admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ মে, ২০২১ ৮:০০ অপরাহ্ণ
লণ্ডভণ্ড সেন্টমার্টিন জেটি, ভাঙনের মুখে হোটেল-গেস্টহাউস। গত কয়েক দিন ধরেই ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাবে উত্তাল সাগর। ফলে বড় বড় ঢেউ এসে আসড়ে পড়ছিল দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের দেহে। প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ভেঙে গেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি। এ ছাড়া দুটি আবাসিক হোটেল ও পুলিশের গেস্টহাউসসহ কয়েকটি স্থাপনা ভাঙনের মুখে পড়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. হাবিব খাঁন জানান, দীর্ঘদিন ধরে জেটিটির সংস্কার করা হয়নি। ফলে এমনিতেই জেটির অবস্থা জরাজীর্ণ, তার মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর থেকে আসা বড় বড় ঢেউয়ের ধাক্কায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেটিটি।

তিনি আরো জানান, শুধু জেটিই নয়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে দ্বীপের উত্তরপাড়া, গলাচিপা, কোনারপাড়া ও দক্ষিণপাড়াসহ কমপক্ষে ৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া প্রিন্স হেভেন ও প্রাসাদ প্যারাডাইস নামের দুটি আবাসিক হোটেল ও পুলিশের গেস্টহাউস ভাঙনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, ঘূর্ণিঝড়ের আগেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে আল্লাহর রহমতে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানেনি। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগরে সৃষ্ট বড় বড় ঢেউয়ের তোড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দ্বীপের একমাত্র জেটি। জরুরিভাবে দ্বীপের চারপাশের ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই এই দ্বীপ সাগরে বিলীন হয়ে যাবে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এ বিষয়ে টেকনাফের উপজেলা ইউএনও (নির্বাহী কর্মকর্তা) পারভেজ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল এই জেটি। গত কয়েক দিনে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার কারণে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারের ঢেউয়ের ধাক্কায় এটি ধসে পড়ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হচ্ছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিন নিয়ে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। দ্বীপটির উন্নয়নে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।