admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২০ ৫:৪০ অপরাহ্ণ
পাঠাও প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম হত্যার আসামি সনাক্ত. খুনি ফাহিমের সহকারী ডেভন হত্যার অভিযোগে ২১ বছর বয়সী টাইরেস হাসপিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি ফাহিম সালেহ’র সহকারী ছিলেন বলে বিশ্বাস পুলিশের। শুক্রবার মি. হাসপিল গ্রেফতার হওয়ার পর নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান রডনি হ্যারিসন সাংবাদিকদের বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর (ফাহিম সালেহ) আর্থিক ও ব্যক্তিগত বিষয়গুলোর তত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে অভিযুক্তের কাছে ভুক্তিভোগী বড় অঙ্কের অর্থ পেতেন।
টাইরেস হাসপিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে তিনি ফাহিম সালেহকে বৈদ্যুতিক টেজার গান – যার সাহায্যে মানুষকে সাময়িক ভাবে নিশ্চল করা যায় – দিয়ে আঘাত করার পর নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেন। মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে ৩৩ বছর বয়সী ফাহিম সালেহ’র খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ পাওয়া যায়। ঐ অ্যাপার্টমেন্টটি ফাহিম সালেহ’র মালিকানাধীন ছিল। পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত এই ডেভন কিছুদিন ধরে ফাহিমের হাজার হাজার ডলার চুরি করছিল। ধরা পড়ার পর ফাহিম পুলিশে রিপোর্ট না করে ডেভনকে ইন্সটলমেন্টে পুরো টাকা পরিশোধের সুযোগ করে দিয়েছিল।
এটাছিল ফাহিমের মারাত্মক ভুল। হয়তো পুলিশে রিপোর্ট করা থাকলে ডেভন টাকা পরিশোধ না করে ফাহিমকে খুনের পরিকল্পনা করতোনা। ১৩ জুলাই সোমবার দুপুরেই ফাহিমের নিজ এপার্টমেন্টেই ওকে খুন করা হয়। লিফট হতে বের হবার পর এপার্টমেন্টে প্রবেশের আগে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়৷ ডেভন একটা টিজার গান ব্যবহার করে ফাহিমকে অজ্ঞান করে এবং পরে এপার্টমেন্টের ভিতরে নিয়ে গলা আর ঘাড়ে কয়েকবার ছুরি মেরে হত্যা করে। সেদিন ডেভন চলে গিয়ে পরদিন লাশ গুম করে দেয়ার জন্য মঙ্গলবার দুপুরে আবার ফিরে আসে। ইলেক্ট্রিক করাত দিয়ে কেটে ব্যাগে ভরার সময় ওর বোন এসে বেল দিলে ডেভন ওভাবেই সব ফেলে পিছনের সিঁড়ি দিয়ে পালিয়ে যায়।
খুনীর কাছ থেকে ফাহিমের ক্রেডিট কার্ডও উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই কার্ড ব্যবহার করে ডেভন ইতিমধ্যে প্রচুর কেনাকাটাও করেছে বলে জানায় পুলিশ।