admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩ জুন, ২০২২ ৭:২১ অপরাহ্ণ
এম. মাসুম আজাদ, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ জল ঘোরা হচ্ছে ঝিনাইদহের পৌর নির্বাচনে,জনগণ চাই সকলের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। আইনি জটিলতা কাটিয়ে দির্ঘদিন পরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঝিনাইদহের কাঙ্ক্ষিত পৌর নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে প্রার্থী মোট চার জন, নৌকার মাঝি হিসাবে ঝিনাইদহের প্রবিন আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ নেতা আব্দুল খালেক মনোনয়ন পেয়েছেন এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে আছেন, হিজল,মাসুম। নির্বাচন নিয়ে উৎসুক জনতার কৌতূহলের শেষ নেই, কে হবেন এবারের মেয়র। ঝিনাইদহের একটা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সমর্থন রয়েছে নৌকা প্রতিকের উপরে।
এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি বিষয় লক্ষনীয়ভাবে চোখেও পড়েছিলো, সেটি হচ্ছে ঝিনাইদহের আওয়ামী লীগের গ্রুপিং রাজনীতি অনেকটাই শিথিল হয়ে আসছিলো। আওয়ামীলীগের সকল গ্রুপের নেতাকর্মী জনাব, আব্দুল খালেকেই সমর্থন করে বিজয়ের লক্ষে কাজ করছেন। কিন্তু হটাৎ করেই রাজনীতির মাঠে সমালোচনার ঝড় উঠেছে নৌকা প্রতিকের প্রার্থীতা বাতিল সংক্রান্ত ঘোষণার মাধ্যমে। ঝিনাইদহের মানুষ জন্ম থেকেই বিভিন্ন কৌশলের রাজনীতি দেখে আসছিলেন,এবার দেখলো আরো একটা নতুন কৌশল। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে চাইনিজ রেস্তোরাঁয় এখন একটাই আলোচনা, কি হবে এই নির্বাচনে..?
হামলা করে বা মারপিঠ করে কখনো নির্বাচিত হওয়া যায় না,এছাও নৌকার মাঝি আব্দুল খালেক নিতান্তই একজন সাদাসিধে মানুষ তিনি এই ধরনের নোংরামি করবেন না এটাই এখন আলোচনার মুল বিষয়। আরো একটি বিষয় আলোচনা হচ্ছে,
এই সকল হামলা তো সত্যিই হয়েছে, কিন্তু হামলা কে করলো, কারা করলো, কার মদদে হামলা হলো সেই দায় এখনো পর্যন্ত কেউই শিকার করেন নাই। ঝিনাইদহের সকল শ্রেনীর মানুষের মোনে দাগ কেটেছে এই অমুলক সিদ্ধান্তের জন্যে, যদিও নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত কারন দর্শানো হয়েছে, কিন্তু সর্বসাধারণ জনগনের মোনে প্রশ্ন উঠেছে তখনই, এক পক্ষ ইট ছুড়লো, অন্য পক্ষ গুলি ছুড়লো।তবে কেনো একজনকেই ‘ইসি, শাস্তি দিবেন..? আচরণ বিধি লঙ্ঘন কি আওয়ামীলীগের সমর্থীতরা একাই করেছেন..? নাকি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিজল নিজেও লঙ্ঘন করেছেন…? জনমনে প্রশ্নের ঝড় উঠেছে, কিভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যক্তিগত আগ্নেঅস্ত্র ব্যাবহার করলো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিজল…?
উস্কানিমূলক আচরণ বিধি লঙ্ঘন কি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে তিনিও করেন নি…? ইটের জবাব গুলী করে দেওয়াটাও কতোখানি যৌক্তিক ছিলো..? ইসি’ কি বিষয়টি আমলে নিবেন না…? ঝিনাইদহের পৌরসভার সকল সাধারণ জনগণ জানেন আব্দুল খালেক একজন ভদ্র,নম্র স্বভাবের মানুষ এই সকল অপকর্মে তার কোনো সমর্থন আদেও ছিলো না। ঘটনার গভিরে হয়ত আরো ঘটনা খুজে পাওয়া যাবে, মিছিলে ব্যক্তিগত আগ্নেঅস্ত্রের গুলি এবং অস্ত্র ব্যবহার কতোটুকু যৌক্তিক এই প্রশ্নের জবাব অবশ্যই ‘ইসি,কে দিতে হবে। নির্বচান সহিংসতা অবশ্যই কারোরই কাম্য নয়, সকলের অংশগ্রহনে শান্তিপুর্ন অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সবাই আশাবাদী।
ঝিনাইদহের সকল স্তরের জনগণের দাবি, ফিরিয়ে দেওয়া হোক জনাব,আব্দুল খালেকের প্রার্থীতা। সকলের অংশগ্রহণে উজ্জীবিত হোক নির্বাচন, নোংরা রাজনৈতিক পরিকল্পনা সফল হতে যাচ্ছে যেটা কেউই কামনা করে না। প্রতিটি মানুষের ভোটের অধিকার আছে, সেই সাথে তাদের ব্যাক্তিগত পছন্দের মানুষ আছে যেটার বিচার হবে ভোটের মাধ্যমে কিন্তু ভোট নিয়ে অপরাজনীতি বন্ধ করুন। সকলের অংশগ্রহণে অবাধ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই ঝিনাইদহের সকলস্তরের মানুষ। তাই ইসির কাছে ঝিনাইদহের সকল স্তরের মানুষের দাবি ফিরিয়ে দেওয়া হোক নৌকার প্রার্থীতা। ভোটের ময়দানে লড়াই হোক ভোটের মাধ্যমে, সহিংসতা কারোরই কাম্য নহে।