহিনীর অগ্রসর হওয়াটাও তাদের জন্য জয়। এর মধ্য দিয়ে জিহাদি চরমপন্থি ইসলামি স্টেটের পুনরুত্থানেরও একটি সুযোগ তৈরি হল। টেলিগ্রাম নামে একটি বার্তা পাঠানোর অ্যাপে তারা সিরিয়ায় নতুন করে সহিংসতা ছড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তারা তাদের দখলকৃত এলাকা বা খিলাফত হারিয়েছে, কিন্তু যারা কারাগারের বাইরে ছিল তারা নিজেদেরকে স্লিপার সেলের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন করে গেরিলা হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আসাদের জন্য জয়
জাতীয় পতাকা উড়াচ্ছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর এক সেনা সদস্য এখন কুর্দিরা ধুঁকছে, এই সুযোগে তারা কুর্দিদের কারাগারে আটক হাজার হাজার যোদ্ধাকে মুক্ত করার স্বপ্ন দেখছে। তাদের অনেকেই কুখ্যাত খুনি যারা আবারো বন্দুক এবং গ্রেনেড বহনের সুযোগ পেলে একটি বড় হুমকি হয়ে দেখা দেবে। আর এটা শুধু সিরিয়ার জন্য হবে না বরং তার আরো দূরেও ছড়িয়ে পড়বে। বস্তুত বলতে গেলে, পশ্চিমা সরকার গুলো নতুন করে আইএসের হুমকি সামলানোর বিষয়ে বেশ ভয়ে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট যখন ইউরোপের দরজার কড়া নাড়তে আসে ঠিক সেই মুহূর্তে অভিযান বন্ধ করতে তুরস্ককে আহ্বান জানায় পশ্চিমা সরকারগুলো। অনেক ন্যাটো সদস্যই সিরিয়া নতুন একটি দুঃস্বপ্নকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেখছেন। যারা রাশিয়ার সমর্থন নিয়ে আরেক ন্যাটো সদস্য তুরস্কের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে তারা। রাশিয়া বলছে যে তারা তুরস্কের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে চলছে। কিন্তু যুদ্ধের চলমান পরিস্থিতিতে, ভুল বোঝার এবং ভুল সিদ্ধান্তের কারণে সংকট বাড়ার আশঙ্কা সব সময়ই থাকে। সম্ভবত গত সপ্তাহ যা ঘটেছে তা সিরিয়া যুদ্ধের সমাপ্তিকে অনেকটা সহজই করেছে। যুদ্ধের দুই প্রধান পক্ষ আমেরিকা এবং কুর্দিরা পুরো চিত্র থেকে মুছে গেছে। এবং প্রেসিডেন্ট আসাদ তার মিত্র দেশ রাশিয়া এবং ইরানকে নিয়ে সিরিয়ার ভয়াবহ যুদ্ধে নিজেদের জয়কে আরো পোক্ত করবে।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

সর্বশেষ খবর

সাভারে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে নামজারি,দালালের ১০ দিনের জেল।
আইন-বিচার 7 hours আগে

সান্তাহারে সরকারি পুকুর রক্ষায় অভিযান,জরিমানার পর অপরাধীদের চাপের মুখে প্রশাসন।
অপরাধ 7 hours আগে

​দিনাজপুরে শান্তিতে ঘুমাতে চাই স্ট্যাটাস দিয়ে সাবেক এমপির স্ত্রীর আত্মহত্যার
দুর্ঘটনা 17 hours আগে

দিনাজপুরের খানসামা হোসেনপুর মাদ্রাসায় দুপুরে তালা।
রংপুর 17 hours আগে

সাভারে চালককে জবাই করে হত্যা।
ঢাকা 2 days আগে

সান্তাহারে প্রভাবশালীর তাণ্ডব সরকারি পুকুর কেটে মাটি পাচার।
অপরাধ 2 days আগে

ঠাকুরগাঁয়ের পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক
আইন-বিচার 2 days আগে

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় অসহায় নারীদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন।
আইন-বিচার 2 days আগে

সুনামগঞ্জের নদী থেকে লাশ উদ্ধার।
দুর্ঘটনা 2 days আগে

কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় কোন তদবির চলবেনা-ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন
রংপুর 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক